সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প ৫২ নম্বর রহমতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার ইয়াছির আরাফাত নলছিটিতে ২ ভূমি কর্মকর্তা শোকজ, কানুনগো বদলি গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার দুইজন গ্রেপ্তার, মানববন্ধন ঝালকাঠিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নলছিটিতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৫টি দোকানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা

করোনা: বিজ্ঞানীদের সতর্কবার্তা ‘কানে নেয়নি’ ভারত।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২৫:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ মে ২০২১ ১২৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ওয়েব ডেস্ক

বিজ্ঞানীদের একটি প্যানেল করোনার নতুন ও অতি সংক্রামক একটি ধরনের প্রকোপ নিয়ে মার্চের গোড়ার দিকে সতর্ক করে দিলেও ভারতীয় সরকার তাতে কান দেয়নি।

পাঁচ বিজ্ঞানীর বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এমন খবর দিয়েছে। তারা বলেন, সতর্ক করা সত্ত্বেও ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে বড় ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করতে চায়নি কেন্দ্রীয় সরকার।
এতে লাখ লাখ লোক কোনো স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই ধর্মীয় উৎসব ও রাজনৈতিক সমাবেশে যোগ দিয়েছেন। ইতিমধ্যে হাজার হাজার কৃষক দিল্লির উপকণ্ঠে তাঁবু গেড়ে সরকারের কৃষি নীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন।

মার্চের শুরুর দিকে ভারতীয় সার্স-কভ-২ জেনেটিকস কনসোর্টিয়াম বা আইএনএসএসিওজি সরকারকে সতর্ক করে দিয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীকে সরাসরি রিপোর্ট করেন এমন কর্মকর্তাদের কাছে এই সতর্কবার্তা পৌঁছানো হয়েছিল।
তবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে এসব তথ্যউপাত্ত পৌঁছানো হয়েছিল কিনা; তা নিশ্চিত করতে পারেনি রয়টার্স।

গত বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকে বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টাদের ফোরাম আইএনএসএসিওজি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। মূলত জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি করোনার জেনোমের বিভিন্ন ধরন শনাক্ত করতেই এই ফোরামের গঠন করা হয়েছিল।
তারা প্রথমে বি.১.৬১৭ ধরনটি শনাক্ত করে, যা বর্তমানে করোনার ভারতীয় ধরন নামে পরিচিত।
ফেব্রুয়ারির প্রথম দিকে ধরনটি শনাক্ত করে ১০ মার্চের আগেই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জাতীয় রোগ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের (এনসিডিসি) কাছে তথ্য পৌঁছে দেয় তারা।
বিজ্ঞানীরা তখন বলেন, খুব দ্রুতই করোনার এই ধরন দেশের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
সরকার কেন সতর্কবার্তার প্রতি জোর দেয়নি জানতে চাইলে আইএনএসএসিওজির বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা গ্রুপের প্রধান শাহিদ জামিল বলেন, সরকার যখন নীতি নির্ধারণ করছে, তখন এসব তথ্যউপাত্তে তারা যথেষ্ট নজর না দেওয়ায় আমি উদ্বিগ্ন ছিলাম। নীতি নির্ধারণ অবশ্যই তথ্যউপাত্তের ওপর ভিত্তি করে করতে হবে, অন্য কোনোভাবে করার সুযোগ নেই।
এই বিজ্ঞানী বলেন, আমি খুবই হতাশ যে, নীতি নির্ধারণে বিজ্ঞানকে হিসাবে নেওয়া হয়নি। আমি জানি, কোথায় আমার এখতিয়ারের শেষ সীমা। একজন বিজ্ঞানী কেবল তথ্যপ্রমাণ দিতে পারেন, নীতি নির্ধারণ তো সরকারের কাজ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

করোনা: বিজ্ঞানীদের সতর্কবার্তা ‘কানে নেয়নি’ ভারত।

আপডেট সময় : ০৬:২৫:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ মে ২০২১

ওয়েব ডেস্ক

বিজ্ঞানীদের একটি প্যানেল করোনার নতুন ও অতি সংক্রামক একটি ধরনের প্রকোপ নিয়ে মার্চের গোড়ার দিকে সতর্ক করে দিলেও ভারতীয় সরকার তাতে কান দেয়নি।

পাঁচ বিজ্ঞানীর বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এমন খবর দিয়েছে। তারা বলেন, সতর্ক করা সত্ত্বেও ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে বড় ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করতে চায়নি কেন্দ্রীয় সরকার।
এতে লাখ লাখ লোক কোনো স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই ধর্মীয় উৎসব ও রাজনৈতিক সমাবেশে যোগ দিয়েছেন। ইতিমধ্যে হাজার হাজার কৃষক দিল্লির উপকণ্ঠে তাঁবু গেড়ে সরকারের কৃষি নীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন।

মার্চের শুরুর দিকে ভারতীয় সার্স-কভ-২ জেনেটিকস কনসোর্টিয়াম বা আইএনএসএসিওজি সরকারকে সতর্ক করে দিয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীকে সরাসরি রিপোর্ট করেন এমন কর্মকর্তাদের কাছে এই সতর্কবার্তা পৌঁছানো হয়েছিল।
তবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে এসব তথ্যউপাত্ত পৌঁছানো হয়েছিল কিনা; তা নিশ্চিত করতে পারেনি রয়টার্স।

গত বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকে বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টাদের ফোরাম আইএনএসএসিওজি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। মূলত জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি করোনার জেনোমের বিভিন্ন ধরন শনাক্ত করতেই এই ফোরামের গঠন করা হয়েছিল।
তারা প্রথমে বি.১.৬১৭ ধরনটি শনাক্ত করে, যা বর্তমানে করোনার ভারতীয় ধরন নামে পরিচিত।
ফেব্রুয়ারির প্রথম দিকে ধরনটি শনাক্ত করে ১০ মার্চের আগেই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জাতীয় রোগ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের (এনসিডিসি) কাছে তথ্য পৌঁছে দেয় তারা।
বিজ্ঞানীরা তখন বলেন, খুব দ্রুতই করোনার এই ধরন দেশের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
সরকার কেন সতর্কবার্তার প্রতি জোর দেয়নি জানতে চাইলে আইএনএসএসিওজির বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা গ্রুপের প্রধান শাহিদ জামিল বলেন, সরকার যখন নীতি নির্ধারণ করছে, তখন এসব তথ্যউপাত্তে তারা যথেষ্ট নজর না দেওয়ায় আমি উদ্বিগ্ন ছিলাম। নীতি নির্ধারণ অবশ্যই তথ্যউপাত্তের ওপর ভিত্তি করে করতে হবে, অন্য কোনোভাবে করার সুযোগ নেই।
এই বিজ্ঞানী বলেন, আমি খুবই হতাশ যে, নীতি নির্ধারণে বিজ্ঞানকে হিসাবে নেওয়া হয়নি। আমি জানি, কোথায় আমার এখতিয়ারের শেষ সীমা। একজন বিজ্ঞানী কেবল তথ্যপ্রমাণ দিতে পারেন, নীতি নির্ধারণ তো সরকারের কাজ।