২২ কোটি টাকার টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ নির্মাণ প্রকল্প ঘিরে অপপ্রচারের অভিযোগ।
- আপডেট সময় : ০১:০১:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬ ২০ বার পড়া হয়েছে

বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি:
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা ইউনিয়নের গজালিয়া-পাংশা গ্রামে প্রায় ২২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রকল্পকে কেন্দ্র করে একটি রেইনট্রি গাছ কাটার ঘটনায় অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের দাবি, সরকারের গুরুত্বপূর্ণ এই শিক্ষা প্রকল্পকে প্রশ্নবিদ্ধ ও উন্নয়ন কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করতে একটি স্বার্থান্বেষী মহল বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে।
জানা গেছে, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শুরুর প্রাক্কালে প্রকল্প এলাকার সড়কসংলগ্ন একটি রেইনট্রি গাছ এবং কয়েকটি খেজুর গাছ অপসারণ করা হয়।
সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, নির্মাণকাজ নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করার স্বার্থেই গাছগুলো কাটা হয়েছে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় একটি কুচক্রী মহল বন বিভাগের সামাজিক বনায়নের গাছ কাটা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে বিভিন্ন মহল এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার চালায়। তবে প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি মাইনুল ইসলাম বলেন, নির্মাণকাজের প্রয়োজনে যে রেইনট্রি গাছটি কাটা হয়েছে, সেটি স্থানীয় সাবু কাজী নামের একজন ব্যক্তির মালিকানাধীন। একটি স্বার্থান্বেষী মহল গাছটিকে বন বিভাগের সামাজিক বনায়নের গাছ হিসেবে প্রচার করে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্পকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
এ বিষয়ে বাবুগঞ্জ উপজেলা বন কর্মকর্তা মাসুম মোস্তফা বলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে বন বিভাগের গাছ কাটার অভিযোগ পেয়েছিলাম। পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, কারিগরি শিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এলাকার শিক্ষার্থীরা আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাবে। তাই প্রকল্প বাস্তবায়নে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করে সকলের সহযোগিতা করা উচিত।
উল্লেখ্য, প্রায় ২২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে বাবুগঞ্জসহ আশপাশের এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য কারিগরি ও প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।


















