সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প ৫২ নম্বর রহমতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার ইয়াছির আরাফাত নলছিটিতে ২ ভূমি কর্মকর্তা শোকজ, কানুনগো বদলি গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার দুইজন গ্রেপ্তার, মানববন্ধন ঝালকাঠিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নলছিটিতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৫টি দোকানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা

অবশেষে বিজেপি ছাড়লেন শ্রাবন্তী, নতুন জল্পনা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ নভেম্বর ২০২১ ১১১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স

অবশেষে বিজেপির রাজনীতি ছাড়লেন কলকাতার অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় টুইট করে নিজেই জানিয়ে দেন এ কথা। চলতি বছরের নির্বাচনে বেহালা পশ্চিম কেন্দ্র থেকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী ছিলেন তিনি। ভোটে পরাজিত হন। তারপর থেকেই বাড়তে থাকে বিজেপির সঙ্গে দূরত্ব। অবশেষে দল ছেড়ে দিলেন এ অভিনেত্রী।

দল ছাড়ার কথা ঘোষণা করে শ্রাবন্তী টুইটে লেখেন, ‘বাংলার উন্নয়নের জন্য বিজেপি আন্তরিক নয়। বাংলার জন্য কাজ করার মনোভাবের অভাব রয়েছে তাদের।’

বিধান সভা ভোটের পর বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে তার দূরত্ব ক্রমেই বাড়তে থাকে। দলীয় কোনো কর্মসূচিতেও তাকে ইদানীং দেখা যেত না। এরপর বৃহস্পতিবার দল ছাড়ার কথা ঘোষণা দিলেন শ্রাবন্তী।

এ দিন সকালে ঘোষণা করে তার বিজেপি ছাড়ার পর আরও একটি জল্পনা তৈরি হয়েছে। সেই জল্পনাটি হলো, পদ্ম ছেড়ে শ্রাবন্তীর নতুন গন্তব্য কি জোড়াফুল? দল ছাড়ার কথা ঘোষণা করে যে টুইট তিনি করেছেন, তাতে বিজেপিকে বাংলার উন্নয়নের প্রশ্নে দোষ দেওয়ার পর সেই জল্পনা আরও বেড়ে গেল।

এর আগে গত সোমবার মুখ্যমন্ত্রীর বিজয় সমাবেশে রূপাঞ্জনা মিত্রের মতোই আমন্ত্রিত ছিলেন শ্রাবন্তী। কিন্তু তিনি সেখানে উপস্থিত হননি। তখন তার অনুপস্থিতি নিয়ে জল্পনা ছড়িয়েছিল যে, তিনি বিজেপি ছাড়ার কথা ঘোষণা না করে মুখ্যমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে আসতে চান না। যদিও এ বিষয়ে শ্রাবন্তী নিজে কোনো মন্তব্য করেননি।

গত পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিধানসভা ভোটের ঠিক আগে, ১ মার্চ, বিজেপিতে যোগ দেন শ্রাবন্তী। বেহালা পশ্চিম কেন্দ্রে তাকে প্রার্থী করে বিজেপি। কিন্তু তৃণমূলের পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে হেরে যান তিনি। এখানেই শেষ নয়। হারের পর ‘অসম্মান’ জোটে তার। কখনও বিরোধী দল, কখনও বা নিজের দলের কর্মীরা তাকে ঘিরে নানা মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ।

ভোটের ফল প্রকাশ পাওয়ার দু’দিন পর বিজেপির প্রবীণ নেতা তথাগত রায়ের তোপের মুখে পড়েন। শ্রাবন্তী, তনুশ্রী চক্রবর্তী এবং পায়েল সরকারকে কেন টিকিট দেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। কিন্তু সেই প্রশ্নের মধ্যে ‘অপমান’ করার চেষ্টাও চোখে পড়ে অনেকের। দোলের দিন একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে তৃণমূল নেতা মদন মিত্রের সঙ্গে ছবি তোলা নিয়েও কটূক্তিও করেন তথাগত। টুইটারে তিনি লিখেছিলেন, ‘নগরীর নটীরা নির্বাচনের টাকা নিয়ে কেলি করে বেড়িয়েছেন আর মদন মিত্রের সঙ্গে নৌকাবিলাসে গিয়ে সেলফি তুলেছেন (এবং হেরে ভূত হয়েছেন) তাদের টিকেট দিয়েছিল কে?’

পাল্টা প্রমাণ চেয়েছিলেন শ্রাবন্তী। তার প্রশ্ন ছিল, ‘উনি বলেছেন, আমরা ভোটের টাকায় ঘুরে বেড়িয়েছি। কেলি করেছি। এই মন্তব্যের কোনোও প্রমাণ কি তার কাছে আছে?’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

অবশেষে বিজেপি ছাড়লেন শ্রাবন্তী, নতুন জল্পনা

আপডেট সময় : ০৮:২৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ নভেম্বর ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স

অবশেষে বিজেপির রাজনীতি ছাড়লেন কলকাতার অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় টুইট করে নিজেই জানিয়ে দেন এ কথা। চলতি বছরের নির্বাচনে বেহালা পশ্চিম কেন্দ্র থেকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী ছিলেন তিনি। ভোটে পরাজিত হন। তারপর থেকেই বাড়তে থাকে বিজেপির সঙ্গে দূরত্ব। অবশেষে দল ছেড়ে দিলেন এ অভিনেত্রী।

দল ছাড়ার কথা ঘোষণা করে শ্রাবন্তী টুইটে লেখেন, ‘বাংলার উন্নয়নের জন্য বিজেপি আন্তরিক নয়। বাংলার জন্য কাজ করার মনোভাবের অভাব রয়েছে তাদের।’

বিধান সভা ভোটের পর বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে তার দূরত্ব ক্রমেই বাড়তে থাকে। দলীয় কোনো কর্মসূচিতেও তাকে ইদানীং দেখা যেত না। এরপর বৃহস্পতিবার দল ছাড়ার কথা ঘোষণা দিলেন শ্রাবন্তী।

এ দিন সকালে ঘোষণা করে তার বিজেপি ছাড়ার পর আরও একটি জল্পনা তৈরি হয়েছে। সেই জল্পনাটি হলো, পদ্ম ছেড়ে শ্রাবন্তীর নতুন গন্তব্য কি জোড়াফুল? দল ছাড়ার কথা ঘোষণা করে যে টুইট তিনি করেছেন, তাতে বিজেপিকে বাংলার উন্নয়নের প্রশ্নে দোষ দেওয়ার পর সেই জল্পনা আরও বেড়ে গেল।

এর আগে গত সোমবার মুখ্যমন্ত্রীর বিজয় সমাবেশে রূপাঞ্জনা মিত্রের মতোই আমন্ত্রিত ছিলেন শ্রাবন্তী। কিন্তু তিনি সেখানে উপস্থিত হননি। তখন তার অনুপস্থিতি নিয়ে জল্পনা ছড়িয়েছিল যে, তিনি বিজেপি ছাড়ার কথা ঘোষণা না করে মুখ্যমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে আসতে চান না। যদিও এ বিষয়ে শ্রাবন্তী নিজে কোনো মন্তব্য করেননি।

গত পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিধানসভা ভোটের ঠিক আগে, ১ মার্চ, বিজেপিতে যোগ দেন শ্রাবন্তী। বেহালা পশ্চিম কেন্দ্রে তাকে প্রার্থী করে বিজেপি। কিন্তু তৃণমূলের পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে হেরে যান তিনি। এখানেই শেষ নয়। হারের পর ‘অসম্মান’ জোটে তার। কখনও বিরোধী দল, কখনও বা নিজের দলের কর্মীরা তাকে ঘিরে নানা মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ।

ভোটের ফল প্রকাশ পাওয়ার দু’দিন পর বিজেপির প্রবীণ নেতা তথাগত রায়ের তোপের মুখে পড়েন। শ্রাবন্তী, তনুশ্রী চক্রবর্তী এবং পায়েল সরকারকে কেন টিকিট দেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। কিন্তু সেই প্রশ্নের মধ্যে ‘অপমান’ করার চেষ্টাও চোখে পড়ে অনেকের। দোলের দিন একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে তৃণমূল নেতা মদন মিত্রের সঙ্গে ছবি তোলা নিয়েও কটূক্তিও করেন তথাগত। টুইটারে তিনি লিখেছিলেন, ‘নগরীর নটীরা নির্বাচনের টাকা নিয়ে কেলি করে বেড়িয়েছেন আর মদন মিত্রের সঙ্গে নৌকাবিলাসে গিয়ে সেলফি তুলেছেন (এবং হেরে ভূত হয়েছেন) তাদের টিকেট দিয়েছিল কে?’

পাল্টা প্রমাণ চেয়েছিলেন শ্রাবন্তী। তার প্রশ্ন ছিল, ‘উনি বলেছেন, আমরা ভোটের টাকায় ঘুরে বেড়িয়েছি। কেলি করেছি। এই মন্তব্যের কোনোও প্রমাণ কি তার কাছে আছে?’