কীর্তিমান পুলিশ কর্মকর্তা এমএম মাহমুদ হাসান
কীর্তিমান পুলিশ কর্মকর্তা এমএম মাহমুদ হাসান
- আপডেট সময় : ০৫:৩২:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২৬ বার পড়া হয়েছে

পুলিশ কর্মকর্তা হলেও অসহায় মানুষের কাছে মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে পরিচিতি পরিচিত পুলিশ সুপার (এসপি) এমএম মাহামুদ হাসান। তাঁর মতো কিছু পুলিশ কর্মকর্তার করা ভালো কাজগুলো পাল্টে দিচ্ছে পুলিশ সম্পর্কে সাধারণ মানুষের নেতিবাচক সব ধারণা। অপরাধ নির্মূলে দক্ষ এই পুলিশ কর্মকর্তা পুলিশের কনস্টেবল থেকে শুরু করে ঊধ্বর্তন কর্মকর্তাদের মাঝেও তিনি জনপ্রিয়। কর্মস্থলে সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করায় সাধারণ মানুষের কাছেও ছিলেন ভালোবাসার প্রতীক। তাঁর পুরনো কর্মস্থল ঝালকাঠি জেলার প্রতিটি মানুষের চোখে মাহামুদ হাসানের কর্মযজ্ঞ এখনো অবিস্মরণীয় হয়ে আছে। ভালো কাজের জন্য তিনি প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
২৮তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারে মেধা তালিকায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছিলেন শিক্ষক বাবার মেধাধী এ সন্তান।
জানা যায়, ঝালকাঠিতে যোগদান করার পর থেকে তাঁর কঠোরতায় জেলায় মাদকের প্রবণতা হ্রাস পেয়েছিল। চুরি-ডাকাতির ঘটনাও ছিল না। অপরাধ দমনে তিনি কঠোর হলেও অসহায় মানুষের কাছে তিনি বিশ্বস্ত আশ্রয়স্থল ছিলেন।
করোনা পরিস্থিতির সময় অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের সেবায় এগিয়ে এসেছিলেন তৎকালীন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এমএম মাহমুদ হাসান। ওই সময়ে বেকার হওয়া দিনমজুর, ভ্যানচালক ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলোকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছেন তিনি। তাঁর নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা ত্রাণসামগ্রী বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছে দিতেন।
যারা একেবারেই কাজ করতে পারতেন না, আবার লজ্জায় কারও কাছে সহযোগিতা চাইতে পারছিলেন না- এমন পরিবারগুলোকে পুলিশের পক্ষ থেকে খাদ্য সহায়তা দেওয়ায় তাঁর এ উদ্যোগ সর্বস্তরে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। অসংখ্য পরিবারের বিরোধ মিটিয়েছেন তিনি। পাওনা টাকা ফেরত, হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধার ও ব্যক্তিগতভাবে বেতনের টাকা দিয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবতার ফেরিওয়ালা উপাধি পেয়েছিলেন তিনি। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে তিনি সন্ত্রাসী জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সৈয়দ হাদিসুর রহমান মিলনকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্পখলা রিস্থিতি স্বাভাবিক করেছিলেন। এর ফলে দলীয় অপরাধও অনেকটা দমন হয়েছিল। ঝালকাঠি থেকে বদলি হয়ে যাওয়ার সময় তাকে সাধারণ মানুষ ও স্থানীয় সাংবাদিকরা শুভেচ্ছা জানিয়ে বিদায় দেন। তিনিও অশ্রুসিক্ত বিদায় নেন। এখনো তিনি এ জেলার মানুষের খোঁজখবর নেন। ভালো কাজের জন্য তিনি পদোন্নতি পেয়ে পুলিশ সুপার হয়েছেন। বর্তমানে
তিনি পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) কনফিডেন্সিয়াল অ্যান্ড এলআইসি শাখায় বিশেষ পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
এসপি এম এম মাহমুদকে হাসানকে নিয়ে একটি কুচক্র মহল ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার চালাচ্ছে। পুলিশ বাহিনীর সুনাম ও কাজের মনবল ভেঙে ফেলার জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি কুচক্র মহল এরকমের অপপ্রচার চালাচ্ছে। কর্মস্থলে থাকাকালে বিএনপি-জামায়াতসহ কোন সাধারণ মানুষ অহেতুক হয়রানি শিকার হয়নি।


















