সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীর বাংলা উচ্চারণ নিয়ে শ্রেণিকক্ষে কটূক্তি, শিক্ষক আটক অভিযোগের পর শিবিরের ‘সাথী’ পদ হারালেন রাকসু জিএস আম্মার বাগেরহাটে ২ হাজার ৪২ গ্যাস সিলিন্ডার জব্দ লাইসেন্সের ৫০ গুণের বেশি সিলিন্ডার মজুদের অভিযোগ | মেয়াদোত্তীর্ণ সিলিন্ডারও উদ্ধার | প্রতিষ্ঠানের মালিকের দুই মাসের কারাদণ্ড দর্শনায় গাছের সাথে ধাক্কা মেরে মটরসাইকেল চালকের মৃত্যু ভান্ডারিয়ায় মাদক,জুয়া, কিশোর গ্যাং এর বিরুদ্ধে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের কঠোর অবস্থানের ঘোষণা ২৩৫ ইউনিটের বিদ্যুৎ বিল ৫০৬ কোটি টাকা, চারজনকে শোকজ ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারে বিল ৫০৬ কোটি টাকা আখ গাছের ফলন ও পরিচর্যা দেখতে চাষীর জমিতে কেরুজ এমডি পাঠদান চলাকালে বিদ্যালয়ের বাহিরে দুই শিক্ষার্থী, অভিভাবকের কাছে হস্তান্তর ঘোড়াঘাটে ৩৬টি পূজা মণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব ব্যস্ত প্রতিমাশিল্পীরা

২৩৫ ইউনিটের বিদ্যুৎ বিল ৫০৬ কোটি টাকা, চারজনকে শোকজ

২৩৫ ইউনিটের বিদ্যুৎ বিল ৫০৬ কোটি টাকা, চারজনকে শোকজ

আজকের ক্রাইম ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০৮:১১:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে ৫০৬ কোটি ৮০ লাখ ১১ হাজার ৯৫৯ টাকার বিল পাওয়ার ঘটনায় মাগুরায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। কম্পিউটার টাইপিংয়ের ভুলে এ অস্বাভাবিক বিল তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি।

এ ঘটনায় আড়পাড়া জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম), বিলিং সুপারভাইজার, বিলিং সহকারী ও মিটার রিডার কাম ম্যাসেঞ্জারকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

শোকজপ্রাপ্তরা হলেন—আড়পাড়া জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. রেজাউল করিম, বিলিং সুপারভাইজার সীমা রানী, বিলিং সহকারী সুমা রানী ঘোষ এবং মিটার রিডার কাম ম্যাসেঞ্জার তোরাব আলী। তাদের আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

মাগুরা সদর উপজেলার কেচুয়াডুবি গ্রামের মোছা. আলেয়া খাতুনের নামে সেপ্টেম্বর মাসের বিদ্যুৎ বিলটি তৈরি করা হয়। বিলে তার বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ ২৩৫ ইউনিট দেখানো হলেও পরিশোধযোগ্য অর্থের ঘরে লেখা হয় ৫০৬ কোটি ৮০ লাখ ১১ হাজার ৯৫৯ টাকা।

অস্বাভাবিক অঙ্কের এ বিল হাতে পাওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিলটি নিয়ে মাগুরার শালিখা উপজেলার আড়পাড়া জোনাল কার্যালয়ে অভিযোগ করেন গ্রাহক আলেয়া খাতুন। পরে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তারা বিলটি যাচাই করে সংশোধন করেন।

মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মহিতুল ইসলাম বলেন, কয়েকদিন আগে ওই গ্রাহকের মিটার পরিবর্তন করা হয়েছিল। বিল প্রস্তুতের সময় ডিমান্ড চার্জের ঘরে নতুন মিটারের সিল নম্বর বসে যাওয়ায় অস্বাভাবিক বিলটি তৈরি হয়। কম্পিউটার টাইপিংয়ের ভুলের কারণেই এমনটি হয়েছে। দায়িত্ব পালনে সতর্কতা অবলম্বন না করায় ইতোমধ্যে এ ঘটনায় চারজনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সূত্রে জানা গেছে, বিলটি সংশোধনের পর আলেয়া খাতুনের প্রকৃত পরিশোধযোগ্য বিল দাঁড়ায় ১ হাজার ৯৩৮ টাকা। পরে তিনি সংশোধিত বিল অনুযায়ী ওই টাকা পরিশোধ করেন।

এদিকে ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিদ্যুৎ বিল প্রস্তুতের প্রক্রিয়ায় এত বড় ধরনের ভুল কীভাবে হলো, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

২৩৫ ইউনিটের বিদ্যুৎ বিল ৫০৬ কোটি টাকা, চারজনকে শোকজ

২৩৫ ইউনিটের বিদ্যুৎ বিল ৫০৬ কোটি টাকা, চারজনকে শোকজ

আপডেট সময় : ০৮:১১:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে ৫০৬ কোটি ৮০ লাখ ১১ হাজার ৯৫৯ টাকার বিল পাওয়ার ঘটনায় মাগুরায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। কম্পিউটার টাইপিংয়ের ভুলে এ অস্বাভাবিক বিল তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি।

এ ঘটনায় আড়পাড়া জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম), বিলিং সুপারভাইজার, বিলিং সহকারী ও মিটার রিডার কাম ম্যাসেঞ্জারকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

শোকজপ্রাপ্তরা হলেন—আড়পাড়া জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. রেজাউল করিম, বিলিং সুপারভাইজার সীমা রানী, বিলিং সহকারী সুমা রানী ঘোষ এবং মিটার রিডার কাম ম্যাসেঞ্জার তোরাব আলী। তাদের আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

মাগুরা সদর উপজেলার কেচুয়াডুবি গ্রামের মোছা. আলেয়া খাতুনের নামে সেপ্টেম্বর মাসের বিদ্যুৎ বিলটি তৈরি করা হয়। বিলে তার বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ ২৩৫ ইউনিট দেখানো হলেও পরিশোধযোগ্য অর্থের ঘরে লেখা হয় ৫০৬ কোটি ৮০ লাখ ১১ হাজার ৯৫৯ টাকা।

অস্বাভাবিক অঙ্কের এ বিল হাতে পাওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিলটি নিয়ে মাগুরার শালিখা উপজেলার আড়পাড়া জোনাল কার্যালয়ে অভিযোগ করেন গ্রাহক আলেয়া খাতুন। পরে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তারা বিলটি যাচাই করে সংশোধন করেন।

মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মহিতুল ইসলাম বলেন, কয়েকদিন আগে ওই গ্রাহকের মিটার পরিবর্তন করা হয়েছিল। বিল প্রস্তুতের সময় ডিমান্ড চার্জের ঘরে নতুন মিটারের সিল নম্বর বসে যাওয়ায় অস্বাভাবিক বিলটি তৈরি হয়। কম্পিউটার টাইপিংয়ের ভুলের কারণেই এমনটি হয়েছে। দায়িত্ব পালনে সতর্কতা অবলম্বন না করায় ইতোমধ্যে এ ঘটনায় চারজনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সূত্রে জানা গেছে, বিলটি সংশোধনের পর আলেয়া খাতুনের প্রকৃত পরিশোধযোগ্য বিল দাঁড়ায় ১ হাজার ৯৩৮ টাকা। পরে তিনি সংশোধিত বিল অনুযায়ী ওই টাকা পরিশোধ করেন।

এদিকে ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিদ্যুৎ বিল প্রস্তুতের প্রক্রিয়ায় এত বড় ধরনের ভুল কীভাবে হলো, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।