সংবাদ শিরোনাম ::
চুয়াডাঙ্গার বালিকা বিদ্যালয়ের সামনের দেয়ালে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান!লিখন,পরে মুছন ঝালকাঠিতে ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ড.জিয়াউদ্দিন হায়দার দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশের হাতে ইয়াবাসহ ৭ আসামী গ্রেফতার শিক্ষার্থীদের শুধু সনদ অর্জন নয়, দক্ষ ও মানবিক মানুষ হতে হবে: জিয়াউদ্দিন হায়দার উজিরপুরে শ্রমিকদল নেতার নেতৃত্বে সরকারি রাস্তার চার কিলোমিটার এলাকার গাছ লুটের মহোৎসব ঝালকাঠিতে ৩০ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক আলমডাঙ্গার স্বপন ফেসবুকে রাজনৈতিক পোস্ট দেয়ায় যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার বাবুগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রশিক্ষণ শুরু। প্রবাসীর ৬৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ দুলাভাইয়ের বিরুদ্ধে, বাড়ি থেকেও উচ্ছেদের হুমকি ডিসেম্বরে আপা আসবে তাই চলে যাচ্ছি বিদায় বাংলাদেশ আসিফ মাহমুদ

বিশ্বব্যাপী আগ্রাসন শুরু করেছে চীন! আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২১:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৭৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

চীন সর্বশেষ যে যুদ্ধটি করেছিল তা ছিল ১৯৭৯ সালে ভিয়েতনামে এবং সেটা ছিল নিষ্ফলা আগ্রাসন। এই যুদ্ধের পরে চীন প্রচার করতে শুরু করে যে তারা কখনো বিদেশের এক ইঞ্চি মাটিও দখল করতে পছন্দ করে না। ভিয়েতনামকে শিক্ষা দিতে গিয়ে সেই যুদ্ধে চীনা বাহিনী উল্টো বিপাকে পড়ে দ্রুত সেনা প্রত্যাহার করে নেয়।

অবশ্যই ১৯৭৯ সালের তুলনায় বর্তামানে পিএলএ একেবারেই আলাদা।

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রতিরক্ষা বাজেট এখন চীনা সেনাবাহিনীর। এছাড়া কন্টিনে্টাল মিলিটারি থেকে পিএলএ এখন মেরিটাইম মিলিটারিতে পরিণত হওয়ায় শক্তি-সামর্থ এবং সামরিক সরঞ্জামে এটা এখন অনেক সমৃদ্ধ হয়েছে।
তবে পিএলএ-এর যুদ্ধক্ষেত্রের কার্যকারিতা নিয়ে এশিয়া এবং বিশ্বের অন্যান্যদের মাঝে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন রয়ে গেছে। বিশেষত বেইজিং যেভাবে পিএলকে প্রদর্শন করে এবং বিশ্বকে প্রচ্ছন্ন হুমকি দেয় সেটার সক্ষমতা নিয়ে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের পূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিষয়ক ব্যুরোর সহকারী সচিব ডেভিড স্টিলওয়েল ১৭ সেপ্টেম্বর বলেছেন, ‘আজ আমরা চাইনিজ কমিউনিস্ট পার্টির (সিসিপি) সাথে যেমন জড়িত রয়েছি তেমনি চীনা সেনাবাহিনীর সঙ্গেও কাজ করছি। তবে এটা যেভাবে নিজেকে উপস্থাপন করে বাস্তবে আমরা তেমনটি দেখি না। সিসিপি এখন বিশ্বজুড়ে, বিশেষত ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আন্তর্জাতিক নিয়ম-নীতি উপেক্ষা করে নিজস্ব ক্ষমতার বলয় তৈরি করতে চায় যেটা বিশ্ব সম্প্রদায়কে প্রভাবিত করবে। ‘

স্টিলওয়েল হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, বিগত কয়েকমাসে বিশ্বব্যাপী আগ্রাসন শুরু করেছে চীন।

বিশেষত ভারতীয় সীমান্তে চীনা হিংস্র আগ্রাসন, দক্ষিণ চীন সাগরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ছোঁড়া, দক্ষিণ চীন সাগরের দাবিদার দেশগুলোর সঙ্গে তীব্র বর্বরতা, তাইওয়ানের বিরুদ্ধে তীব্র মৌখিক ও সামরিক হুমকি এবং জাপান নিয়ন্ত্রিত সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জে নৌবহর প্রেরণ। এগুলো কোনো দায়িত্বশীল বৈশ্বিক নেতার কাজ নয়, বরং আইনকে তোয়াক্কা না করা এক বোকার কাজ। ‘
পিএলএ-এর যুদ্ধের কার্যকারিতা যাচাই করেছেন এমন একজন বিশেষজ্ঞ হলেন অস্ট্রেলিয়ার ম্যাককুরিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা অধ্যয়ন ও অপরাধবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. বেটিস গিল। চলতি বছরে তিনি রয়েল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের জন্য একটি সিদ্ধান্ত প্রস্তাবনা দিয়েছেন। সেখানে চীনা বাহিনীর কার্যকারিতা সম্পর্কে বয়ান রয়েছে।

গিল বিশ্বাস করেন যে, চীনা সেনাবাহিনীতে বর্তমান ২০ লাখ সক্রিয় সদস্য রয়েছে। যার মধ্যে গ্রাউন্ড ফোর্স মাত্র ৫০ শতাংশ, পিএলএ নেভি (পিএলএএন) এবং মেরিন কর্পস প্রায় ১২.৫ শতাংশ, পিএলএ এয়ার ফোর্স (পিএলএএফ) ২০ শতাংশের কাছাকাছি, পিএলএ রকেট ফোর্স (পিএলএআরএফ) ৬ শতাংশ, পিএলএ স্ট্র্যাটেজিক সাপোর্ট ফোর্স (পিএলএসএফ) ৯ শতাংশ এবং বাকি ৪ শতাংশ যৌথ লজিস্টিক সাপোর্ট ফোর্স।

এছাড়াও, প্রায় ৫ লাখ রিজার্ভ ফোর্স রয়েছে। এদের মধ্যে প্রায় ৪ লাখ চুক্তিবদ্ধ নাগরিক। পিপলস আর্মড পুলিশের (চীন কোস্ট গার্ড সহ) প্রায় ৫ লাখ সদস্য রয়েছে। সুতরাং, সব মিলিয়ে চীন ৩০ লাখের বেশি সশস্ত্র কর্মী দেখাতে পারবে না। সূত্র: ইয়াহু নিউজ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বিশ্বব্যাপী আগ্রাসন শুরু করেছে চীন! আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ১০:২১:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

অনলাইন ডেস্ক

চীন সর্বশেষ যে যুদ্ধটি করেছিল তা ছিল ১৯৭৯ সালে ভিয়েতনামে এবং সেটা ছিল নিষ্ফলা আগ্রাসন। এই যুদ্ধের পরে চীন প্রচার করতে শুরু করে যে তারা কখনো বিদেশের এক ইঞ্চি মাটিও দখল করতে পছন্দ করে না। ভিয়েতনামকে শিক্ষা দিতে গিয়ে সেই যুদ্ধে চীনা বাহিনী উল্টো বিপাকে পড়ে দ্রুত সেনা প্রত্যাহার করে নেয়।

অবশ্যই ১৯৭৯ সালের তুলনায় বর্তামানে পিএলএ একেবারেই আলাদা।

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রতিরক্ষা বাজেট এখন চীনা সেনাবাহিনীর। এছাড়া কন্টিনে্টাল মিলিটারি থেকে পিএলএ এখন মেরিটাইম মিলিটারিতে পরিণত হওয়ায় শক্তি-সামর্থ এবং সামরিক সরঞ্জামে এটা এখন অনেক সমৃদ্ধ হয়েছে।
তবে পিএলএ-এর যুদ্ধক্ষেত্রের কার্যকারিতা নিয়ে এশিয়া এবং বিশ্বের অন্যান্যদের মাঝে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন রয়ে গেছে। বিশেষত বেইজিং যেভাবে পিএলকে প্রদর্শন করে এবং বিশ্বকে প্রচ্ছন্ন হুমকি দেয় সেটার সক্ষমতা নিয়ে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের পূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিষয়ক ব্যুরোর সহকারী সচিব ডেভিড স্টিলওয়েল ১৭ সেপ্টেম্বর বলেছেন, ‘আজ আমরা চাইনিজ কমিউনিস্ট পার্টির (সিসিপি) সাথে যেমন জড়িত রয়েছি তেমনি চীনা সেনাবাহিনীর সঙ্গেও কাজ করছি। তবে এটা যেভাবে নিজেকে উপস্থাপন করে বাস্তবে আমরা তেমনটি দেখি না। সিসিপি এখন বিশ্বজুড়ে, বিশেষত ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আন্তর্জাতিক নিয়ম-নীতি উপেক্ষা করে নিজস্ব ক্ষমতার বলয় তৈরি করতে চায় যেটা বিশ্ব সম্প্রদায়কে প্রভাবিত করবে। ‘

স্টিলওয়েল হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, বিগত কয়েকমাসে বিশ্বব্যাপী আগ্রাসন শুরু করেছে চীন।

বিশেষত ভারতীয় সীমান্তে চীনা হিংস্র আগ্রাসন, দক্ষিণ চীন সাগরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ছোঁড়া, দক্ষিণ চীন সাগরের দাবিদার দেশগুলোর সঙ্গে তীব্র বর্বরতা, তাইওয়ানের বিরুদ্ধে তীব্র মৌখিক ও সামরিক হুমকি এবং জাপান নিয়ন্ত্রিত সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জে নৌবহর প্রেরণ। এগুলো কোনো দায়িত্বশীল বৈশ্বিক নেতার কাজ নয়, বরং আইনকে তোয়াক্কা না করা এক বোকার কাজ। ‘
পিএলএ-এর যুদ্ধের কার্যকারিতা যাচাই করেছেন এমন একজন বিশেষজ্ঞ হলেন অস্ট্রেলিয়ার ম্যাককুরিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা অধ্যয়ন ও অপরাধবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. বেটিস গিল। চলতি বছরে তিনি রয়েল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের জন্য একটি সিদ্ধান্ত প্রস্তাবনা দিয়েছেন। সেখানে চীনা বাহিনীর কার্যকারিতা সম্পর্কে বয়ান রয়েছে।

গিল বিশ্বাস করেন যে, চীনা সেনাবাহিনীতে বর্তমান ২০ লাখ সক্রিয় সদস্য রয়েছে। যার মধ্যে গ্রাউন্ড ফোর্স মাত্র ৫০ শতাংশ, পিএলএ নেভি (পিএলএএন) এবং মেরিন কর্পস প্রায় ১২.৫ শতাংশ, পিএলএ এয়ার ফোর্স (পিএলএএফ) ২০ শতাংশের কাছাকাছি, পিএলএ রকেট ফোর্স (পিএলএআরএফ) ৬ শতাংশ, পিএলএ স্ট্র্যাটেজিক সাপোর্ট ফোর্স (পিএলএসএফ) ৯ শতাংশ এবং বাকি ৪ শতাংশ যৌথ লজিস্টিক সাপোর্ট ফোর্স।

এছাড়াও, প্রায় ৫ লাখ রিজার্ভ ফোর্স রয়েছে। এদের মধ্যে প্রায় ৪ লাখ চুক্তিবদ্ধ নাগরিক। পিপলস আর্মড পুলিশের (চীন কোস্ট গার্ড সহ) প্রায় ৫ লাখ সদস্য রয়েছে। সুতরাং, সব মিলিয়ে চীন ৩০ লাখের বেশি সশস্ত্র কর্মী দেখাতে পারবে না। সূত্র: ইয়াহু নিউজ।