বাগেরহাটে ২ হাজার ৪২ গ্যাস সিলিন্ডার জব্দ লাইসেন্সের ৫০ গুণের বেশি সিলিন্ডার মজুদের অভিযোগ | মেয়াদোত্তীর্ণ সিলিন্ডারও উদ্ধার | প্রতিষ্ঠানের মালিকের দুই মাসের কারাদণ্ড
বাগেরহাটে ২ হাজার ৪২ গ্যাস সিলিন্ডার জব্দ লাইসেন্সের ৫০ গুণের বেশি সিলিন্ডার মজুদের অভিযোগ | মেয়াদোত্তীর্ণ সিলিন্ডারও উদ্ধার | প্রতিষ্ঠানের মালিকের দুই মাসের কারাদণ্ড
- আপডেট সময় : ০৩:৩৩:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩৬ বার পড়া হয়েছে

এস. এম. সাইফুল ইসলাম কবির, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার :বাগেরহাটের চিতলমারীতে অভিযান চালিয়ে ২ হাজার ৪২টি গ্যাস সিলিন্ডার জব্দ করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। জব্দ করা সিলিন্ডারগুলোর বাজারমূল্য প্রায় ২১ লাখ ৮১ হাজার ২০০ টাকা বলে জানিয়েছে প্রশাসন। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলা মোড় এলাকায় মেসার্স রোহা এন্টারপ্রাইজে অভিযান চালিয়ে এসব সিলিন্ডার জব্দ করা হয়।
অভিযানে বেআইনিভাবে অতিরিক্ত গ্যাস সিলিন্ডার মজুত ও মেয়াদোত্তীর্ণ সিলিন্ডার রাখার অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত প্রতিষ্ঠানটির মালিক মো. রিয়াদ মুন্সিকে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট খাদিজা আক্তার।
ইউএনও খাদিজা আক্তার বলেন, মঙ্গলবার বিকেলে ডিবির কাছ থেকে খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটির লাইসেন্স অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৪০টি গ্যাস সিলিন্ডার মজুত রাখার অনুমতি রয়েছে। কিন্তু সেখানে ২ হাজার ৪২টি সিলিন্ডার পাওয়া যায়। এর মধ্যে ১৭৪টি পূর্ণ এবং ১ হাজার ৮৬৮টি খালি সিলিন্ডার।
তিনি বলেন, এত বিপুলসংখ্যক সিলিন্ডার মজুতের বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির মালিক সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। এছাড়া জব্দ করা সিলিন্ডারের মধ্যে বেশ কয়েকটির মেয়াদ ২০২২ ও ২০২৪ সালে শেষ হয়েছে বলে দেখা যায়।
ইউএনও আরও বলেন, “সিলিন্ডারগুলো সরাসরি সংশ্লিষ্ট কোম্পানি থেকে আনার কথা থাকলেও বাইরে থেকে রিফিল করানো হচ্ছিল বলে আমরা জানতে পেরেছি। অতিরিক্ত মজুত ও আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে পেট্রোলিয়াম আইন-২০১৬-এর ২০(১) ধারায় প্রতিষ্ঠানটির মালিককে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।”
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, লাইসেন্স অনুযায়ী অনুমোদিত ৪০টি সিলিন্ডার বাদে বাকি সিলিন্ডারগুলো জব্দ করে থানায় নেওয়া হয়েছে।
থানায় নেওয়া হয়েছে সিলিন্ডার
চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মিলন কুমার ঘোষ বলেন, জব্দ করা সিলিন্ডারগুলো ভোররাত পর্যন্ত থানায় এনে রাখা হয়েছে। আদালতের সাজা পরোয়ানা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির মালিক মো. রিয়াদ মুন্সিকে জেলা কারাগারে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
অভিযান পরিচালনাকালে চিতলমারী সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নাঈম আশরাফ, চিতলমারী থানার এসআই সুজয় এবং চিতলমারী ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা মো. আব্দুল ওয়াদুদ উপস্থিত ছিলেন।






















