সংবাদ শিরোনাম ::
উজিরপুরে যুবদল কর্মী হত্যাকান্ডের ঘটনায় ৯ জন গ্রেপ্তার বিরামপুরের বিনাইল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা সাবদার হোসেনের, চাইলেন দোয়া ও সমর্থন দর্শনা ইমিগ্রেশনে ভারতে যাওয়ার পথে ছাত্রলীগ নেতা আটক জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে পুলিশের ওপর হামলা, গোপালগঞ্জে আহত ২ দর্শনা ডিলাক্স’ ঢাকা-মাওয়া বাস খাদে,নিহত ৩, আহত ১৬ জন ঝালকাঠিতে বিএনপির সাংগঠনিক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বিরামপুরে প্রেমের সম্পর্ক ঘিরে বিরোধ,তরুণীর ওপর মারধরের অভিযোগ; ঘটনায় মামলা ইজিবাইক চালক নাজমুল হত্যার বিচার দাবিতে বরিশালে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল উজিরপুরে যুবদল কর্মীকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা ঘোড়াঘাটে ৩ মাদকসেবীর কারাদণ্ড ও জরিমানা মাদক সেবন রোধে নজরদারি বাড়ানো ও জনসচেতনতার দাবী

ঝালকাঠিতে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে ২২ দিনে ২৭ জেলে আটক, কোটি টাকার জাল জব্দ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৫৬:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ নভেম্বর ২০২৩ ৫৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ মনির হোসেন, ঝালকাঠি: ঝালকাঠিতে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে ১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত জেলায় ২৭ জন জেলেকে মা ইলিশ শিকার করার অপরাধে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে ভ্রাম্যমান আদালতে ৮ জন জেলেকে জরিমানা করা হয়েছে ‌। বাকি ১৯ জেলেকে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

এছাড়া এ সময় ৭ লাখ ৩৪ হাজার ৭শত মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়েছে যার বাজার মূল্য ১ কোটি ৪৮ লক্ষ ১৪ হাজার টাকা। মামলা হয়েছে ২৭ টি। জরিমানা আদায় করা হয়েছে ২৮ হাজার টাকা। মা ইলিশ জব্দ করা হয়েছে ৫৪০ কেজি।

এ বিষয়ে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা দেবাশীষ বাছাড় জানান, ২২ দিনের ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধকালীন সময়ে আমরা দিনরাত ২৪ ঘণ্টা নদীতে অভিযান পরিচালনা করেছি। মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে অবৈধভাবে মাছ শিকার করার অপরাধে জেলেদের আটক ও অবৈধ জাল জব্দ করেছি। এ বছর ঝালকাঠির সুগন্ধা ও বিষখালী নদীতে বড় সাইজের ইলিশ মাছ খুব কম দেখা গেছে। যে মাছগুলো জব্দ করা হয়েছে সেগুলোর অধিকাংশ সাইজে ছোট হলেও পেট ভর্তি ডিম ছিল।

এ বিষয়ে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা রিপন কান্তি ঘোষ বলেন, মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে সুগন্ধা ও বিষখালী নদী সহ ঝালকাঠি জেলায় ২৪ ঘন্টা আমরা অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণে অবৈধ জাল জব্দ করি। এছাড়া অবৈধভাবে মা ইলিশ শিকার করার অপরাধে জেলেদের জরিমানা ও কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

জব্দকৃত মা ইলিশ বিভিন্ন এতিমখানায় বিতরণ করা হয়। জব্দকৃত জাল প্রতিদিন বিভিন্ন স্থানে জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করে দেওয়া হয়।
তিনি আরো বলেন, এ বছর ২৪ ঘন্টা অভিযান পরিচালনা করার পরেও কিছু অসাধু মৌসুমী জেলে মাছ শিকার করতে নেমেছে। আমরা তাদের অনেককে আটক করতে সক্ষম হয়েছি এবং বিপুল পরিমাণ জাল জব্দ করেছি। নদীতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে এসব অসাধু মৌসুমী জেলের মাছ শিকারের অপতৎপরতা অনেকাংশে বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছি।

সরকারি নিষেধাজ্ঞার সময় সকলের উচিত মৎস্য বিভাগকে সহযোগিতা করা। অবরোধের সময় যদি আমরা মা ইলিশ শিকার না করি তাহলে নদীতে ইলিশ মাছের প্রাচুর্যতা বৃদ্ধি পাবে । দেশের চাহিদা মিটিয়ে পূর্বের তুলনায় আরো বেশি পরিমাণ ইলিশ মাছ বিদেশে রপ্তানি করা সম্ভব হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ঝালকাঠিতে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে ২২ দিনে ২৭ জেলে আটক, কোটি টাকার জাল জব্দ

আপডেট সময় : ০২:৫৬:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ নভেম্বর ২০২৩

মোঃ মনির হোসেন, ঝালকাঠি: ঝালকাঠিতে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে ১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত জেলায় ২৭ জন জেলেকে মা ইলিশ শিকার করার অপরাধে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে ভ্রাম্যমান আদালতে ৮ জন জেলেকে জরিমানা করা হয়েছে ‌। বাকি ১৯ জেলেকে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

এছাড়া এ সময় ৭ লাখ ৩৪ হাজার ৭শত মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়েছে যার বাজার মূল্য ১ কোটি ৪৮ লক্ষ ১৪ হাজার টাকা। মামলা হয়েছে ২৭ টি। জরিমানা আদায় করা হয়েছে ২৮ হাজার টাকা। মা ইলিশ জব্দ করা হয়েছে ৫৪০ কেজি।

এ বিষয়ে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা দেবাশীষ বাছাড় জানান, ২২ দিনের ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধকালীন সময়ে আমরা দিনরাত ২৪ ঘণ্টা নদীতে অভিযান পরিচালনা করেছি। মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে অবৈধভাবে মাছ শিকার করার অপরাধে জেলেদের আটক ও অবৈধ জাল জব্দ করেছি। এ বছর ঝালকাঠির সুগন্ধা ও বিষখালী নদীতে বড় সাইজের ইলিশ মাছ খুব কম দেখা গেছে। যে মাছগুলো জব্দ করা হয়েছে সেগুলোর অধিকাংশ সাইজে ছোট হলেও পেট ভর্তি ডিম ছিল।

এ বিষয়ে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা রিপন কান্তি ঘোষ বলেন, মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে সুগন্ধা ও বিষখালী নদী সহ ঝালকাঠি জেলায় ২৪ ঘন্টা আমরা অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণে অবৈধ জাল জব্দ করি। এছাড়া অবৈধভাবে মা ইলিশ শিকার করার অপরাধে জেলেদের জরিমানা ও কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

জব্দকৃত মা ইলিশ বিভিন্ন এতিমখানায় বিতরণ করা হয়। জব্দকৃত জাল প্রতিদিন বিভিন্ন স্থানে জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করে দেওয়া হয়।
তিনি আরো বলেন, এ বছর ২৪ ঘন্টা অভিযান পরিচালনা করার পরেও কিছু অসাধু মৌসুমী জেলে মাছ শিকার করতে নেমেছে। আমরা তাদের অনেককে আটক করতে সক্ষম হয়েছি এবং বিপুল পরিমাণ জাল জব্দ করেছি। নদীতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে এসব অসাধু মৌসুমী জেলের মাছ শিকারের অপতৎপরতা অনেকাংশে বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছি।

সরকারি নিষেধাজ্ঞার সময় সকলের উচিত মৎস্য বিভাগকে সহযোগিতা করা। অবরোধের সময় যদি আমরা মা ইলিশ শিকার না করি তাহলে নদীতে ইলিশ মাছের প্রাচুর্যতা বৃদ্ধি পাবে । দেশের চাহিদা মিটিয়ে পূর্বের তুলনায় আরো বেশি পরিমাণ ইলিশ মাছ বিদেশে রপ্তানি করা সম্ভব হবে।