সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা রাজাপুরে টিসিবি ডিলার নিয়োগে অনিয়মের সত্যতা, পুনঃতদন্তে প্রশাসন রাজাপুরে বেহাল সড়ক পুনঃনির্মাণ ও সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন: দুই যুগের দুর্ভোগে ২০ হাজার মানুষ চুয়াডাঙ্গায় রাইচ কুকারের সুইচ দেবার কালে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গৃহবধূর মৃত্যু রহমতপুর সমিতি ঢাকা আহ্বায়ক কমিটি গঠন বিজয়নগরে লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে নিহত ১ আহত ৫ ঝালকাঠির ভীমরুলির ভাসমান পর্যটন কেন্দ্রে অতিরিক্ত ভাড়া ও উচ্চশব্দে সাউন্ড বক্স বাজানোর দায়ে অভিযান দর্শনায় বিজিবির অভিযানে ১৩ কোটি টাকার স্বর্ণসহ এক পাচারকারী আটক বিজয়নগর উপজেলা আমতলী বাজারের vision এর নতুন শো রুমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে,

মার্কিনিদের ওপর ইরানের হামলা শুরু। আজকের ক্রাইম নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৮:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২০ ২০৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:: ইরাকের রাজধানী বাগদাদে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনীর একটি ঘাঁটিতে দুটি রকেট হামলার ঘটনা ঘটেছে। অন্যদিকে বাগদাদের গ্রিন জোনে মার্কিন দূতাবাসের কাছে আঘাত করেছে দুটি মর্টারের গোলা। কারা এ রকেট নিক্ষেপ বা গোলাবর্ষণ করেছে তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, তেহরানের নির্দেশেই এই হামলা হয়েছে।
নিরাপত্তা বাহিনীর সূত্রের বরাত দিয়ে শনিবার (৪ জানুয়ারি) রাতে ফরাসি সংবাদমাধ্যম এএফপি জানায়, বাগদাদের উত্তরের আল-বালাদ ঘাঁটি লক্ষ্য করে কাতিউশা রকেট নিক্ষেপ করে এ হামলা চালানো হয়েছে। ওই ঘাঁটিতে মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে। তবে রকেট হামলায় কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর জানা যায়নি।

বিমানঘাঁটিতে রকেট হামলার কাছাকাছি সময়ে বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসের কাছে গ্রিন জোনে (পশ্চিমা দেশগুলোর ঘোষিত কথিত আন্তর্জাতিক জোন) দুটি মর্টারের গোলা এসে পড়ে। তৎক্ষণাৎ বেজে ওঠে সাইরেন। সে সময় দূতাবাসে থাকা কূটনীতিক ও সেনাদের কিছুটা চিন্তিত দেখা যায়।

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) ভোরে বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মার্কিন বিমান বাহিনী একপাক্ষিক হামলা চালিয়ে ইরানের বিপ্লবী গার্ডের অভিজাত শাখা কুদস্ বাহিনীর প্রধান মেজর জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। কাসেম সোলাইমানি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির সবচেয়ে আস্থাভাজন ছিলেন। দেশের সীমানার বাইরে লেবানন, ফিলিস্তিনসহ গোটা মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের যে সামরিক পরিসর বেড়েছে, তার পেছনের কারিগর ছিলেন সোলাইমানি।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলসহ পশ্চিমারা ইরানকে দমিয়ে রাখতে চাইলেও ‘শত্রুর চোখে চোখ রেখে লড়াই’ করার নীতিতে ইরানকে ‘প্রতিরোধযুদ্ধ’ শিখিয়েছেন তিনিই। এজন্য সোলাইমানি ইরানের ‘জাতীয় বীর’ হয়ে উঠেছিলেন। অন্যদিকে মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠেছিলেন যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলসহ তেহরানবিরোধী পক্ষের। মার্কিন বাহিনী তাকে হত্যা করায় ‘চরম প্রতিশোধ’ নেয়ার হুমকি দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি। এমনকি দেশের আকাশসীমায় যুদ্ধবিমানও মোতায়েন করেছে তেহরান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মার্কিনিদের ওপর ইরানের হামলা শুরু। আজকের ক্রাইম নিউজ

আপডেট সময় : ০৫:১৮:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২০

অনলাইন ডেস্ক:: ইরাকের রাজধানী বাগদাদে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনীর একটি ঘাঁটিতে দুটি রকেট হামলার ঘটনা ঘটেছে। অন্যদিকে বাগদাদের গ্রিন জোনে মার্কিন দূতাবাসের কাছে আঘাত করেছে দুটি মর্টারের গোলা। কারা এ রকেট নিক্ষেপ বা গোলাবর্ষণ করেছে তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, তেহরানের নির্দেশেই এই হামলা হয়েছে।
নিরাপত্তা বাহিনীর সূত্রের বরাত দিয়ে শনিবার (৪ জানুয়ারি) রাতে ফরাসি সংবাদমাধ্যম এএফপি জানায়, বাগদাদের উত্তরের আল-বালাদ ঘাঁটি লক্ষ্য করে কাতিউশা রকেট নিক্ষেপ করে এ হামলা চালানো হয়েছে। ওই ঘাঁটিতে মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে। তবে রকেট হামলায় কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর জানা যায়নি।

বিমানঘাঁটিতে রকেট হামলার কাছাকাছি সময়ে বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসের কাছে গ্রিন জোনে (পশ্চিমা দেশগুলোর ঘোষিত কথিত আন্তর্জাতিক জোন) দুটি মর্টারের গোলা এসে পড়ে। তৎক্ষণাৎ বেজে ওঠে সাইরেন। সে সময় দূতাবাসে থাকা কূটনীতিক ও সেনাদের কিছুটা চিন্তিত দেখা যায়।

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) ভোরে বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মার্কিন বিমান বাহিনী একপাক্ষিক হামলা চালিয়ে ইরানের বিপ্লবী গার্ডের অভিজাত শাখা কুদস্ বাহিনীর প্রধান মেজর জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। কাসেম সোলাইমানি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির সবচেয়ে আস্থাভাজন ছিলেন। দেশের সীমানার বাইরে লেবানন, ফিলিস্তিনসহ গোটা মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের যে সামরিক পরিসর বেড়েছে, তার পেছনের কারিগর ছিলেন সোলাইমানি।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলসহ পশ্চিমারা ইরানকে দমিয়ে রাখতে চাইলেও ‘শত্রুর চোখে চোখ রেখে লড়াই’ করার নীতিতে ইরানকে ‘প্রতিরোধযুদ্ধ’ শিখিয়েছেন তিনিই। এজন্য সোলাইমানি ইরানের ‘জাতীয় বীর’ হয়ে উঠেছিলেন। অন্যদিকে মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠেছিলেন যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলসহ তেহরানবিরোধী পক্ষের। মার্কিন বাহিনী তাকে হত্যা করায় ‘চরম প্রতিশোধ’ নেয়ার হুমকি দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি। এমনকি দেশের আকাশসীমায় যুদ্ধবিমানও মোতায়েন করেছে তেহরান।