সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা রাজাপুরে টিসিবি ডিলার নিয়োগে অনিয়মের সত্যতা, পুনঃতদন্তে প্রশাসন রাজাপুরে বেহাল সড়ক পুনঃনির্মাণ ও সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন: দুই যুগের দুর্ভোগে ২০ হাজার মানুষ চুয়াডাঙ্গায় রাইচ কুকারের সুইচ দেবার কালে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গৃহবধূর মৃত্যু রহমতপুর সমিতি ঢাকা আহ্বায়ক কমিটি গঠন বিজয়নগরে লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে নিহত ১ আহত ৫ ঝালকাঠির ভীমরুলির ভাসমান পর্যটন কেন্দ্রে অতিরিক্ত ভাড়া ও উচ্চশব্দে সাউন্ড বক্স বাজানোর দায়ে অভিযান দর্শনায় বিজিবির অভিযানে ১৩ কোটি টাকার স্বর্ণসহ এক পাচারকারী আটক বিজয়নগর উপজেলা আমতলী বাজারের vision এর নতুন শো রুমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে,

বাংলাদেশের উপকুলে ২০টি রাডার বসাতে চায় ভারত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৪:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ অক্টোবর ২০১৯ ২৯৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশের উপকূলে ২০টি রাডার সিস্টেম নেটওয়ার্ক স্থাপন করবে ভারত। নতুন এ নেটওয়ার্কের নাম কোস্টাল সার্ভিলেন্স রাডার সিস্টেম ইন বাংলাদেশ। এটি সমুদ্রপথে যেকোনো সন্ত্রাসী হামলা সনাক্ত করতে ভারতকে সাহায্য করবে। সেই সঙ্গে প্রতিবেশীদের নৌসীমানায় দৃষ্টি রাখতে পারবে।গতকাল শনিবার (৫ অক্টোবর) নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে বৈঠক হয়। এরপরেই কোস্টাল সার্ভিলেন্স রাডার সিস্টেম ইন বাংলাদেশ স্থাপনের বিষয়ে সমঝোতা স্বারক স্বাক্ষরিত হয়।বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তির অধীনে এমন ব্যবস্থা নিয়ে বঙ্গোপসাগর এলাকায় অধিক কড়া দৃষ্টি রাখবে ভারত।একই রকম উপকূলীয় নজরদারি বিষয়ক নেটওয়ার্ক ভারত মহাসাগরীয় অন্য দেশগুলোতেও স্থাপন করছে ভারত। তার মধ্যে রয়েছে মৌরিতিয়াস, শ্রীলঙ্কা, সিসিলি এবং মালদ্বীপ।ভারত যে রাডার সিস্টেম বসানোর কথা বলেছে, তা বাংলাদেশকে এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোনে নিরাপদ প্রহরী হিসেবে কাজ করবে। তবে সূত্রগুলো বলেছেন, এ নেটওয়ার্ক হবে ভারতের জন্য একটি কৌশলগত সম্পদ এবং এটা ভারতের নৌবাহিনীর জন্য হবে সহায়ক। তারা এটা ব্যবহার করে জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি কোনো রকম হুমকি সনাক্ত ও তার জবাব দিতে পারবে।উল্লেখ্য, গত মাসে ভারতের নৌবাহিনীর গোয়েন্দা বিমান ভারত মহাসাগর ও এর আশপাশের অঞ্চলে গণচীনের লিবারেশন আর্মি নেভি’র সাতটি যুদ্ধজাহাজকে অপারেশনে আছে বলে সনাক্ত করে। গত বছর ভারত মহাসাগরে চীনের নৌবাহিনীর টাইপ ০৩৯এ ইউয়ান ক্লাসের একটি সাবমেরিন সনাক্ত করা হয়।২০১৭ সালের জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত পশ্চিম ভুটানের দোকলাম উপত্যকা নিয়ে ভারত ও চীনের মধ্যে এক অস্থিরতা সৃষ্টি হয়। তারপর ভারত মহাসাগরে চীনের নৌবাহিনীর একটি সাবমেরিন ভারতের সনাক্ত করার ঘটনা এটাই প্রথম। দোকলাম নিয়ে ভারতের সঙ্গে চীনের যখন ৭২ দিনের অচলাবস্থা দেখা দেয় তখন ভারত মহাসাগরে চীনের নৌবাহিনীর ১৪টি যুদ্ধজাহাজ ও সাতটি সাবমেরিন অবস্থান করছিল ভারত মহাসাগরে।২০১৩ সাল থেকে ভারত মহাসাগরে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন শুরু করে গণচীনের লিবারেশন আর্মি নেভি। তখন বলা হয়, অ্যাডেন উপসাগরে জলদস্যুবিরোধী অপারেশনে তারা নিয়োজিত। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীন যে ‘স্ট্রিং অব পার্লস’ কৌশলগত সম্পদ গড়ে তুলছে তা নিয়ে উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি। সূত্র: ডেকান হেরাল্ড

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বাংলাদেশের উপকুলে ২০টি রাডার বসাতে চায় ভারত

আপডেট সময় : ০৯:৫৪:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ অক্টোবর ২০১৯

বাংলাদেশের উপকূলে ২০টি রাডার সিস্টেম নেটওয়ার্ক স্থাপন করবে ভারত। নতুন এ নেটওয়ার্কের নাম কোস্টাল সার্ভিলেন্স রাডার সিস্টেম ইন বাংলাদেশ। এটি সমুদ্রপথে যেকোনো সন্ত্রাসী হামলা সনাক্ত করতে ভারতকে সাহায্য করবে। সেই সঙ্গে প্রতিবেশীদের নৌসীমানায় দৃষ্টি রাখতে পারবে।গতকাল শনিবার (৫ অক্টোবর) নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে বৈঠক হয়। এরপরেই কোস্টাল সার্ভিলেন্স রাডার সিস্টেম ইন বাংলাদেশ স্থাপনের বিষয়ে সমঝোতা স্বারক স্বাক্ষরিত হয়।বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তির অধীনে এমন ব্যবস্থা নিয়ে বঙ্গোপসাগর এলাকায় অধিক কড়া দৃষ্টি রাখবে ভারত।একই রকম উপকূলীয় নজরদারি বিষয়ক নেটওয়ার্ক ভারত মহাসাগরীয় অন্য দেশগুলোতেও স্থাপন করছে ভারত। তার মধ্যে রয়েছে মৌরিতিয়াস, শ্রীলঙ্কা, সিসিলি এবং মালদ্বীপ।ভারত যে রাডার সিস্টেম বসানোর কথা বলেছে, তা বাংলাদেশকে এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোনে নিরাপদ প্রহরী হিসেবে কাজ করবে। তবে সূত্রগুলো বলেছেন, এ নেটওয়ার্ক হবে ভারতের জন্য একটি কৌশলগত সম্পদ এবং এটা ভারতের নৌবাহিনীর জন্য হবে সহায়ক। তারা এটা ব্যবহার করে জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি কোনো রকম হুমকি সনাক্ত ও তার জবাব দিতে পারবে।উল্লেখ্য, গত মাসে ভারতের নৌবাহিনীর গোয়েন্দা বিমান ভারত মহাসাগর ও এর আশপাশের অঞ্চলে গণচীনের লিবারেশন আর্মি নেভি’র সাতটি যুদ্ধজাহাজকে অপারেশনে আছে বলে সনাক্ত করে। গত বছর ভারত মহাসাগরে চীনের নৌবাহিনীর টাইপ ০৩৯এ ইউয়ান ক্লাসের একটি সাবমেরিন সনাক্ত করা হয়।২০১৭ সালের জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত পশ্চিম ভুটানের দোকলাম উপত্যকা নিয়ে ভারত ও চীনের মধ্যে এক অস্থিরতা সৃষ্টি হয়। তারপর ভারত মহাসাগরে চীনের নৌবাহিনীর একটি সাবমেরিন ভারতের সনাক্ত করার ঘটনা এটাই প্রথম। দোকলাম নিয়ে ভারতের সঙ্গে চীনের যখন ৭২ দিনের অচলাবস্থা দেখা দেয় তখন ভারত মহাসাগরে চীনের নৌবাহিনীর ১৪টি যুদ্ধজাহাজ ও সাতটি সাবমেরিন অবস্থান করছিল ভারত মহাসাগরে।২০১৩ সাল থেকে ভারত মহাসাগরে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন শুরু করে গণচীনের লিবারেশন আর্মি নেভি। তখন বলা হয়, অ্যাডেন উপসাগরে জলদস্যুবিরোধী অপারেশনে তারা নিয়োজিত। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীন যে ‘স্ট্রিং অব পার্লস’ কৌশলগত সম্পদ গড়ে তুলছে তা নিয়ে উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি। সূত্র: ডেকান হেরাল্ড