ঝালকাঠিতে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালিত ‘শিশুবিয়ে আর নয়, কন্যা করবে বিশ্ব জয়’
ঝালকাঠিতে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালিত ‘শিশুবিয়ে আর নয়, কন্যা করবে বিশ্ব জয়’
- আপডেট সময় : ১২:১৪:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ২২ বার পড়া হয়েছে

‘শিশুবিয়ে আর নয়, কন্যা করবে বিশ্ব জয়’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ঝালকাঠিতে জাকজমকপূর্ণ আয়োজনে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস ২০২৬ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল ১০টায় বর্ণাঢ্য র্যালি, আলোচনা সভা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।
সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে গিয়ে শেষ হয়। পরবর্তীতে শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা।
জেলা প্রশাসন ও জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. বশির গাজীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি মো. শাখাওয়াত হোসেন,জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মো. শাহাদাৎ হোসেন,
সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ হুমায়ূন কবীর,ঝালকাঠি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেগুফতা মেহনাজ I
অনুষ্ঠানে স্বাগতম বক্তব্য দেন জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা দিলারা খানম। এছাড়া বাংলাদেশ শিশু একাডেমি, দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশ ও রুম টু রিড-এর প্রতিনিধিগণ, স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নেন।
আলোচনা সভা শেষে এক আকর্ষণীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় চামটা বি কে ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও চারুখান ডি এস দশগ্রাম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। এতে বিজয়ী হওয়ার গৌরব অর্জন করে চারুখান ডি এস দশগ্রাম মাধ্যমিক বিদ্যালয়। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির সাবেক সভাপতি মেহেদি হাসান সোহাগ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় মডারেটরের দায়িত্ব পালন করেন। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী ও বিজিতদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
সভায় বক্তারা বলেন, “কন্যাশিশুর প্রতি সমাজ থেকে সব ধরনের বৈষম্য দূর করতে হবে এবং তাদের জন্য মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি। বাল্যবিবাহের মতো সামাজিক ব্যাধি বন্ধে পরিবার ও সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষকে একযোগে সচেতন হতে হবে। কন্যাশিশুরা যেন একটি নিরাপদ পরিবেশে বড় হতে পারে এবং নিজস্ব মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে বিশ্ব দরবারে স্থান করে নিতে পারে, সে জন্য আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।”



















