সংবাদ শিরোনাম ::
বানারী পাড়ায় প্রবাসীর বিরুদ্ধে মিথ্যা হয়রানীমূলক মামলা দেওয়ার অভিযোগ আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি গোলাম সালেহ মঞ্জু মোল্লা বিরুদ্ধে ভাণ্ডারিয়ায় গভীর রাতে সেপ্টিক ট্যাংকির বর্জ্য রাস্তা পাশে ফেলার অভিযোগ বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন ঘোড়াঘাটে দীর্ঘ দিন ধরে স্যানিটারি ইন্সপেক্টর নেই, জনস্বাস্থ্য কার্যক্রম ব্যাহত, স‌্যানিটেশন তদারকি নেই, দ্রুত পদায়ণের দাবী ​ঝালকাঠিতে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য ও গুপ্ত তৎপরতার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে ঝালকাঠিতে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল বানারীপাড়ায় আওয়ামী লীগের ১০ নেতা-কর্মীকে জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা বাবুগঞ্জে পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল কারার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল কাঠালিয়ায় সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা দাবি: মানববন্ধনে প্রতিবাদ

বানারী পাড়ায় প্রবাসীর বিরুদ্ধে মিথ্যা হয়রানীমূলক মামলা দেওয়ার অভিযোগ আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি গোলাম সালেহ মঞ্জু মোল্লা বিরুদ্ধে।

বানারী পাড়ায় প্রবাসীর বিরুদ্ধে মিথ্যা হয়রানীমূলক মামলা দেওয়ার অভিযোগ আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি গোলাম সালেহ মঞ্জু মোল্লা বিরুদ্ধে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৭:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বানারী পাড়া প্রতিনিধি : বানরী পাড়ায় এক প্রবাসী পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানি মূলক মামলার দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বানারী পাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি গোলাম সালেহ মঞ্জু মোল্লার বিরুদ্ধে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায় মোঃ আলী হোসেন মোল্লা জে এল ৪২ নম্বর খতিয়ান এস এ ৫৯৪ ও ৫৯১ নম্বর খতিয়ান হাল ৫৯৭ ও ৫৮৯ দাগ থেকে ২৪ শতাংশ সম্পত্তি ক্রয় করেন। একই দাগে প্রতিবেশী গোলাম সালেহ মঞ্জু মোল্লা দুইটি দলিলে সাব কবলা মুলে ৩১ শতক সম্পত্তিক ক্রয় করেন এই জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে মঞ্জু মোল্লা ও আলী হোসেন মোল্লা গংদের মধ্যে একটি বিরোধ চলে আসছিল আলী হোসেন এর অভিযোগ মঞ্জু মোল্লা তাদের চার শতক জমি জোরপূর্বক দখল করে রেখেছিলেন বিগত ৪৪ বছর। সরজমিনে গিয়ে জানা যায় বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য শালিশদের মাধ্যমে মীমাংসা হয়ে যাওয়ার পর উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মঞ্জু মোল্লা রাজনৈতিক ফায়দা লোটার জন্য বরিশাল অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। বিষয়টি নিয়ে মামলার সাক্ষী বানারীপাড়া পৌরসভার সাবেক ৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর গৌতম সমাদ্দার এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন এ ব্যাপারে আমি কিছুই জানিনা আমাকে মঞ্জু সাহেব জিজ্ঞেস করে সাক্ষী দেননি এবং কেন দিয়েছেন তাও আমি জানি না তবে শুনেছি বিষয়টি স্থানীয় শালীশদের মাধ্যমে সমাধান হয়ে গেছে। এ বিষয়ে আলি হোসেন মোল্লার পুত্র আতিক মোল্লার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার বাবা আলী হোসেন মোল্লার সাথে অনেকদিন আগে থেকেই থেকেই জমিজমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে জামেলা চলে আসছিল মঞ্জু চাচার সাথে একাধিকবার সালিশ বৈঠক হয়েছে তিনি জোর পূর্বক আমাদের ৪ শতক জমি দখল করে রেখেছেন বারবার বুঝিয়ে দেবার কথা বলেও দিচ্ছেন না উল্টো আমার বাবা এবং আমার পরিবারকে তিনি এবং তার ছেলে সৈকত মোল্লা বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন। আমি এবং আমার ভাই-বোনেরা দীর্ঘদিন যাবত প্রবাসে থাকি বাড়িতে আমার বৃদ্ধ মা-বাবা থাকেন আমি ছুটিতে বাড়িতে এসেছি এসে দেখে মঞ্জু চাচা আমাদের জমি থেকে জোরপূর্বক গাছ কেটে নিচ্ছেন আমি এবং আমার পরিবার বাধা দিলে আমাকে এবং আমার পরিবারকে হুমকি দিচ্ছেন আমি বাধ্য হয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করি অভিযোগের পরিপেক্ষিতে বানারী পাড়া থানার এসআই বারেক উভয় পক্ষের কাগজপত্র যাচাই বাছাই করে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে একটি সালিশ গঠন করে দেন। তার প্রেক্ষিতে আমাদের উভয় পক্ষের আমিন সহ শালিশ দের অনুরোধে সরকারি আমিন সহ বানারী পড়া ভূমি অফিসের কানুন গো জমি পরিমাপ করেন পরিমাপে প্রমাণ হয় যে মঞ্জু চাচা আমাদের ৩ শতক জমি তার ভিতরে বেশি দখল নিয়ে আছেন এবং আমার বাবার ক্রয় কৃত সম্পত্তির চেয়ে আমাদের ৩ শতক জমি কম আছে। এর পরিপেক্ষিতে স্থানীয় সালিশ গন দুই পক্ষের আমিন সহ সরকারি আমিন নিয়ে মঞ্জু চাচার সম্মতিক্রমে আমাদের ৩ শতক জমি মেপে দেন এবং পাকা পিলার স্থাপনা করে দিয়ে যান ঠিক তার দুদিন পরে তিনি আমি সহ আমার বাবার বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন এবং সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে আমার পরিবারকে একটি রাজনৈতিক ট্যাগ লাগাতে চান আসলে আমরা ভাই বোন দীর্ঘদিন প্রবাসী ২০ থেকে ২৫ বছর যাবৎ আমরা দেশের বাইরে থাকি। আমার বাবা একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা আমরা কোন রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ত নই। বরং গোলাম সালেহ মঞ্জু মোল্লা একজন ভূমিদস্যু যেটা সরজমিন পরিদর্শন করলেই দেখা যাবে। এ ব্যাপারে গোলাম সালেহ মঞ্জুমল্লার কাছে স্থানীয় সাংবাদিকরা মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি ফোনটা রিসিভ করেন জানতে চাওয়া হয় সালিশির পরেও আপনি মামলা দায়ের করেছেন কেন তিনি বলেন সামাজিক ও রাজনৈতিক কিছু ব্যাপার থাকে তাই মামলা করেছি বুঝতে পেরেছি আপনি কে বলে ফোনটি কেটে দেন। এ ব্যাপারে জমির মালিক আলী হোসেন মোল্লার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন ৪০ বছর যাবত জুলুম করে আসছিল আমাদের পরিবারের সাথে স্থানীয় গণ্য মান্য শালিশদারদের মাধ্যমে সঠিক বিচার পেয়েছি। আমি একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকুরীজীবী এবং আমার সন্তানেরা দীর্ঘ ২০থেকে ২৫ বছর যাবৎ প্রবাসে থাকে গোলাম সালেহ মঞ্জু মোল্লা রাজনৈতিক ফায়দা লোটার জন্য আমার পরিবারকে রাজনৈতিক পরিচয় দিচ্ছে নিজের লাভের জন্য আমরা কোন রাজনীতির সাথে জড়িত নই। এদিকে সরজমিন প্রতিবেদনে গিয়ে জানা যায় গোলাম সালেহ মঞ্জু মোল্লার হাত থেকে রক্ষা পাননি মৃত আপন ছোট ভাই ফারুকের ওয়ারিশগণ ফারুকের স্ত্রী এবং দুই কন্যা সন্তানের সম্পত্তি জবর দখল করে আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে অপর একটি সূত্র থেকে জানা যায় বানরী পাড়া বাজারের সরকারি চান্দিনা ভিটি মঞ্জু মোল্লা বানারী পাড়া পৌরসভার মেয়র থাকাকালীন নিজের ক্ষমতার বলে নিজ নাম সহ একাধিক আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীর নামে বেনামে একাধিক ভিটি বরাদ্দ নিয়েছেন এর থেকে চারটি ভিটি বানারীপাড়া বাজারের এক ব্যবসায়ীর নিকট ৩৩ লক্ষ টাকায় বিক্রি করেছেন বিষয়টি মঞ্জু মোল্লা স্বীকার না করলেও ক্রয় কৃত তো মালিক সত্য নারায়ণ নিজ মুখে স্বীকার করেছেন। এ বিষয়ে বানারী পাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন সরকারি সম্পত্তি কোন ব্যক্তির বিক্রি করার এখতিয়ার নেই এটি হয়তো বা তাদেরকে লিজ দেওয়া হয়েছিল অভিযোগ পেলে তদন্ত-পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বানারী পাড়ায় প্রবাসীর বিরুদ্ধে মিথ্যা হয়রানীমূলক মামলা দেওয়ার অভিযোগ আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি গোলাম সালেহ মঞ্জু মোল্লা বিরুদ্ধে।

বানারী পাড়ায় প্রবাসীর বিরুদ্ধে মিথ্যা হয়রানীমূলক মামলা দেওয়ার অভিযোগ আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি গোলাম সালেহ মঞ্জু মোল্লা বিরুদ্ধে

আপডেট সময় : ১০:১৭:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বানারী পাড়া প্রতিনিধি : বানরী পাড়ায় এক প্রবাসী পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানি মূলক মামলার দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বানারী পাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি গোলাম সালেহ মঞ্জু মোল্লার বিরুদ্ধে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায় মোঃ আলী হোসেন মোল্লা জে এল ৪২ নম্বর খতিয়ান এস এ ৫৯৪ ও ৫৯১ নম্বর খতিয়ান হাল ৫৯৭ ও ৫৮৯ দাগ থেকে ২৪ শতাংশ সম্পত্তি ক্রয় করেন। একই দাগে প্রতিবেশী গোলাম সালেহ মঞ্জু মোল্লা দুইটি দলিলে সাব কবলা মুলে ৩১ শতক সম্পত্তিক ক্রয় করেন এই জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে মঞ্জু মোল্লা ও আলী হোসেন মোল্লা গংদের মধ্যে একটি বিরোধ চলে আসছিল আলী হোসেন এর অভিযোগ মঞ্জু মোল্লা তাদের চার শতক জমি জোরপূর্বক দখল করে রেখেছিলেন বিগত ৪৪ বছর। সরজমিনে গিয়ে জানা যায় বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য শালিশদের মাধ্যমে মীমাংসা হয়ে যাওয়ার পর উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মঞ্জু মোল্লা রাজনৈতিক ফায়দা লোটার জন্য বরিশাল অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। বিষয়টি নিয়ে মামলার সাক্ষী বানারীপাড়া পৌরসভার সাবেক ৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর গৌতম সমাদ্দার এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন এ ব্যাপারে আমি কিছুই জানিনা আমাকে মঞ্জু সাহেব জিজ্ঞেস করে সাক্ষী দেননি এবং কেন দিয়েছেন তাও আমি জানি না তবে শুনেছি বিষয়টি স্থানীয় শালীশদের মাধ্যমে সমাধান হয়ে গেছে। এ বিষয়ে আলি হোসেন মোল্লার পুত্র আতিক মোল্লার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার বাবা আলী হোসেন মোল্লার সাথে অনেকদিন আগে থেকেই থেকেই জমিজমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে জামেলা চলে আসছিল মঞ্জু চাচার সাথে একাধিকবার সালিশ বৈঠক হয়েছে তিনি জোর পূর্বক আমাদের ৪ শতক জমি দখল করে রেখেছেন বারবার বুঝিয়ে দেবার কথা বলেও দিচ্ছেন না উল্টো আমার বাবা এবং আমার পরিবারকে তিনি এবং তার ছেলে সৈকত মোল্লা বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন। আমি এবং আমার ভাই-বোনেরা দীর্ঘদিন যাবত প্রবাসে থাকি বাড়িতে আমার বৃদ্ধ মা-বাবা থাকেন আমি ছুটিতে বাড়িতে এসেছি এসে দেখে মঞ্জু চাচা আমাদের জমি থেকে জোরপূর্বক গাছ কেটে নিচ্ছেন আমি এবং আমার পরিবার বাধা দিলে আমাকে এবং আমার পরিবারকে হুমকি দিচ্ছেন আমি বাধ্য হয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করি অভিযোগের পরিপেক্ষিতে বানারী পাড়া থানার এসআই বারেক উভয় পক্ষের কাগজপত্র যাচাই বাছাই করে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে একটি সালিশ গঠন করে দেন। তার প্রেক্ষিতে আমাদের উভয় পক্ষের আমিন সহ শালিশ দের অনুরোধে সরকারি আমিন সহ বানারী পড়া ভূমি অফিসের কানুন গো জমি পরিমাপ করেন পরিমাপে প্রমাণ হয় যে মঞ্জু চাচা আমাদের ৩ শতক জমি তার ভিতরে বেশি দখল নিয়ে আছেন এবং আমার বাবার ক্রয় কৃত সম্পত্তির চেয়ে আমাদের ৩ শতক জমি কম আছে। এর পরিপেক্ষিতে স্থানীয় সালিশ গন দুই পক্ষের আমিন সহ সরকারি আমিন নিয়ে মঞ্জু চাচার সম্মতিক্রমে আমাদের ৩ শতক জমি মেপে দেন এবং পাকা পিলার স্থাপনা করে দিয়ে যান ঠিক তার দুদিন পরে তিনি আমি সহ আমার বাবার বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন এবং সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে আমার পরিবারকে একটি রাজনৈতিক ট্যাগ লাগাতে চান আসলে আমরা ভাই বোন দীর্ঘদিন প্রবাসী ২০ থেকে ২৫ বছর যাবৎ আমরা দেশের বাইরে থাকি। আমার বাবা একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা আমরা কোন রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ত নই। বরং গোলাম সালেহ মঞ্জু মোল্লা একজন ভূমিদস্যু যেটা সরজমিন পরিদর্শন করলেই দেখা যাবে। এ ব্যাপারে গোলাম সালেহ মঞ্জুমল্লার কাছে স্থানীয় সাংবাদিকরা মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি ফোনটা রিসিভ করেন জানতে চাওয়া হয় সালিশির পরেও আপনি মামলা দায়ের করেছেন কেন তিনি বলেন সামাজিক ও রাজনৈতিক কিছু ব্যাপার থাকে তাই মামলা করেছি বুঝতে পেরেছি আপনি কে বলে ফোনটি কেটে দেন। এ ব্যাপারে জমির মালিক আলী হোসেন মোল্লার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন ৪০ বছর যাবত জুলুম করে আসছিল আমাদের পরিবারের সাথে স্থানীয় গণ্য মান্য শালিশদারদের মাধ্যমে সঠিক বিচার পেয়েছি। আমি একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকুরীজীবী এবং আমার সন্তানেরা দীর্ঘ ২০থেকে ২৫ বছর যাবৎ প্রবাসে থাকে গোলাম সালেহ মঞ্জু মোল্লা রাজনৈতিক ফায়দা লোটার জন্য আমার পরিবারকে রাজনৈতিক পরিচয় দিচ্ছে নিজের লাভের জন্য আমরা কোন রাজনীতির সাথে জড়িত নই। এদিকে সরজমিন প্রতিবেদনে গিয়ে জানা যায় গোলাম সালেহ মঞ্জু মোল্লার হাত থেকে রক্ষা পাননি মৃত আপন ছোট ভাই ফারুকের ওয়ারিশগণ ফারুকের স্ত্রী এবং দুই কন্যা সন্তানের সম্পত্তি জবর দখল করে আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে অপর একটি সূত্র থেকে জানা যায় বানরী পাড়া বাজারের সরকারি চান্দিনা ভিটি মঞ্জু মোল্লা বানারী পাড়া পৌরসভার মেয়র থাকাকালীন নিজের ক্ষমতার বলে নিজ নাম সহ একাধিক আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীর নামে বেনামে একাধিক ভিটি বরাদ্দ নিয়েছেন এর থেকে চারটি ভিটি বানারীপাড়া বাজারের এক ব্যবসায়ীর নিকট ৩৩ লক্ষ টাকায় বিক্রি করেছেন বিষয়টি মঞ্জু মোল্লা স্বীকার না করলেও ক্রয় কৃত তো মালিক সত্য নারায়ণ নিজ মুখে স্বীকার করেছেন। এ বিষয়ে বানারী পাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন সরকারি সম্পত্তি কোন ব্যক্তির বিক্রি করার এখতিয়ার নেই এটি হয়তো বা তাদেরকে লিজ দেওয়া হয়েছিল অভিযোগ পেলে তদন্ত-পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।