১০ মার্চ ২০২৬, ০৭:৪১ পূর্বাহ্ন, ২০শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি, মঙ্গলবার, ২৫শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নোটিশ
জরুরী ভিত্তিতে কিছুসংখ্যক জেলা-উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে যোগাযোগ- ০১৭১২৫৭৩৯৭৮
সর্বশেষ সংবাদ :
তেলের প্রধান ডিপোগুলোয় সেনাবাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ হাদির ‘খুনি’ গ্রেফতার ইস্যুতে প্রশ্নের মুখে বিজেপি মেঘনায় রাতভর অভিযান: ৩০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ, ১৪ জেলে আটক উজিরপুর–বানারীপাড়া আসনের এমপি সান্টুর ব্যক্তিগত সহকারী হলেন ফাইজুল হক সুমন। চুয়াডাঙ্গায় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত জেলগেটে আ.লীগ নেতাকে মালা দিয়ে বরণ করলেন বিএনপির এমপি বাবুগঞ্জে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ঝিনাইদহে পাম্পে তেল নিতে গিয়ে কর্মচারীদের পিটুনিতে যুবক নিহত বিরামপুরে অসহায় পরিবারের জমির ফলের গাছ কেটে নিধনের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার দাবি চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে জ্বালানী তেল পাচার রোধে বিজিবি মোতায়েন ও তল্লাশি জোরদার
মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর ৪৬তম মৃত্যুবার্ষিকী রাস্ট্রীয়ভাবে পালন করার আহবান ঃ এনডিপি

মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর ৪৬তম মৃত্যুবার্ষিকী রাস্ট্রীয়ভাবে পালন করার আহবান ঃ এনডিপি

আজকের ক্রাইম ডেক্স

১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ব বিদ্যালয় (পিজি) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে টাঙ্গাইলের সন্তোষে তাকে চির নিদ্রায় শায়িত করা হয়। মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী সবসময় ব্যক্তি স্বার্থের ঊর্ধে জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েছেন। তাঁর (ভাসানীর) অত্যন্ত সাদাসিধা জীবনযাপন দেশ ও জনগণের প্রতি তাঁর গভীর ভালোবাসারই প্রতিফলন। মওলানা ভাসানীর আদর্শ নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করবে বলে প্রত্যাশা করেন ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এনডিপি।
এনডিপির চেয়ারম্যান খোন্দকার গোলাম মোর্তজা ও মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা এক বিবৃতিতে বলেন,
মওলানা ভাসানীর মৃত্যু বার্ষিকী ৪৬ বছর শেষ হয়ে ৪৭ বছরে পদার্পণ করবে।

শোষণ, বঞ্চনাহীন ও প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক এবং অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গঠনের জন্য মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন।
গণতন্ত্রের গভীর সংকটে মওলানা ভাসানীর ৪৬ তম মৃত্যু বার্ষিকী পালন করা হবে।তিঁনি বেঁচে থাকলে খামোশ বলতেন। আজ সেই কথা বলার কেউ নেই। আজও এই মহান নেতার জন্ম ও মৃত্যু বার্ষিকী রাস্ট্রীয়ভাবে পালন করা হচ্ছে না।অথচ সব রাজনৈতিক দল মুখে মুখে মওলানা ভাসানীকে শ্রদ্ধা জানান।আমরা দাবী করছি আগামীতে নতুন প্রজন্মের কাছে ভাসানীর সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে এবং পাঠ্যপুস্তকে মওলানা ভাসানীকে যথাযথ মর্যাদায় তুলে ধরতে হবে।রাস্ট্রীয়ভাবে মওলানা ভাসানীর জন্ম ও মৃত্যু বার্ষিকী পালন করতে হবে।

১৮৮০ সালের ১২ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের ধানগড়া গ্রামে মওলানা ভাসানীর জন্ম। সিরাজগঞ্জে জন্ম হলেও মওলানা ভাসানী তার জীবনের সিংহভাগই কাটিয়েছেন টাঙ্গাইলের সন্তোষে। তিনি কৈশোর-যৌবন থেকেই রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তিনি প্রবাসী সরকারের উপদেষ্টা ছিলেন।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019