সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা রাজাপুরে টিসিবি ডিলার নিয়োগে অনিয়মের সত্যতা, পুনঃতদন্তে প্রশাসন রাজাপুরে বেহাল সড়ক পুনঃনির্মাণ ও সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন: দুই যুগের দুর্ভোগে ২০ হাজার মানুষ চুয়াডাঙ্গায় রাইচ কুকারের সুইচ দেবার কালে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গৃহবধূর মৃত্যু রহমতপুর সমিতি ঢাকা আহ্বায়ক কমিটি গঠন বিজয়নগরে লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে নিহত ১ আহত ৫ ঝালকাঠির ভীমরুলির ভাসমান পর্যটন কেন্দ্রে অতিরিক্ত ভাড়া ও উচ্চশব্দে সাউন্ড বক্স বাজানোর দায়ে অভিযান দর্শনায় বিজিবির অভিযানে ১৩ কোটি টাকার স্বর্ণসহ এক পাচারকারী আটক বিজয়নগর উপজেলা আমতলী বাজারের vision এর নতুন শো রুমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে,

বাতিল হলো ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের সব মামলা, সাজাপ্রাপ্ত-অভিযুক্তদের খালাস

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:০৩:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫ ৬৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
২০১৮ সালের বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অধীনে হওয়া সব মামলা বাতিল করেছে বর্তমান সরকার। নতুন করে অনুমোদিত সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫-এর সংশোধনীতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে ওই আইনে অভিযুক্ত এবং দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা সকলেই মুক্তি পাচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। তিনি বলেন, `সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫-এর সংশোধনীর আওতায় ২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অধীনে হওয়া সব মামলা, তদন্ত ও সাজা বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে অভিযুক্ত ও সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা মুক্তি পেয়েছেন।’

নতুন সংশোধনীতে বলা হয়েছে, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮-এর ধারা ২১, ২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ২৮, ২৯ ও ৩১ এবং এসব ধারায় সহায়তার অভিযোগে চলমান সব মামলা ও তদন্ত কার্যক্রম বাতিল বলে গণ্য হবে। এসব ধারার অধীন আদালত বা ট্রাইব্যুনালের দেওয়া সব সাজা ও জরিমানাও বাতিল হিসেবে বিবেচিত হবে।

এছাড়া একই বৈঠকে ব্যক্তিগত ডাটা সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ এবং জাতীয় উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫-ও অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ।

ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, `নতুন অধ্যাদেশগুলোর মাধ্যমে নাগরিকের ব্যক্তিগত তথ্য ও উপাত্তের সুরক্ষা নিশ্চিত হবে। এখন থেকে ডাটা ব্যবস্থাপনায় আরও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি থাকবে।’

২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে শুরু থেকেই সাংবাদিক, লেখক, অধিকারকর্মী ও আন্তর্জাতিক মহলে সমালোচনা ছিল। ওই আইনে বহু ব্যক্তি গ্রেপ্তার ও হয়রানির শিকার হয়েছেন—এই সিদ্ধান্তকে তাদের অনেকেই স্বাগত জানাতে পারেন।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বাতিল হলো ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের সব মামলা, সাজাপ্রাপ্ত-অভিযুক্তদের খালাস

আপডেট সময় : ০১:০৩:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

আজকের ক্রাইম ডেক্স
২০১৮ সালের বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অধীনে হওয়া সব মামলা বাতিল করেছে বর্তমান সরকার। নতুন করে অনুমোদিত সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫-এর সংশোধনীতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে ওই আইনে অভিযুক্ত এবং দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা সকলেই মুক্তি পাচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। তিনি বলেন, `সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫-এর সংশোধনীর আওতায় ২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অধীনে হওয়া সব মামলা, তদন্ত ও সাজা বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে অভিযুক্ত ও সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা মুক্তি পেয়েছেন।’

নতুন সংশোধনীতে বলা হয়েছে, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮-এর ধারা ২১, ২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ২৮, ২৯ ও ৩১ এবং এসব ধারায় সহায়তার অভিযোগে চলমান সব মামলা ও তদন্ত কার্যক্রম বাতিল বলে গণ্য হবে। এসব ধারার অধীন আদালত বা ট্রাইব্যুনালের দেওয়া সব সাজা ও জরিমানাও বাতিল হিসেবে বিবেচিত হবে।

এছাড়া একই বৈঠকে ব্যক্তিগত ডাটা সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ এবং জাতীয় উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫-ও অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ।

ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, `নতুন অধ্যাদেশগুলোর মাধ্যমে নাগরিকের ব্যক্তিগত তথ্য ও উপাত্তের সুরক্ষা নিশ্চিত হবে। এখন থেকে ডাটা ব্যবস্থাপনায় আরও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি থাকবে।’

২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে শুরু থেকেই সাংবাদিক, লেখক, অধিকারকর্মী ও আন্তর্জাতিক মহলে সমালোচনা ছিল। ওই আইনে বহু ব্যক্তি গ্রেপ্তার ও হয়রানির শিকার হয়েছেন—এই সিদ্ধান্তকে তাদের অনেকেই স্বাগত জানাতে পারেন।’