নিজস্ব প্রতিবেদন
বরিশাল নগরীতে জমিজমার জাল-জালিয়াতিকারী, প্রতারক ও মামলাবাজ সৈয়দ সাবের হোসেনের জালিয়াতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জমি জালিয়াতির কারণে তাহা নামে বিজ্ঞ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে, বরিশাল-এ সি,আর ১০৫৫/১৭,সি আর ৭৪০/১৮ সি,আর ৪৪৫/১৯,সি,আর ২৬০/১৯,সি,আর ১৯০/১৮,জি,আর মামলা নং ৩৯০/১৬,সি,এম,এম আদালতে বিজ্ঞ চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নির্দেশ মোতাবেক মামলার অভিযোগ সরেজমিনে তদন্ত করে পিবিআই অফিসার প্রতিবেদন দাখিল করে জানাইয়াছেন সাবের হোসেন বাবু একজন জমিজমার কাগজ জাল-জালিয়াতি কারী, প্রতারক ও মামলাবাজ। জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে মূল্যবান দলিলাদি সৃষ্টি করে ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহারকারী প্রতারণার উদ্দেশ্যে জালিয়াতি করাই তারার পেশা ও নেশা। সাবের হোসেন বাবুর পিতা ও তাহার জীবনদশায় এইরূপ কর্মকাণ্ড করিয়া আসিতেছিল বর্তমানে তিনি পিতার জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে সৃষ্টি কাগজপত্রের ধারাবাহিকতায় কর্মকাণ্ড করিয়া আসিতেছেন। তিনি আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও অবৈধভাবে জমি দখলকারী তিনি ১২ বছর আমেরিকায় ছিলেন। এরমধ্যে মাদকের অবৈধ ব্যবসা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য গুরুতর অপরাধে আট বছর আমেরিকায় জেলে ছিলেন। জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর ২০১০ সালে তার সিটিজেনশিপ বাতিল করে তাকে কালো তালিকাভুক্ত করে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেন। এ ব্যাপারে কোন তথ্য জানতে চাইলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানা যাবে। ৫০ নং বগুড়া আলেকান্দা সিএন বি পুল এলাকায় সি এস, আরএস তথা এসে ও বিএস রেকডিও মালিক। আসিফ আলম, ফরিদ আলম, মামুনুর রশিদ, মোঃ কবির হোসেন, সাজ্জাদ হোসেন, মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ, কে এম শহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ সুলতান হোসেন গং তাহারা দীর্ঘকাল যাবত বসতবাড়ি, দালানকোঠা মূল্যবান গাছপালা রোপন করে ভোগ দখল করিয়া আসিতেছেন। সাবের হোসেন বাবর এই জমিতে কোন দখন নাই, কস্মিনকালেও দখল ছিল না। ভোগ দখলীয় মালিকানায় তাহার রক্ত-মাংসের আত্মীয়-স্বজন বটে। কার সাথে বেইমানি করে তাহার মৃত্যুদাতা সৈয়দ আমজাদ আলীর নামে এস এ ২৩৭,২৫৩ নং খতিয়ানের ৬৮৭২ ও ৬৮৮১ নং দাগের মোট জমি ৮২ শতাংশ ও ৮৪ শতাংশ ভুমির,৬//অংশ মালিক ৬৮৭২ লাগে,২৭.৫০ শতাংশ ভূমি। উক্ত ভূমি আমজেদ আলীর মৃত্যুতে তাহার ওয়ারিশগণ পৈতৃক ওয়ারিশ সূত্রে সৈয়দ মোহাম্মদ হোসেন গং অর্থাৎ সৈয়দ সাবের বাবা ও চাচা সম্যক ভুমি বিক্রি করিয়া নিঃসন্তাবান হন। বিগত ইংরেজি ০৮/০৫/২০০৮ তারিখের রেজিস্ট্রিকৃত ৪০৬৪ নং দলিলে ১৬ শতাংশ,২৬০৪/১০ তারিখের ৩৫৬০ নং দলিল মূলে ০৭ শতাংশ ১৭/১১/০৯ তারিখের ৯৫৯২ নং দলিল মূলে ৩ শতাংশ,০২/০২/১৯৮০ তারিখের দলিল মূল্য ১১ শতাংশ, একুনে হস্তান্তর করেন ৩৭ শতাংশ। মালিক ২৭.২৫ শতাংশ হস্তান্তর করেন ৩৭ শতাংশ, অতিরিক্ত হস্তান্তর ০৯.৭৫ শতাংশ ।৬৮৮১ নং দাগের রেকর্ড ও দলিল মূলে মালিক ২৮+১৪=৪২ শতাংশ, অথচ মোহাম্মদ হোসেন বিক্রি করেন ৮ জনের কাছে আটখানা দলিলে ৪২.৫০ শতাংশ, অতিরিক্ত বিক্রি করেন ০৫০ শতাংশ।১) যাহার দলিল নং মোজাম্মেল ৭৮৮৭, তারিখ:৩১/০৮/০৯ ই,জমি ০৫ শতাংশ, ২) মাহাবুব আলীর কাছে ২০/১০/১৯৯০ তারিখের ৯৬৩৪ দলিলের মূল্যে ০৩ শতাংশ,৩) হালিম রেজার কাছে ইং ১৬/০২/১০ তারিখের ৮১৮ নং দলিল মূলে ০৭ শতাংশ, ৪) মনসুর আলীর কাছে ইং ২০/১০/২০১০ তারিখের ৯৬৩৩ নং দলিল মূলে ৩ শতাংশ, ৫) মইনুদ্দিনের কাছে ইং ১১/০৬/০৮ তারিখের ৫১৬১ নং দলিল মূলে ০৫ শতাংশ, ৬) মহিউদ্দিনের গং দের কাছে ইং ২০/১০/২০১০ তারিখের ৯৬৩৫ নং দলিল মূলে ০৪ শতাংশ ,৭) সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন গংদের কাছে ইং ০৪/০৬/০৮ তারিখের ৪৯২৪ নং দলিল মূলে ১২ শতাংশ, ৮) আব্দুল মন্নান মোল্লার কাছে ইং ৩০/০৩/১১ তারিখের ৩৬৪৮ নং দলিল মূলে ০৩৫০ শতাংশ, একুনে ৪২.৫০ শতাংশ বিক্রি করে গৃহীতাগন দখল বুঝাইয়া দিয়া
নিঃসন্তাবান হন। সৈয়দ সাবেব হোসেন দখলবিহীন ও মালিকানা স্বত্ব নাই জানিয়াও পিতা সৈয়দ মোহাম্মদ হোসেন এর নিকট হইতে সাবের হোসেন বাবু পিতার সাথে যোগসাজশে জাল টাকার মোকাদ্দমা ৯৩/৫১ মিস কেস ২৩/৬৩ ও ৭৬২/৬১ (৫৪) ধারা রেকর্ড জাল-জালিয়াতির ভাবে সৃষ্টি করে পরবর্তীতে তাহার পিতার নিকট হইতে তাহার সম্যক জমি পূর্বের বিকৃত জানিয়াও ভুয়া মালিকানাবিহীন ও দখলবিহিন ভাবে বাহানামা দলিল নং ৭৩৭৮ তাং ২৬/০৬/১১ ও দলিল নং ১২১৬৪ তাং ২০/০৬/১২ মূল মালিক হইয়া নামজারি রেকর্ড সৃষ্টি করে জমি বিক্রয় বাহনায় ভুয়া আমমোক্তারনামা, বায়না দলিল ও সাব কাবলা দলিল দিয়ে প্রায় দুই কোটি টাকা আত্মসাৎ করিয়াছেন উল্লেখিত ভূমি মালিকগণকে একাধিক প্রায় ৩৫-৪০ টি মিথ্যা মোকাদ্দমা দিয়া হয়রানি করিয়া আসিতেছেন। ভূমি জাল-জালিয়াতি ও মামলাবাজ সাবের হোসেন বাবু বর্তমানে বিজ্ঞ চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করা চারটি জাল-জালিয়াতি কেসের আসামি পিবিআই পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন অফিসারগণ সংশ্লিষ্ট রেকর্ডরুম ও সাব-রেজিষ্ট্রি অফিস তালাশ অনুসন্ধান কোরিয়া এবং সই মোহরী নকলের আবেদন করিয়া কাগজপত্র কোন অস্তিত্ব না পাইয়া, কেস গুলিতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন যে, সাবের হোসেন বাবু জাল নিলাম ৯৩/৫১ টাকার মোকাদ্দমার সৃষ্টি ৬৫/৫৩ টাঃ ডিঃ রাজাপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের ০৯/০৯/১৯৭১ সানের ১০৫৫ নং দলিল,২৩/৬৩ (৫৪) ধারা কেস জাল-জালিয়াতি ভাবে সৃষ্টি করে পেনাল কোড ৪৬৭,৪৬৮,৪০৬,৪৭১,৪২০ ধারার অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে। এই কেজগুলোতে সে দুইবার জেল হাজতে গিয়েছিলেন। সে যেন প্রাকৃত জালিয়াতি ও প্রতারক মামলাবাজ তার প্রমাণ। সাবের হোসেনের আপন বড় ভাই সরোয়ার হোসেন, সাবের হোসেনের বিরুদ্ধে জাল-জালিয়াতি মোকাদ্দমা এম,পি ২৩/১৯ দায়ের করেছিল। তাছাড়া সাবের হোসেন উল্লেখিত জাল-জালিয়াতি কাগজের বরাতে বিভিন্ন আদালতে ৩৫-৪০ টি মোকাদ্দমা সৃষ্টি করছে যেমন সিনিয়র সহকারী জজ আদালত বরিশাল দেঃ মোঃ নং ১)৮৫/০৯, ২)১৬৬/১৬, ৩)০৫/১০,৪)৫৮/১১,৫)৮৯/১২,১৬৫/১৭ প্রথম যুগ্ন জেলা জজ আদালত সহ বেশ কয়েকটি মামলা বিদ্যমান উল্লেখিত সকল মামলাগুলোতে সাবের হোসেন আসামি। চেয়ে প্রায় দিন পর কম্পিউন্ডের ভিতর ও সহকারী কমিশনার মহাফেজখানা, রেকর্ডরুমে চলাচল করে তাহার সাথে বিরাট জালিয়াতি চক্রের সাথে জড়িত আছে। সে বলিয়া বেড়ায় আমি মামলা মোকাদ্দমা ভয় পাইনা। মামলা আমার কোনো সাজা হবে না। তাই প্রশাসনের কাছে আমাদের বিনীত আবেদন এই যে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, মামলাবাজ, জমিজমার জাল-জালিয়াতি কারী চক্রের মূল হোতা সাবের হোসেন বাবুর আইনঅনুযায়ী সঠিক বিচারের শাস্তি প্রদানের আবেদন করতেছি। নির্যাতিত-নিপীড়িত ভূমি মালিক গন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোহাম্মদ বেল্লাল তালুকদার
প্রধান কার্যালয় ফ্লাট#এ ৫ ট্রফিকাল হোম ৫৫/৫৬ শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন রোড মগবাজার রমনা ঢাকা-১২১৭
মোবাইল নং- 01712573978
ই-মেইল:- ajkercrimenews@gmail.com
Copyright © 2026 আজকের ক্রাইম নিউজ. All rights reserved.