২০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৫০ পূর্বাহ্ন, ৩০শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি, মঙ্গলবার, ৬ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নোটিশ
জরুরী ভিত্তিতে কিছুসংখ্যক জেলা-উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে যোগাযোগ- ০১৭১২৫৭৩৯৭৮
সর্বশেষ সংবাদ :
মব’ সৃষ্টির অভিযোগে রুমিন ফারহানাকে শোকজ সিলেটের ১৯ টি আসনের জামায়াতের প্রার্থীদের হিসাব নিকাশ চুড়ান্ত বাবুগঞ্জে নির্বাচন ঘিরে বাড়তি নিরাপত্তা ৫৪ ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৩৫টিই ঝুঁকিপূর্ণ চুয়াডাঙ্গায় চলন্ত ট্রেন থেকে নামতে গিয়ে বাদাম বিক্রেতা ট্রেনে কাটলো দু’পা বাবুগঞ্জে সাংবাদিকদের সঙ্গে হাতপাখার প্রার্থী উপাধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলামের মতবিনিময় নতুন পুলে বদলে গেল জীবনের চাকা মোরেলগঞ্জের চিংড়াখালীতে দুর্ভোগের অবসান, স্বস্তিতে ৪ ইউনিয়নের ১০ গ্রামের মানুষ বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপিতে ঐক্যের বার্তা দীর্ঘদিনের দূরত্ব ঘুচে একই মঞ্চে শীর্ষ নেতারা পর্যটন ব্যবস্থাপনায় নতুন যুগ ষাটগম্বুজ মসজিদ ও বাগেরহাট যাদুঘরে চালু হলো ই-টিকিটিং সেবা আপু’ বলায় ক্ষেপে গেলেন ইউএনও হাসনাত আব্দুল্লাহর আসনে বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল
কীর্তণখোলা-২ লঞ্চের ক্যান্টিনের সামনে যুবক খুনের আসামি থানা থেকে পলায়ন। আজকের ক্রাইম নিউজ

কীর্তণখোলা-২ লঞ্চের ক্যান্টিনের সামনে যুবক খুনের আসামি থানা থেকে পলায়ন। আজকের ক্রাইম নিউজ

নিউজ ডেস্ক::দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা থেকে ইয়ামিন নামে এক হত্যা মামলার আসামি পালিয়ে গেছে। শুক্রবার (০৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শনিবার (০৯ নভেম্বর) ছয় পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।

পুলিশ সদস্যরা হলেন- উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবু সিদ্দিক, মিজান, জহিরুল ইসলামের, কনস্টেবল লতিফ, হাসেম ও অপারেটর রফিক।

ঢাকা জেলা পুলিশের মিডিয়া সেন্টার ইনচার্জ পরিদর্শক শামীম বলেন, এ ঘটনায় ডিএসবির পুলিশ সুপার শরিফুল ইসলামকে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ছয় পুলিশ সদস্যকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

গত অক্টোবর মাসের ১৮ তারিখ সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে বরিশালগামী কীর্তণখোলা-২ লঞ্চের ক্যান্টিনের সামনে খুন হন রুবেল (২২) নামে এক যুবক। ওই ঘটনায় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হলে মামলার তদন্তভার পান এসআই আবু সিদ্দিক। তদন্ত শেষে হত্যায় জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়ে আসামি ইয়ামিনকে আটক করা হয়। পরে আসামি ইয়ামিনকে থানায় এনে পরিদর্শক অপারেশনের কক্ষে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন এসআই আবু সিদ্দিক ও মিজান।

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আসামি ইয়ামিনকে ওই রুমে রেখে এসআই আবু সিদ্দিক ও মিজান বেরিয়ে যান। তাখন সুযোগের সদ্ব্যবহার করে হাতকড়া খুলে কৌশলে ডিউটি অফিসার এসআই জহিরুল ইসলামের সামনে দিয়ে পালিয়ে যান ইয়ামিন।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019