সংবাদ শিরোনাম ::
ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও অবৈধ জালে সংকটে সুন্দরবন উপকূলের মৎস্য অর্থনীতি সাগরে নেই ট্রলার, আড়তে নেই মাছ বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম রকি তেতলা পিজিএস স্কুলের সভাপতি বরিশালে সিভিল সার্জনের অপসারনের দাবীতে কক্ষে তালা বাবুগঞ্জে মাদক, চুরি-ডাকাতি ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সভা। বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

বিরামপুরে যমুনা নদীতে বালু উত্তোলন, হুমকির মুখে গ্রামবাসী ও বাঁধ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৬:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুলাই ২০২৪ ১৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শফিকুল ইসলাম দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি:
দিনাজপুরের বিরামপুরে যমুনা নদীতে বালু উত্তোলনে গ্রামবাসি ও প্রতিরক্ষা বাধটি হুমকির মুখে পড়েছে গ্রামবাসীর অভিযোগ উঠেছে। বিরামপুর উপজেলার পৌরসভাধীন ৯নং ওয়ার্ডের ভবানীপুর গ্রামের মধ্য দিয়ে বয়ে যমুনা নদীর পাড়টি গ্রাম প্রতিরক্ষায় স্থানীয় প্রশাসন লক্ষ্য লক্ষ টাকা খরচ করে বাধটি নির্মাণ গ্রামটিকে করেছে।
এলাকার জনসাধারণকে বিভিন্ন প্রকার প্রলোভন দেখিয়ে তাদের আবাদি জমি থেকে বালু উত্তোলন করেন। ফলে গ্রামবাসি হুমকির মুখে পড়েছে বলে অভিযোগ করেন গ্রামবাসি। এভাবে গ্রামের মধ্য দিয়ে বালু উত্তোলনের ফলে কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত বাধসহ উপজেলার প্রায় ২০-২৩টি গ্রামের আবাদি জমি,ঘর-বাড়ী জামে মসজিদ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হুমকির মুখে পড়েছে। বেড়িবাধের পাশে যমুনা নদীতে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে ওই এলাকায় বালু ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগনের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোন সময় ঘটতে পারে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ। স্থানীয়রা জানান,বিরামপুর উপজেলার উপজেলার একাধিক গ্রামের জনসাধারণ যমুনা নদীর তীরবর্তি এলাকার মানুষ পারিপার্শ্বিক কারণেই অসহায় ভাবে জীবন যাপন করে আসছে। উপজেলার প্রায় অনেক গ্রামের আবাদি জমি,ঘরবাড়ী ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙ্গনের কবল থেকে রক্ষার্থে বর্তমান সরকার কয়েক কোটি টাকা ব্যায়ে বেড়িবাঁধ নির্মান করেছে। কিন্তু ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের ফলে যে কোন সময় বেড়িবাঁধটি ভেঙ্গে পার্শ্ববর্তি এলাকা প্লাবিত হওয়ার চরম সম্ভাবনা রয়েছে। এলাকার কিছু বিত্তশালী মহল প্রশাসনকে ম্যানেজ করে যমুনা নদীর
যমুনা নদীতে বিশাল দুটি ভেকু বসিয়ে বালু উত্তোলন করছে। বালু উত্তোলনের কারণে কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত বেড়িবাঁধসহ ওই সব এলাকায় নতুন করে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। বালু বিক্রেতা এলাকার প্রভাবশালী বিধায় কেউ এদের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না। যমুনা তীরবর্তি গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ ও ভূক্তভোগিরা ভেকু দিয়ে বালু উত্তোলনকারীদের নিষেধ করা সত্যেও তারা পৃথক পৃথক বিশাল দুটি ভেকু দিয়ে বালু উত্তোলন করে যাচ্ছে। ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রায়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং দিনাজপুর জেলা প্রশাসক বরাবর অনেক অভিযোগ করেও কোন লাভ হয় নাই। যমুনা নদীর তীরবর্তি এলাকার কয়েকটি গ্রামের জমিজমা ও ঘরবাড়ী বিলীন হয়ে গেছে,বাকী গ্রামগুলো ভাঙ্গনের কবল থেকে রক্ষার্থে কোটি টাকা ব্যয় করে বেড়িবাঁধ নির্মান করা হয়েছে। ওই এলাকা কিছু প্রভাবশালী ব্যাক্তি দুটি ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করে বিক্রি অবাধে ক্রয় বিক্রয় করছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট মুঠোফোনে কথা জানতে চাইলে তিনি জানান বিষয়টি আমি দেখছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বিরামপুরে যমুনা নদীতে বালু উত্তোলন, হুমকির মুখে গ্রামবাসী ও বাঁধ

আপডেট সময় : ০৩:৪৬:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুলাই ২০২৪

শফিকুল ইসলাম দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি:
দিনাজপুরের বিরামপুরে যমুনা নদীতে বালু উত্তোলনে গ্রামবাসি ও প্রতিরক্ষা বাধটি হুমকির মুখে পড়েছে গ্রামবাসীর অভিযোগ উঠেছে। বিরামপুর উপজেলার পৌরসভাধীন ৯নং ওয়ার্ডের ভবানীপুর গ্রামের মধ্য দিয়ে বয়ে যমুনা নদীর পাড়টি গ্রাম প্রতিরক্ষায় স্থানীয় প্রশাসন লক্ষ্য লক্ষ টাকা খরচ করে বাধটি নির্মাণ গ্রামটিকে করেছে।
এলাকার জনসাধারণকে বিভিন্ন প্রকার প্রলোভন দেখিয়ে তাদের আবাদি জমি থেকে বালু উত্তোলন করেন। ফলে গ্রামবাসি হুমকির মুখে পড়েছে বলে অভিযোগ করেন গ্রামবাসি। এভাবে গ্রামের মধ্য দিয়ে বালু উত্তোলনের ফলে কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত বাধসহ উপজেলার প্রায় ২০-২৩টি গ্রামের আবাদি জমি,ঘর-বাড়ী জামে মসজিদ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হুমকির মুখে পড়েছে। বেড়িবাধের পাশে যমুনা নদীতে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে ওই এলাকায় বালু ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগনের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোন সময় ঘটতে পারে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ। স্থানীয়রা জানান,বিরামপুর উপজেলার উপজেলার একাধিক গ্রামের জনসাধারণ যমুনা নদীর তীরবর্তি এলাকার মানুষ পারিপার্শ্বিক কারণেই অসহায় ভাবে জীবন যাপন করে আসছে। উপজেলার প্রায় অনেক গ্রামের আবাদি জমি,ঘরবাড়ী ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙ্গনের কবল থেকে রক্ষার্থে বর্তমান সরকার কয়েক কোটি টাকা ব্যায়ে বেড়িবাঁধ নির্মান করেছে। কিন্তু ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের ফলে যে কোন সময় বেড়িবাঁধটি ভেঙ্গে পার্শ্ববর্তি এলাকা প্লাবিত হওয়ার চরম সম্ভাবনা রয়েছে। এলাকার কিছু বিত্তশালী মহল প্রশাসনকে ম্যানেজ করে যমুনা নদীর
যমুনা নদীতে বিশাল দুটি ভেকু বসিয়ে বালু উত্তোলন করছে। বালু উত্তোলনের কারণে কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত বেড়িবাঁধসহ ওই সব এলাকায় নতুন করে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। বালু বিক্রেতা এলাকার প্রভাবশালী বিধায় কেউ এদের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না। যমুনা তীরবর্তি গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ ও ভূক্তভোগিরা ভেকু দিয়ে বালু উত্তোলনকারীদের নিষেধ করা সত্যেও তারা পৃথক পৃথক বিশাল দুটি ভেকু দিয়ে বালু উত্তোলন করে যাচ্ছে। ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রায়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং দিনাজপুর জেলা প্রশাসক বরাবর অনেক অভিযোগ করেও কোন লাভ হয় নাই। যমুনা নদীর তীরবর্তি এলাকার কয়েকটি গ্রামের জমিজমা ও ঘরবাড়ী বিলীন হয়ে গেছে,বাকী গ্রামগুলো ভাঙ্গনের কবল থেকে রক্ষার্থে কোটি টাকা ব্যয় করে বেড়িবাঁধ নির্মান করা হয়েছে। ওই এলাকা কিছু প্রভাবশালী ব্যাক্তি দুটি ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করে বিক্রি অবাধে ক্রয় বিক্রয় করছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট মুঠোফোনে কথা জানতে চাইলে তিনি জানান বিষয়টি আমি দেখছি।