ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার রায়পুর ছয়ঘরিয়া গ্রামে আপন বোনের জমির পাকা গম ও মশুর শত্রুতা করে নষ্ট করে দিয়েছে ভাইয়েরা।
এলাকাবাসী ও থানা সূত্রে প্রকাশ, উপজেলার রায়পুর ছয়ঘরিয়া গ্রামের মৃত সামছুল হক মিস্ত্রির কন্যা নাজমা খাতুন ৪২’শতক জমিতে গম ও মশুরীর চাষ করে। ফসল পেকে কাটার উপক্রম হয়েছে এমতাবস্থায় তারই ভাইয়েরা শত্রুতা করে দিবালোকে গম এবং নষ্ট করে দিয়েছে।
কাজীরবেড় ইউপি সদস্য জহির উদ্দিন জানান, নাজমা খাতুনের ভাইয়েরা খুবই খারাপ প্রকৃতির লোক, বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছে, কিন্তু তার ভাইয়েরা কারো কথা কর্ণপাত করছে না।
নাজমা খাতুন জানায়, সে ঢাকায় একটি কোম্পানিতে চাকরি করে তার ছোট ভাই মনিরুল হোসেন তার জমি দেখাশোনা করে। গত ৭ই জানুয়ারী তার ভাই সিরাজুল ইসলাম,নজরুল ইসলাম, জালাল উদ্দিন ও বোন রওশনারা এবং ভাইপো ফরিদ হোসেন পূর্ব পরিকল্পিতভাবে শত্রুতা করে তার জমির পাকা গম ও মশুর কেটে নষ্ট করে দিয়েছে।
উল্লেখ্য, এই জমি তার মা নাজমার নামে রেজিষ্ট্রি করে দেয় বড় ভাই বোন জামাই আলিম এবং রওশোনারার উপস্থিতিতে । নাজমাই তার মাকে দেখাশুনা ও খোরপোষ দিয়ে থাকে। কিন্তু এলাকার একটি প্রভাবশালী মহলের চক্রান্তে তার ভাইয়েরা তার উপর অত্যাচার করছে। এ বিষয়ে আদালতে মামলা হলে আদালত কাজীরবেড় ইউপির উপ-সহকারি ভূমি কর্মকর্তা জুলফিকার আলীর উপর তদন্তের দায়িত্ব দেয়। উক্ত ভূমি কর্মকর্তা ১.রেজাউল ২.সেরাজুল ৩.গাজা সম্রাট আলীম ৪. মদের ব্যবসায়ি জালাল ওরোফে জল্লাত এদের কথা মত প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে যা বানোয়াট এবং মিথ্যা। সত্যকে জুলফিকার চাপা দিয়ে গেছে।
ভুক্তভুগির একটাই দাবী প্রকৃত অপরাধীর শাস্তি হোক কোন ছত্রছায়ার তোলে প্রকৃত অপরাধীগন যেন স্হান না পায়। এ ব্যাপারে নাজমা খাতুন সরকারের উপর মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।