সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক।

চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারে চলছে বিশাল দূর্নীতি। আজকের ক্রাইম নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:০৮:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৯ ১৯৮৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

এস এম আবির আহমেদ বিআরটিএ/কোট চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি।

এর কারন কারা কেন্টিনে এক পিচ ডিম আর দুই কুচি আলু ৪০ টাকা,এক পিচ মুরগির মাংস দুই কুচি আলু ৬৫ টাকা,এক পিট গরুর মাংস দুই কুচি আলু ৭০ টাকা, ভাজির দাম ৩৫ টাকা সকালের নাস্তায় পাওয়া যায় ছোট ছোট পড়োটা ১৫ টাকা তার সাথে ভাজির দাম১৫ টাকা এক পিচ গুলের দাম ৩৫ টাকা একটি সিকারেটে (৫) টাকা বেশি এক কাপ চা ১০ টাকা এক পিচ পান ৯ টাকা,(১০) টাকার পাওরুটির দাম (১৫) টাকা,(১০) টাকার বিস্কুটের দাম (১৫) টাকা,এই ভাবে প্রতেক জিনিসের দাম বেশি নিচ্ছে সাধারণ কয়েদি ও হাজতিদের কাছে কারও কিছু বলার নেই।এর কারন হাজতি বা কয়েদি যদি কোন অভিযোগ করে তাহলে কেচ টেবিলে র্নিযাতন করা হয়।এই ভয়ে সবাই চুপচাপ র্নিযাতন নিজের মধ্যে রেখে দেই।তার সাথে দেখা যায় হাজতি হয়ে সুবেদার ও সুপারের সাথে নাস্তা,চা,ভাজা, মুড়ি,তার সাথে মাংস ভাত ও ভালো খাওয়া দাওয়া করছে।সাধারন হাজতি ও কয়েদি এগুলি দেখছে এর কারন টাকা ও ক্ষমতার জোরে এই সব র্দূনীতি সব সময় চলছে চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারে।তার সাথে সকালে একটা রুটি অল্প তরকারি মাঝে সাঝে একটু সুজি তার কয়েকদিন পর পর অল্প লেবরা খেচুরি দিয়ে সকালের নাস্তা বেলা (১২) টার পর ভাত ডাল আর মুলার সেচকি দিয়ে দুপুরের খাবার আর রাতে ভাত ডাল মুলার সেচকি তার সাথে একটুখানি পাঙ্গাশ মাছ ভাজা সপ্তায় একদিন একটুকরা মাংস দিয়ে খাওয়া দাওয়া করায় চুয়াডাঙ্গায় জেল খানায়।এই ভাবে দিনের পর দিন চলে জেলা কারাগারে।কিন্তু হাজতি ও কয়েদিদের কথা প্রায় (৬) থেকে (৭) মাস মুলার সেক্সি খাওয়াবে অথচ কারা কেন্টিনে টাকার বিনিময়ে ভালো তরকারি পাওয়া যায়।যদি এই তরকারি হাজতি ও কয়েদিদের দেই ভালোই হতো।কিন্তু ভালো তরকারি দিলে কারা কেন্টিনে ব্যবসা চলতো না।আমরা চাই ভালো ভাবে তরকারি রান্না করার দাবি জানাচ্ছি।যাতে করে যাদের টাকা নেই তারা যাতে তিন বেলা দুই মুটো ভালোভাবে খেয়ে বাঁচতে পারে এই দাবি সাধারণ হাজতি ও কয়েদিদের।এরকারন যাদের টাকা আছে তাদের জেলখানা আর যাদের টাকা নেই তাদের কাছে জেলখানা সব থেকে কষ্টের জায়গা হলো জেলখানা।আমরা চাই সবাই মিলে মিসে থাকবে জেলখানায় এমনটায় আসা কয়েদি ও হাজতিদের।আমরা আসায় থাকলাম চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগার এক সময় র্দূনীতিমুক্ত হবে, সবার জন্য জেলখাটা সমান হবে,সকল আসাসিদের সমান চোখে দেখা হবে,জেলার, সুপার, সুবেদার সহ মিয়াসাহেব ও জমাদারদের ব্যবহার ভালো হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারে চলছে বিশাল দূর্নীতি। আজকের ক্রাইম নিউজ

আপডেট সময় : ১২:০৮:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৯

এস এম আবির আহমেদ বিআরটিএ/কোট চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি।

এর কারন কারা কেন্টিনে এক পিচ ডিম আর দুই কুচি আলু ৪০ টাকা,এক পিচ মুরগির মাংস দুই কুচি আলু ৬৫ টাকা,এক পিট গরুর মাংস দুই কুচি আলু ৭০ টাকা, ভাজির দাম ৩৫ টাকা সকালের নাস্তায় পাওয়া যায় ছোট ছোট পড়োটা ১৫ টাকা তার সাথে ভাজির দাম১৫ টাকা এক পিচ গুলের দাম ৩৫ টাকা একটি সিকারেটে (৫) টাকা বেশি এক কাপ চা ১০ টাকা এক পিচ পান ৯ টাকা,(১০) টাকার পাওরুটির দাম (১৫) টাকা,(১০) টাকার বিস্কুটের দাম (১৫) টাকা,এই ভাবে প্রতেক জিনিসের দাম বেশি নিচ্ছে সাধারণ কয়েদি ও হাজতিদের কাছে কারও কিছু বলার নেই।এর কারন হাজতি বা কয়েদি যদি কোন অভিযোগ করে তাহলে কেচ টেবিলে র্নিযাতন করা হয়।এই ভয়ে সবাই চুপচাপ র্নিযাতন নিজের মধ্যে রেখে দেই।তার সাথে দেখা যায় হাজতি হয়ে সুবেদার ও সুপারের সাথে নাস্তা,চা,ভাজা, মুড়ি,তার সাথে মাংস ভাত ও ভালো খাওয়া দাওয়া করছে।সাধারন হাজতি ও কয়েদি এগুলি দেখছে এর কারন টাকা ও ক্ষমতার জোরে এই সব র্দূনীতি সব সময় চলছে চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারে।তার সাথে সকালে একটা রুটি অল্প তরকারি মাঝে সাঝে একটু সুজি তার কয়েকদিন পর পর অল্প লেবরা খেচুরি দিয়ে সকালের নাস্তা বেলা (১২) টার পর ভাত ডাল আর মুলার সেচকি দিয়ে দুপুরের খাবার আর রাতে ভাত ডাল মুলার সেচকি তার সাথে একটুখানি পাঙ্গাশ মাছ ভাজা সপ্তায় একদিন একটুকরা মাংস দিয়ে খাওয়া দাওয়া করায় চুয়াডাঙ্গায় জেল খানায়।এই ভাবে দিনের পর দিন চলে জেলা কারাগারে।কিন্তু হাজতি ও কয়েদিদের কথা প্রায় (৬) থেকে (৭) মাস মুলার সেক্সি খাওয়াবে অথচ কারা কেন্টিনে টাকার বিনিময়ে ভালো তরকারি পাওয়া যায়।যদি এই তরকারি হাজতি ও কয়েদিদের দেই ভালোই হতো।কিন্তু ভালো তরকারি দিলে কারা কেন্টিনে ব্যবসা চলতো না।আমরা চাই ভালো ভাবে তরকারি রান্না করার দাবি জানাচ্ছি।যাতে করে যাদের টাকা নেই তারা যাতে তিন বেলা দুই মুটো ভালোভাবে খেয়ে বাঁচতে পারে এই দাবি সাধারণ হাজতি ও কয়েদিদের।এরকারন যাদের টাকা আছে তাদের জেলখানা আর যাদের টাকা নেই তাদের কাছে জেলখানা সব থেকে কষ্টের জায়গা হলো জেলখানা।আমরা চাই সবাই মিলে মিসে থাকবে জেলখানায় এমনটায় আসা কয়েদি ও হাজতিদের।আমরা আসায় থাকলাম চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগার এক সময় র্দূনীতিমুক্ত হবে, সবার জন্য জেলখাটা সমান হবে,সকল আসাসিদের সমান চোখে দেখা হবে,জেলার, সুপার, সুবেদার সহ মিয়াসাহেব ও জমাদারদের ব্যবহার ভালো হবে।