বিরামপুরে প্রেমের সম্পর্ক ঘিরে বিরোধ,তরুণীর ওপর মারধরের অভিযোগ; ঘটনায় মামলা
বিরামপুরে প্রেমের সম্পর্ক ঘিরে বিরোধ,তরুণীর ওপর মারধরের অভিযোগ; ঘটনায় মামলা
- আপডেট সময় : ১২:৫৫:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ২৩ বার পড়া হয়েছে

দিনাজপুরের বিরামপুরে প্রেমের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে বিরোধ,এক তরুণীর ওপর মারধরের অভিযোগ এবং পরে প্রেমিককে ধাওয়া করে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়ার ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত তরুণ মোতাসাব্বির সাবিব মোকিনকে দিনাজপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে বিরামপুর থানা পুলিশ। অভিযোগকারী তরুণী মোছা.ইসরাত জাহান ঋতু বিরামপুর উপজেলার একর মঙ্গলপুর এলাকার বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম মো.সোহেল। অন্যদিকে, অভিযুক্ত তরুণ মোতাসাব্বির সাবিব মোকিন ইসলামপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম মোক্তাদির। স্থানীয়ভাবে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী,ওই তরুণ তরুণীর মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এ সম্পর্ককে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয় বলে জানা গেছে। একপর্যায়ে তরুণীকে তাঁর খালার বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে তরুণীকে নিয়ে রাস্তায় বের হলে ছেলেপক্ষের লোকজন তাঁর ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে হামলা চালান ও ছেলে ঘটনাস্হল থেকে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তাঁকে মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে তরুণী প্রেমিককে ধাওয়া করে আটক করেন এবং তাঁকে থানায় নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ,হামলার সঙ্গে কারা জড়িত ছিলেন এবং উভয় পক্ষের মধ্যে ঠিক কী ঘটেছিল,তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। থানার বক্তব্য এ বিষয়ে বিরামপুর থানার একজন কর্মকর্তা মুঠোফোনে জানান,ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় মামলা হয়েছে এবং অভিযুক্ত তরুণকে দিনাজপুর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে মামলার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ,ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ এবং সংশ্লিষ্ট অন্য ব্যক্তিদের ভূমিকা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে পুলিশের আনুষ্ঠানিক নথি ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতে আরও তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন। নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি প্রেমের সম্পর্ক ব্যক্তিগত বিষয় হলেও তা নিয়ে বিরোধের জেরে কারও ওপর হামলা বা নির্যাতনের অভিযোগ উঠলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা জরুরি। একই সঙ্গে,অভিযোগের সত্যতা যাচাই না করে কাউকে দোষী হিসেবে চিহ্নিত করাও সমীচীন নয়। এ ঘটনায় অভিযোগকারী তরুণী ও অভিযুক্ত তরুণ উভয় পক্ষের বক্তব্য যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের দাবি উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা,হামলার অভিযোগ এবং বিরোধের পেছনের কারণ নিরপেক্ষ ভাবে তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। আইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই হোক সবার প্রত্যাশা। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নির্দোষ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন,তা নিশ্চিত করা জরুরি।
























