সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাট আঞ্চলিক মহাসড়কে মৃত্যুফাঁদ! ৮টি স্থান দুর্ঘটনাপ্রবণ, বাড়ছে প্রাণহানি; গতিসীমা নিয়ন্ত্রণে সড়ক বিভাগ,ইউএনও ওসির কাছে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগের দাবী ঘোড়াঘাটে শিশুর পায়ুপথে বাতাস রক্তারক্ত জখম দোকান মালিক গ্রেফতার ঝালকাঠিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বিরামপুরে নানা কর্মসূচিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন দর্শনায় ক্যাডেট একাডেমিতে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত বিএসএফের গুলিতে জীবননগরে বাংলাদেশি আহত স্বর্ণ ব্যবসায়ী আটক ঘোড়াঘাটে মাদকবিরোধী উন্মুক্ত সভা, ৩০ সদস্যের কমিটি গঠন চাঁদপুরে ২৪ ঘণ্টায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীসহ গ্রেপ্তার ৭৪, আটক ১৯ কিশোর ঝালকাঠিতে মাদকবিরোধী মাসুক স্মৃতি মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ইকবাল সোবহান চৌধুরীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঝালকাঠিতে মানববন্ধন

জুয়ায় স্ত্রীকে বাজি রেখে হারলেন স্বামী, ধর্ষণ করল বন্ধুরা।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২২:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৬৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স

টাকার অভাবে স্ত্রী ও ১২ বছরের মেয়েকে দিয়ে নিজ বাড়িতেই যৌন ব্যবসা শুরু করেছিলেন এক ভারতীয় বাবা। দুই বছর ধরে প্রতি সপ্তাহে ধর্ষণ করা হয়েছে জানিয়ে ১২ বছর বয়সের ওই কিশোরী বলেন, এই ধর্ষণকারীদের অনেকেই তার বাবার বন্ধু। আবার বেশ কয়েকজন অপরিচিতও ছিল।

ওই কিশোরী বলছে, এই ঘটনার শুরু হয়েছিল যখন তার বাবা বাসায় বন্ধুদের মদ খেতে ডেকেছিল। মাতাল সেই মানুষগুলো তার বাবা-মায়ের সামনেই তাকে নিয়ে মজা করতো এবং গায়ে স্পর্শ করতো। অনেক সময় কোন কোন পুরুষ তার মাকে নিয়ে কোনো রুমের মধ্যে চলে যেত।

এরপর একদিন তার বাবা তাকে জোর করে তার এক বন্ধুর সঙ্গে তাকে একটি রুমে ঢুকতে বাধ্য করেন। এরপর তিনি বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দেন। বাবার সেই বন্ধুর হাতে তাকে ধর্ষিত হতে হয়। অচিরেই তার শৈশব একটা দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়। তার বাবা নানা রকম পুরুষকে ফোন করতো।

মেয়ের সঙ্গে থাকার জন্য তাদের সময় ঠিক করে দিত এবং সেসব পুরুষের কাছ থেকে অর্থ নিতো। এরপর থেকে পালাক্রমে গত দুই বছরে মেয়েটিকে অন্তত ৩০ জন পুরুষ ধর্ষণ করেছে। গত ২০ সেপ্টেম্বর একজন শিক্ষকের কাছ থেকে তথ্য পেয়ে শিশুকল্যাণ কর্মকর্তারা মেয়েটিকে তার বিদ্যালয় থেকে উদ্ধার করে একটি আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসে। শিশুকল্যাণ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন,

ডাক্তারি পরীক্ষায় ওই কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এই ঘটনায় তার বাবাসহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, শিশুকে যৌন উদ্দেশ্যে ব্যবহার এবং যৌন হয়রানির অভিযোগ আনা হয়েছে। তাদের সবার জামিন আবেদন নাকচ করে দেয়া হয়েছে।

পুলিশ মেয়েটির বাবার পরিচিত আরও পাঁচজন ব্যক্তিকে খুঁজছে যাদের বিরুদ্ধে মেয়েটিকে ধর্ষণ এবং যৌন নিপীড়নের অভিযোগ রয়েছে। পরিবারটির পরিচিত ২৫ জন ব্যক্তির নাম ও ছবি দিয়ে একটি তালিকা তৈরি করে মেয়েটিকে দেখিয়েছেন তদন্তকারীরা। ওই কিশোরী জানান, তার কারো চেহারা মনে পড়ে না। সবার চেহারাই ঝাপসা।

দক্ষিণ ভারতের একটি বর্ধিষ্ণু শহরে বসবাস করতো নির্যাতিতার পরিবার। উঁচু পাহাড়, পরিষ্কার ঘরবাড়ি আর স্বচ্ছ নদীর জন্য পরিচিত শহরটি। গত সেপ্টেম্বরে মেয়েটি যে এলাকায় থাকতো তার কাছাকাছি কয়েকজন শিক্ষকের কাছ থেকে কিছু তথ্য পায় স্কুল কর্তৃপক্ষ।

পরিবারটির মধ্যে কিছু যেন ঝামেলা আছে এবং তার বাড়িতে কিছু একটা চলছে। মেয়েটির সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা উচিত বলে মনে হয় তাদের। এরপর স্কুল কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে নারীদের একটি সহায়তা গ্রুপ থেকে একজন পরামর্শ দাতাকে ডেকে পাঠালেন।

পরদিন সকালে তিনি এলেন এবং শিক্ষকদের কক্ষে মুখোমুখি বসলেন তারা। ওপর তলায় বসে ছিলেন শিশুটির মা। তিনি তখনও জানেন না কি ঘটতে চলেছে। তিনি জানেন,

এটি ছিল স্রেফ একটি রুটিন মাফিক অভিভাবক-শিক্ষক বৈঠক। পরে ওই পরামর্শ দাতা মেয়েটিকে বললেন, তোমার পরিবার আর জীবন সম্পর্কে আমাকে সব খুলে বলো। তারা চার ঘণ্টা ধরে কথা বললেন। মেয়েটি বললো যে, বাড়িতে তার কঠিন সময় যাচ্ছে

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

জুয়ায় স্ত্রীকে বাজি রেখে হারলেন স্বামী, ধর্ষণ করল বন্ধুরা।

আপডেট সময় : ০৮:২২:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স

টাকার অভাবে স্ত্রী ও ১২ বছরের মেয়েকে দিয়ে নিজ বাড়িতেই যৌন ব্যবসা শুরু করেছিলেন এক ভারতীয় বাবা। দুই বছর ধরে প্রতি সপ্তাহে ধর্ষণ করা হয়েছে জানিয়ে ১২ বছর বয়সের ওই কিশোরী বলেন, এই ধর্ষণকারীদের অনেকেই তার বাবার বন্ধু। আবার বেশ কয়েকজন অপরিচিতও ছিল।

ওই কিশোরী বলছে, এই ঘটনার শুরু হয়েছিল যখন তার বাবা বাসায় বন্ধুদের মদ খেতে ডেকেছিল। মাতাল সেই মানুষগুলো তার বাবা-মায়ের সামনেই তাকে নিয়ে মজা করতো এবং গায়ে স্পর্শ করতো। অনেক সময় কোন কোন পুরুষ তার মাকে নিয়ে কোনো রুমের মধ্যে চলে যেত।

এরপর একদিন তার বাবা তাকে জোর করে তার এক বন্ধুর সঙ্গে তাকে একটি রুমে ঢুকতে বাধ্য করেন। এরপর তিনি বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দেন। বাবার সেই বন্ধুর হাতে তাকে ধর্ষিত হতে হয়। অচিরেই তার শৈশব একটা দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়। তার বাবা নানা রকম পুরুষকে ফোন করতো।

মেয়ের সঙ্গে থাকার জন্য তাদের সময় ঠিক করে দিত এবং সেসব পুরুষের কাছ থেকে অর্থ নিতো। এরপর থেকে পালাক্রমে গত দুই বছরে মেয়েটিকে অন্তত ৩০ জন পুরুষ ধর্ষণ করেছে। গত ২০ সেপ্টেম্বর একজন শিক্ষকের কাছ থেকে তথ্য পেয়ে শিশুকল্যাণ কর্মকর্তারা মেয়েটিকে তার বিদ্যালয় থেকে উদ্ধার করে একটি আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসে। শিশুকল্যাণ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন,

ডাক্তারি পরীক্ষায় ওই কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এই ঘটনায় তার বাবাসহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, শিশুকে যৌন উদ্দেশ্যে ব্যবহার এবং যৌন হয়রানির অভিযোগ আনা হয়েছে। তাদের সবার জামিন আবেদন নাকচ করে দেয়া হয়েছে।

পুলিশ মেয়েটির বাবার পরিচিত আরও পাঁচজন ব্যক্তিকে খুঁজছে যাদের বিরুদ্ধে মেয়েটিকে ধর্ষণ এবং যৌন নিপীড়নের অভিযোগ রয়েছে। পরিবারটির পরিচিত ২৫ জন ব্যক্তির নাম ও ছবি দিয়ে একটি তালিকা তৈরি করে মেয়েটিকে দেখিয়েছেন তদন্তকারীরা। ওই কিশোরী জানান, তার কারো চেহারা মনে পড়ে না। সবার চেহারাই ঝাপসা।

দক্ষিণ ভারতের একটি বর্ধিষ্ণু শহরে বসবাস করতো নির্যাতিতার পরিবার। উঁচু পাহাড়, পরিষ্কার ঘরবাড়ি আর স্বচ্ছ নদীর জন্য পরিচিত শহরটি। গত সেপ্টেম্বরে মেয়েটি যে এলাকায় থাকতো তার কাছাকাছি কয়েকজন শিক্ষকের কাছ থেকে কিছু তথ্য পায় স্কুল কর্তৃপক্ষ।

পরিবারটির মধ্যে কিছু যেন ঝামেলা আছে এবং তার বাড়িতে কিছু একটা চলছে। মেয়েটির সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা উচিত বলে মনে হয় তাদের। এরপর স্কুল কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে নারীদের একটি সহায়তা গ্রুপ থেকে একজন পরামর্শ দাতাকে ডেকে পাঠালেন।

পরদিন সকালে তিনি এলেন এবং শিক্ষকদের কক্ষে মুখোমুখি বসলেন তারা। ওপর তলায় বসে ছিলেন শিশুটির মা। তিনি তখনও জানেন না কি ঘটতে চলেছে। তিনি জানেন,

এটি ছিল স্রেফ একটি রুটিন মাফিক অভিভাবক-শিক্ষক বৈঠক। পরে ওই পরামর্শ দাতা মেয়েটিকে বললেন, তোমার পরিবার আর জীবন সম্পর্কে আমাকে সব খুলে বলো। তারা চার ঘণ্টা ধরে কথা বললেন। মেয়েটি বললো যে, বাড়িতে তার কঠিন সময় যাচ্ছে