সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প ৫২ নম্বর রহমতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার ইয়াছির আরাফাত নলছিটিতে ২ ভূমি কর্মকর্তা শোকজ, কানুনগো বদলি গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার দুইজন গ্রেপ্তার, মানববন্ধন ঝালকাঠিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নলছিটিতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৫টি দোকানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা

তাদের পেশাই শ্মশানে মৃতদের শরীর থেকে কাপড় খুলে বিক্রি করত তারা।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৭:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ মে ২০২১ ১১৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আন্তর্জাতিক সময় ডেস্ক

মৃতদের পোশাক, এমনকি গায়ের সাদা চাদরও সরিয়ে নিতেন তারা। তারপর সেগুলোতে এক বিশেষ ব্র্যান্ডের স্টিকার সেটে পৌঁছে দিতেন দোকানে দোকানে। প্রতি দিনের সংগ্রহ কিছু টাকা দিতেন দোকানিরা। ভারতের যোগীরাজ্যে গত ১০ বছর ধরে এভাবেই রুজি-রুটি চালাচ্ছিল একটি দল। করোনার দাপটে ফুলেফেঁপে উঠেছিল ব্যবসা।

রোববার পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের বাগপতের এলাকা থেকে তাদের সাতজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তরা মৃতদেহের পরনের জামা-কাপড় ও অন্যান্য জিনিস চুরি করত।
সার্কেল কর্মকর্তা অলোক সিং জানিয়েছেন, মৃতদেহের বিছানার চাদর, শাড়ি, জামা চুরি করত অভিযুক্তরা। তাদের কাছ থেকে ৫২০টি বিছানার চাদর, ১২৭টি কুর্তা, ৫২টি শাড়ি এবং একাধিক জামা উদ্ধার হয়েছে। গত কয়েক দিনে যেখানে মৃতদেহের স্তূপ জমা করে রাখা হয়েছিল সেখানকার মৃতদের শরীর থেকে খুলে নেওয়া হয়েছিল।

পরে, সেগুলো ধুয়ে ও ইস্ত্রি করে গ্বয়ালিয়রের একটি কোম্পানির লেবেল সেঁটে বিক্রি করত তারা। এলাকার কাপড় ব্যবসায়ীদের সঙ্গেও অভিযুক্তদের যোগাযোগ ছিল বলে জানিয়েছেন পুলিশের ওই কর্মকর্তা।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, আটককৃতদের মধ্যে তিন জন একই পরিবারের। গত ১০ বছর ধরে চুরির চক্র চালাচ্ছে তারা। চুরির ধারা ছাড়াও তাদের বিরুদ্ধে মহামারি আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা ও জি নিউজ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

তাদের পেশাই শ্মশানে মৃতদের শরীর থেকে কাপড় খুলে বিক্রি করত তারা।

আপডেট সময় : ০৬:৩৭:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ মে ২০২১

আন্তর্জাতিক সময় ডেস্ক

মৃতদের পোশাক, এমনকি গায়ের সাদা চাদরও সরিয়ে নিতেন তারা। তারপর সেগুলোতে এক বিশেষ ব্র্যান্ডের স্টিকার সেটে পৌঁছে দিতেন দোকানে দোকানে। প্রতি দিনের সংগ্রহ কিছু টাকা দিতেন দোকানিরা। ভারতের যোগীরাজ্যে গত ১০ বছর ধরে এভাবেই রুজি-রুটি চালাচ্ছিল একটি দল। করোনার দাপটে ফুলেফেঁপে উঠেছিল ব্যবসা।

রোববার পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের বাগপতের এলাকা থেকে তাদের সাতজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তরা মৃতদেহের পরনের জামা-কাপড় ও অন্যান্য জিনিস চুরি করত।
সার্কেল কর্মকর্তা অলোক সিং জানিয়েছেন, মৃতদেহের বিছানার চাদর, শাড়ি, জামা চুরি করত অভিযুক্তরা। তাদের কাছ থেকে ৫২০টি বিছানার চাদর, ১২৭টি কুর্তা, ৫২টি শাড়ি এবং একাধিক জামা উদ্ধার হয়েছে। গত কয়েক দিনে যেখানে মৃতদেহের স্তূপ জমা করে রাখা হয়েছিল সেখানকার মৃতদের শরীর থেকে খুলে নেওয়া হয়েছিল।

পরে, সেগুলো ধুয়ে ও ইস্ত্রি করে গ্বয়ালিয়রের একটি কোম্পানির লেবেল সেঁটে বিক্রি করত তারা। এলাকার কাপড় ব্যবসায়ীদের সঙ্গেও অভিযুক্তদের যোগাযোগ ছিল বলে জানিয়েছেন পুলিশের ওই কর্মকর্তা।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, আটককৃতদের মধ্যে তিন জন একই পরিবারের। গত ১০ বছর ধরে চুরির চক্র চালাচ্ছে তারা। চুরির ধারা ছাড়াও তাদের বিরুদ্ধে মহামারি আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা ও জি নিউজ।