সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প ৫২ নম্বর রহমতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার ইয়াছির আরাফাত নলছিটিতে ২ ভূমি কর্মকর্তা শোকজ, কানুনগো বদলি গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার দুইজন গ্রেপ্তার, মানববন্ধন ঝালকাঠিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নলছিটিতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৫টি দোকানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা

১৫৫-১৬৫ কি.মি গতিতে আছড়ে পড়বে ইয়াস, বন্যার শঙ্কা।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০২:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ মে ২০২১ ১৩৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ওয়েব ডেস্ক
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি হওয়ার পর পশ্চিমবঙ্গসহ ভারতের চারটি রাজ্যের উপকূলীয় নিচু অঞ্চল থেকে হাজার হাজার লোককে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য, খাবার পানি ও অন্যান্য অপরিহার্য সরবরাহ মজুদ করা হচ্ছে। বিদ্যুৎ ও টেলিযোগাযোগ সেবাও সচল রাখতে যথাযথ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

শনিবার (২২ মে) বেলা ২টার পরে লঘুচাপটি সৃষ্টি হয়েছে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায়। এটি পরবর্তীতে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে এবং ২৬ মে নাগাদ উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশের খুলনা উপকূলে পৌঁছাতে পারে।
ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় প্রস্তুতির পর্যালোচনা করতে নয়াদিল্লিতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব রাজিব গৌবার নেতৃত্বাধীন জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির (এনসিএমসি) বৈঠক হয়েছে। এতে পশ্চিমবঙ্গ, উড়িষ্যা, তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রপ্রদেশের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে ঘূর্ণিঝড়ের হালনাগাদ নিয়ে ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তরের মহাসচিব ব্রিফ করেন। তিনি বলেন, বুধবার এটি যখন পশ্চিমঙ্গ ও উড়িষ্যার উপকূলে আঘাত হানবে, তখন বাতাসের গতিবেগ থাকবে প্রতি ঘণ্টায় ১৫৫ থেকে ১৬৫ কিলোমিটার। সঙ্গে দুই রাজ্যের উপকূলীয় জেলাগুলোতে ভারী বৃষ্টি ও ব্যাপক বন্যা হতে পারে।
এদিকে বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এটি ঘনীভূত হয়ে নিম্নচাপ এবং পরবর্তীতে গভীর নিম্নচাপ ও ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।
ফলে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে এক নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া অফিস আরও জানায়, বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে ২৩ মের মধ্যে উপকূলে ফিরে আসতে বলা হয়েছে।
বর্তমানে লঘুচাপটির বায়ুর গতিবেগ ঘণ্টায় ৩০-৩৫ কিমি, সর্বোচ্চ বায়ুর ঝাপটা ঘণ্টায় ৪৫-৫০ কিমি পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এর ফলে সাগর এলাকায় ইতিমধ্যেই প্রচুর মেঘ সঞ্চার ঘটেছে। লঘুচাপটি আগামী ৭ থেকে ৮ ঘণ্টার মধ্যে সুস্পষ্ট লঘুচাপে ও আগামী ১৬-২০ ঘণ্টার মধ্যে নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে।
আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম বলেন, শনিবার বেলা ২টার পরে লঘুচাপটি সৃষ্টি হয়েছে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলকায়। এটি পরবর্তীতে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে এবং ২৬ মে নাগাদ উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশের খুলনা উপকূলে পৌঁছাতে পারে।
ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এই লঘুচাপ রোববার সকালেই নিম্নচাপে রূপ নেবে। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড়ে ‍রূপ নিতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

১৫৫-১৬৫ কি.মি গতিতে আছড়ে পড়বে ইয়াস, বন্যার শঙ্কা।

আপডেট সময় : ০৬:০২:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ মে ২০২১

ওয়েব ডেস্ক
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি হওয়ার পর পশ্চিমবঙ্গসহ ভারতের চারটি রাজ্যের উপকূলীয় নিচু অঞ্চল থেকে হাজার হাজার লোককে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য, খাবার পানি ও অন্যান্য অপরিহার্য সরবরাহ মজুদ করা হচ্ছে। বিদ্যুৎ ও টেলিযোগাযোগ সেবাও সচল রাখতে যথাযথ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

শনিবার (২২ মে) বেলা ২টার পরে লঘুচাপটি সৃষ্টি হয়েছে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায়। এটি পরবর্তীতে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে এবং ২৬ মে নাগাদ উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশের খুলনা উপকূলে পৌঁছাতে পারে।
ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় প্রস্তুতির পর্যালোচনা করতে নয়াদিল্লিতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব রাজিব গৌবার নেতৃত্বাধীন জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির (এনসিএমসি) বৈঠক হয়েছে। এতে পশ্চিমবঙ্গ, উড়িষ্যা, তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রপ্রদেশের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে ঘূর্ণিঝড়ের হালনাগাদ নিয়ে ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তরের মহাসচিব ব্রিফ করেন। তিনি বলেন, বুধবার এটি যখন পশ্চিমঙ্গ ও উড়িষ্যার উপকূলে আঘাত হানবে, তখন বাতাসের গতিবেগ থাকবে প্রতি ঘণ্টায় ১৫৫ থেকে ১৬৫ কিলোমিটার। সঙ্গে দুই রাজ্যের উপকূলীয় জেলাগুলোতে ভারী বৃষ্টি ও ব্যাপক বন্যা হতে পারে।
এদিকে বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এটি ঘনীভূত হয়ে নিম্নচাপ এবং পরবর্তীতে গভীর নিম্নচাপ ও ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।
ফলে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে এক নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া অফিস আরও জানায়, বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে ২৩ মের মধ্যে উপকূলে ফিরে আসতে বলা হয়েছে।
বর্তমানে লঘুচাপটির বায়ুর গতিবেগ ঘণ্টায় ৩০-৩৫ কিমি, সর্বোচ্চ বায়ুর ঝাপটা ঘণ্টায় ৪৫-৫০ কিমি পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এর ফলে সাগর এলাকায় ইতিমধ্যেই প্রচুর মেঘ সঞ্চার ঘটেছে। লঘুচাপটি আগামী ৭ থেকে ৮ ঘণ্টার মধ্যে সুস্পষ্ট লঘুচাপে ও আগামী ১৬-২০ ঘণ্টার মধ্যে নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে।
আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম বলেন, শনিবার বেলা ২টার পরে লঘুচাপটি সৃষ্টি হয়েছে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলকায়। এটি পরবর্তীতে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে এবং ২৬ মে নাগাদ উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশের খুলনা উপকূলে পৌঁছাতে পারে।
ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এই লঘুচাপ রোববার সকালেই নিম্নচাপে রূপ নেবে। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড়ে ‍রূপ নিতে পারে।