ঢাকা ১২:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজন শিকদারের ব্যক্তিগত অর্থায়নে খেয়াঘাটে যাত্রী ছাউনি নির্মাণ, স্বস্তি যাত্রীদের ঘোড়াঘাটে দেউলী ঘাটে ব্রিজ নির্মাণে মন্ত্রী-এমপিদের শুধুই আশ্বাস ভাঙ্গা ব্রিজ ১০ গ্রামের মানুষের এখন মরণ ফাঁদ জীবননগর সীমান্তে ৪টি স্বর্ণের বার ও ৪ টুকরা স্বর্ণসহ এক পাচারকারী গ্রেফতার সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ গ্রেফতার স্বরূপকাঠী উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ওয়াহিদের মৃত্যুতে ব্যারিস্টার সাইফের শোক জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান রিপন। দর্শনা সীমান্তে ঘাস কাটতে যাওয়া বাংলাদেশি যুবককে ধরে পুলিশকে দিলো বিএসএফ বরিশাল কারাভ্যন্তরে মাদকের বিস্তার নারী বন্দির কাছ থেকে ২১৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার বিরামপুর ৩নং খানপুর ইউনিয়নে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির উদ্বোধন বিজয়নগর উপজেলায় ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন

খাল খননের নামে সারাদেশে লুটপাট হচ্ছে – ব্যারিস্টার ফুয়াদ।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:০৩:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধিঃ
আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেছেন, খাল খনন প্রকল্পের নামে সারাদেশে ব্যাপক লুটপাট চলছে। প্রকৃত প্রয়োজন থাকা খালগুলো খনন না করে ইতোমধ্যে খনন করা খালের পাশেই নতুন করে প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে।

সোমবার (১ জুন) রাত সাড়ে ৮টায় বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা বাজার এলাকায় এবি পার্টির কার্যালয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, যে খালগুলো অন্য সরকারি দপ্তর ইতোমধ্যে খনন করেছে, সেগুলোর পাশেই আবার নতুন করে খাল খনন কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে। অথচ যেসব খাল প্রকৃতপক্ষে খননের প্রয়োজন ছিল এবং যেগুলোর জন্য বরাদ্দ অনুমোদন হয়েছিল, সেগুলো বাতিল করা হয়েছে। খাল খনন প্রকল্পের নামে সারাদেশে লুটপাটের স্বর্গরাজ্য কায়েম করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন, এক কিলোমিটার খাল খননে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকার বেশি ব্যয় হওয়ার কথা নয়। কিন্তু অনেক প্রকল্পে এক কিলোমিটার খাল খননের জন্য ৭০ থেকে ৮০ লাখ টাকা পর্যন্ত বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে।

সরকারের বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সমালোচনা করে তিনি বলেন, সরকার বিভিন্ন ধরনের কার্ড দিচ্ছে। সেই কার্ড বিতরণের প্রচারের জন্য ৪১২ কোটি টাকার একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। ওই অর্থ দিয়ে সারাদেশে ৪৪ হাজার বিলবোর্ড স্থাপন করা হবে। সরকার মানুষের জন্য ৫ টাকা ব্যয় করে, আর সেই ৫ টাকার প্রচারে ৫ হাজার টাকা খরচ করে। এসবই লুটপাটের প্রকল্প। কারণ বিলবোর্ড নির্মাণের কাজ সরকারি দলের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরাই পাবে। এই ৪১২ কোটি টাকা থেকে সরকারি দলের অনেক লোক কোটিপতি হয়ে যাবে।

মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, দেশে মাদকের পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। প্রায় প্রতিটি মহল্লাই মাদকের আখড়ায় পরিণত হচ্ছে। সরকারি দলের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সহযোগিতা ছাড়া মাদক ব্যবসা পরিচালনা করা সম্ভব নয়। একইভাবে প্রশাসনের অসাধু অংশের সহযোগিতাও এতে জড়িত থাকে। তাই এলাকাবাসীকে মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে।

মাধবপাশা ইউনিয়ন শাখার আহ্বায়ক মো. আব্দুল আজিজ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইঞ্জিনিয়ার জি এম রাব্বী, কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) আব্দুল খালেক, মো. মোহেবর, সিদ্দিকুর রহমান, কামরুল ইসলাম এবং ইউনিয়ন শাখার সদস্য সচিব মো. জামাল আকন প্রমূখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

খাল খননের নামে সারাদেশে লুটপাট হচ্ছে – ব্যারিস্টার ফুয়াদ।

আপডেট সময় : ১২:০৩:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধিঃ
আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেছেন, খাল খনন প্রকল্পের নামে সারাদেশে ব্যাপক লুটপাট চলছে। প্রকৃত প্রয়োজন থাকা খালগুলো খনন না করে ইতোমধ্যে খনন করা খালের পাশেই নতুন করে প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে।

সোমবার (১ জুন) রাত সাড়ে ৮টায় বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা বাজার এলাকায় এবি পার্টির কার্যালয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, যে খালগুলো অন্য সরকারি দপ্তর ইতোমধ্যে খনন করেছে, সেগুলোর পাশেই আবার নতুন করে খাল খনন কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে। অথচ যেসব খাল প্রকৃতপক্ষে খননের প্রয়োজন ছিল এবং যেগুলোর জন্য বরাদ্দ অনুমোদন হয়েছিল, সেগুলো বাতিল করা হয়েছে। খাল খনন প্রকল্পের নামে সারাদেশে লুটপাটের স্বর্গরাজ্য কায়েম করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন, এক কিলোমিটার খাল খননে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকার বেশি ব্যয় হওয়ার কথা নয়। কিন্তু অনেক প্রকল্পে এক কিলোমিটার খাল খননের জন্য ৭০ থেকে ৮০ লাখ টাকা পর্যন্ত বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে।

সরকারের বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সমালোচনা করে তিনি বলেন, সরকার বিভিন্ন ধরনের কার্ড দিচ্ছে। সেই কার্ড বিতরণের প্রচারের জন্য ৪১২ কোটি টাকার একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। ওই অর্থ দিয়ে সারাদেশে ৪৪ হাজার বিলবোর্ড স্থাপন করা হবে। সরকার মানুষের জন্য ৫ টাকা ব্যয় করে, আর সেই ৫ টাকার প্রচারে ৫ হাজার টাকা খরচ করে। এসবই লুটপাটের প্রকল্প। কারণ বিলবোর্ড নির্মাণের কাজ সরকারি দলের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরাই পাবে। এই ৪১২ কোটি টাকা থেকে সরকারি দলের অনেক লোক কোটিপতি হয়ে যাবে।

মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, দেশে মাদকের পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। প্রায় প্রতিটি মহল্লাই মাদকের আখড়ায় পরিণত হচ্ছে। সরকারি দলের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সহযোগিতা ছাড়া মাদক ব্যবসা পরিচালনা করা সম্ভব নয়। একইভাবে প্রশাসনের অসাধু অংশের সহযোগিতাও এতে জড়িত থাকে। তাই এলাকাবাসীকে মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে।

মাধবপাশা ইউনিয়ন শাখার আহ্বায়ক মো. আব্দুল আজিজ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইঞ্জিনিয়ার জি এম রাব্বী, কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) আব্দুল খালেক, মো. মোহেবর, সিদ্দিকুর রহমান, কামরুল ইসলাম এবং ইউনিয়ন শাখার সদস্য সচিব মো. জামাল আকন প্রমূখ।