সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা ঘোড়াঘাট আঞ্চলিক মহাসড়কে মৃত্যুফাঁদ! ৮টি স্থান দুর্ঘটনাপ্রবণ, বাড়ছে প্রাণহানি; গতিসীমা নিয়ন্ত্রণে সড়ক বিভাগ,ইউএনও ওসির কাছে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগের দাবী ঘোড়াঘাটে শিশুর পায়ুপথে বাতাস রক্তারক্ত জখম দোকান মালিক গ্রেফতার ঝালকাঠিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বিরামপুরে নানা কর্মসূচিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন দর্শনায় ক্যাডেট একাডেমিতে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত বিএসএফের গুলিতে জীবননগরে বাংলাদেশি আহত স্বর্ণ ব্যবসায়ী আটক ঘোড়াঘাটে মাদকবিরোধী উন্মুক্ত সভা, ৩০ সদস্যের কমিটি গঠন চাঁদপুরে ২৪ ঘণ্টায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীসহ গ্রেপ্তার ৭৪, আটক ১৯ কিশোর ঝালকাঠিতে মাদকবিরোধী মাসুক স্মৃতি মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

১৫৫-১৬৫ কি.মি গতিতে আছড়ে পড়বে ইয়াস, বন্যার শঙ্কা।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০২:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ মে ২০২১ ১৫৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ওয়েব ডেস্ক
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি হওয়ার পর পশ্চিমবঙ্গসহ ভারতের চারটি রাজ্যের উপকূলীয় নিচু অঞ্চল থেকে হাজার হাজার লোককে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য, খাবার পানি ও অন্যান্য অপরিহার্য সরবরাহ মজুদ করা হচ্ছে। বিদ্যুৎ ও টেলিযোগাযোগ সেবাও সচল রাখতে যথাযথ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

শনিবার (২২ মে) বেলা ২টার পরে লঘুচাপটি সৃষ্টি হয়েছে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায়। এটি পরবর্তীতে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে এবং ২৬ মে নাগাদ উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশের খুলনা উপকূলে পৌঁছাতে পারে।
ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় প্রস্তুতির পর্যালোচনা করতে নয়াদিল্লিতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব রাজিব গৌবার নেতৃত্বাধীন জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির (এনসিএমসি) বৈঠক হয়েছে। এতে পশ্চিমবঙ্গ, উড়িষ্যা, তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রপ্রদেশের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে ঘূর্ণিঝড়ের হালনাগাদ নিয়ে ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তরের মহাসচিব ব্রিফ করেন। তিনি বলেন, বুধবার এটি যখন পশ্চিমঙ্গ ও উড়িষ্যার উপকূলে আঘাত হানবে, তখন বাতাসের গতিবেগ থাকবে প্রতি ঘণ্টায় ১৫৫ থেকে ১৬৫ কিলোমিটার। সঙ্গে দুই রাজ্যের উপকূলীয় জেলাগুলোতে ভারী বৃষ্টি ও ব্যাপক বন্যা হতে পারে।
এদিকে বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এটি ঘনীভূত হয়ে নিম্নচাপ এবং পরবর্তীতে গভীর নিম্নচাপ ও ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।
ফলে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে এক নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া অফিস আরও জানায়, বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে ২৩ মের মধ্যে উপকূলে ফিরে আসতে বলা হয়েছে।
বর্তমানে লঘুচাপটির বায়ুর গতিবেগ ঘণ্টায় ৩০-৩৫ কিমি, সর্বোচ্চ বায়ুর ঝাপটা ঘণ্টায় ৪৫-৫০ কিমি পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এর ফলে সাগর এলাকায় ইতিমধ্যেই প্রচুর মেঘ সঞ্চার ঘটেছে। লঘুচাপটি আগামী ৭ থেকে ৮ ঘণ্টার মধ্যে সুস্পষ্ট লঘুচাপে ও আগামী ১৬-২০ ঘণ্টার মধ্যে নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে।
আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম বলেন, শনিবার বেলা ২টার পরে লঘুচাপটি সৃষ্টি হয়েছে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলকায়। এটি পরবর্তীতে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে এবং ২৬ মে নাগাদ উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশের খুলনা উপকূলে পৌঁছাতে পারে।
ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এই লঘুচাপ রোববার সকালেই নিম্নচাপে রূপ নেবে। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড়ে ‍রূপ নিতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

১৫৫-১৬৫ কি.মি গতিতে আছড়ে পড়বে ইয়াস, বন্যার শঙ্কা।

আপডেট সময় : ০৬:০২:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ মে ২০২১

ওয়েব ডেস্ক
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি হওয়ার পর পশ্চিমবঙ্গসহ ভারতের চারটি রাজ্যের উপকূলীয় নিচু অঞ্চল থেকে হাজার হাজার লোককে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য, খাবার পানি ও অন্যান্য অপরিহার্য সরবরাহ মজুদ করা হচ্ছে। বিদ্যুৎ ও টেলিযোগাযোগ সেবাও সচল রাখতে যথাযথ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

শনিবার (২২ মে) বেলা ২টার পরে লঘুচাপটি সৃষ্টি হয়েছে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায়। এটি পরবর্তীতে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে এবং ২৬ মে নাগাদ উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশের খুলনা উপকূলে পৌঁছাতে পারে।
ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় প্রস্তুতির পর্যালোচনা করতে নয়াদিল্লিতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব রাজিব গৌবার নেতৃত্বাধীন জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির (এনসিএমসি) বৈঠক হয়েছে। এতে পশ্চিমবঙ্গ, উড়িষ্যা, তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রপ্রদেশের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে ঘূর্ণিঝড়ের হালনাগাদ নিয়ে ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তরের মহাসচিব ব্রিফ করেন। তিনি বলেন, বুধবার এটি যখন পশ্চিমঙ্গ ও উড়িষ্যার উপকূলে আঘাত হানবে, তখন বাতাসের গতিবেগ থাকবে প্রতি ঘণ্টায় ১৫৫ থেকে ১৬৫ কিলোমিটার। সঙ্গে দুই রাজ্যের উপকূলীয় জেলাগুলোতে ভারী বৃষ্টি ও ব্যাপক বন্যা হতে পারে।
এদিকে বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এটি ঘনীভূত হয়ে নিম্নচাপ এবং পরবর্তীতে গভীর নিম্নচাপ ও ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।
ফলে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে এক নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া অফিস আরও জানায়, বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে ২৩ মের মধ্যে উপকূলে ফিরে আসতে বলা হয়েছে।
বর্তমানে লঘুচাপটির বায়ুর গতিবেগ ঘণ্টায় ৩০-৩৫ কিমি, সর্বোচ্চ বায়ুর ঝাপটা ঘণ্টায় ৪৫-৫০ কিমি পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এর ফলে সাগর এলাকায় ইতিমধ্যেই প্রচুর মেঘ সঞ্চার ঘটেছে। লঘুচাপটি আগামী ৭ থেকে ৮ ঘণ্টার মধ্যে সুস্পষ্ট লঘুচাপে ও আগামী ১৬-২০ ঘণ্টার মধ্যে নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে।
আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম বলেন, শনিবার বেলা ২টার পরে লঘুচাপটি সৃষ্টি হয়েছে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলকায়। এটি পরবর্তীতে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে এবং ২৬ মে নাগাদ উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশের খুলনা উপকূলে পৌঁছাতে পারে।
ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এই লঘুচাপ রোববার সকালেই নিম্নচাপে রূপ নেবে। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড়ে ‍রূপ নিতে পারে।