জমি বিরোধের জেরে সংবাদ সম্মেলনে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগ, প্রতিবাদ ভুক্তভোগীর
জমি বিরোধের জেরে সংবাদ সম্মেলনে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগ, প্রতিবাদ ভুক্তভোগীর
- আপডেট সময় : ১২:০২:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬ ২০ বার পড়া হয়েছে
filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; hdrForward: 0; sv:16.1.9.1.W20; module: video;hw-remosaic: false;touch: (-1.0, -1.0);sceneMode: 0;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 0.0;aec_lux_index: 0;HdrStatus: off;albedo: ;confidence: ;motionLevel: -1;weatherinfo: null;temperature: 40;

জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের কাছে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ এনে এর প্রতিবাদ জানিয়েছেন মো. এখলাছ খন্দকার। তিনি গাভা রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের উদচড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং মো. শাহজাহান খন্দকারের ছেলে।
এখলাছ খন্দকারের দাবি, গত ১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার ঝালকাঠি রিপোর্টার্স ক্লাবে সৈয়দ সাইফুল ইসলাম একটি সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে তার বিরুদ্ধে গাছ কেটে নেওয়া, গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়াসহ ইট ও পুরোনো টিন নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়। তবে এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন তিনি।
এখলাছ খন্দকার বলেন, “আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করা হয়েছে, সেগুলোর কোনো ঘটনা এলাকায় ঘটেনি। আমাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যেই এসব অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে বলে আমি মনে করি। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”
তিনি আরও দাবি করেন, এর আগেও তার বিরুদ্ধে একাধিকবার মামলা ও থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সেসব অভিযোগ তদন্তের পর সত্যতা পাওয়া যায়নি। তবে এসব দাবির স্বতন্ত্র নথিপত্র বা তদন্ত প্রতিবেদন ওইসব সংবাদদাতার হাতে বা প্রকাশিত সংবাদে উল্লেখ পাওয়া যায়নি।
এখলাছ খন্দকার অভিযোগ করে বলেন, তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধেও বিভিন্ন সময় অপপ্রচার চালানো হয়েছে। পাশাপাশি তার বাড়ির পালিত কবুতর ও গবাদিপশু বিষ প্রয়োগ করে হত্যা এবং বিভিন্নভাবে আর্থিক ক্ষতি করার অভিযোগও করেন তিনি। এসব বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেছেন বলে জানান।
তার আরও দাবি, চুরি যাওয়া ইট ও বালু উদ্ধারের ঘটনায় তিনি থানায় অভিযোগ করেছিলেন। ওই ঘটনার পর থেকেই তার পরিবারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার ও মামলা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
এখলাছ খন্দকার বলেন, “আমি প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করছি, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হোক এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”
তিনি আরও বলেন, তিনি ও তার ছেলে মো. ইমন খন্দকার সরকারি চাকরিতে কর্মরত। এ ধরনের অভিযোগ ও অপপ্রচারের কারণে তাদের সামাজিক ও পেশাগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
এ ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন মো. এখলাছ খন্দকার।
এবিষয়ে সৈয়দ সাইফুল ইসলামের ব্যক্তিগত মোবাইল নাম্বার 01620301346 একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাকে পাওয়া যায়নি তাই তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
















