সংবাদ শিরোনাম ::
কাঠালিয়ায় কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ঘোড়াঘাটে মাদক সেবলের বিস্তার ৬ মাদক সেবীর কারাদন্ড উদ্বিগ্ন এলাকাবাসী জীবননগর ও উথলী বিজিবি হাতে ভারতীয় কীটনাশক,মদ,ভায়াগ্রাসহ মহেশপুর সীমান্তে ৬ হিজড়া আটক বাবুগঞ্জ রহমতপুর ইউনিয়নে তরুণ সমাজসেবক শিমুল সিকদারের গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ ভাণ্ডারিয়ায় মাদক প্রতিরোধে গঠিত জেলা কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঝালকাঠিতে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ১৮ জন অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীকে সংবর্ধনা প্রদান চুয়াডাঙ্গা পৌর ছাত্রলীগের সেক্রেটারী আটক সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির পাওনা পরিবারকে বুঝিয়ে দিল সমকাল কর্তৃপক্ষ কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা

অভিযুক্ত সুমন। তার দেয়া জবানবন্দিতে বাজি ধরতে গিয়ে খুন হন রুহুল।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০৩:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ নভেম্বর ২০১৯ ৩৫৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বরিশাল নগরের আমানতগঞ্জ এলাকায় যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে অভিযুক্ত সুমন। তার দেয়া জবানবন্দি ১৬৪ ধারায় নথিভূক্ত করেন আদালতের বিচারক মো. আনিছুর রহমান। জবানবন্দি গ্রহন শেষে সুমনকে জেলে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়। জেলে যাওয়া সুমন বরিশাল নগরের বেলতলা ইসলামিয়া কলেজ সংলগ্ন বাবুল মিয়ার ভাড়াটিয়া মকবুল হাওলাদারের ছেলে। সুমন তার জবানবন্দিতে জানায়, সে ও রুহুল আমিন পূর্ব পরিচিত। গত ৩ নভেম্বর ভারত বনাম বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট খেলা শুরু হয়। ওই খেলাকে কেন্দ্র করে বাজি ধরে সুমন ও রুহুল আমিন। খেলায় বাংলাদেশের পক্ষে সুমন ও ভারতে পক্ষে রুহুল আমিন ৮ হাজার টাকা বাঁজি ধরে তারা। ওই খেলায় বাংলাদেশ বিজয়ী হলে রুহুলের কাছে জুয়ার ৮ হাজার টাকা দাবী করে সুমন। পরে টাকা না দিয়ে চলে যায় রুহুল। পরের দিন ৪ নভেম্বর আমানতগঞ্জ কসাই বাড়ির পুলসংলগ্ন এলাকায় রুহুলকে পেয়ে জুয়ার ৮ হাজার টাকা দাবী করে সে। এ সময় ওই টাকা নিয়ে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা শুরু হয়। এর এক পর্যায়ে সুমনকে থাপ্পর দেয় রুহুল। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সাথে থাকা ছুড়ি দিয়ে রুহুলকে আঘাত করে পালিয়ে যায় সে। বুধবার এভাবেই বাজির টাকার জন্য হওয়া হত্যার কথা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বর্ননা দেয় বলে আদালত সূত্রে জানাগেছে। এদিকে হত্যার ঘটনায় ওই দিনই রুহুল আমিনের বাবা পলাশপুরের ভাড়াটিয়া মোহাম্মদ আলি মুন্সি বাদী হয়ে সুমনকে আসামি করে কোতয়ালি মডেল থানায় মামলা করে। মামলায় তিনি উল্লেখ করেন, তার ছেলে তার ছেলে রুহুল আমিন ঢাকা ফিলিপস কম্পানিতে চাকরি করতো। গত ২৮ অক্টোবর চাকরি ছেড়ে বরিশাল আসে। পরে বাজার রোডে প্রিয় ভান্ডারের সেল্সম্যান পদে চাকরি নেয়। সুমনের সাথে রুহুল আমিনের পূর্ব থেকে টাকা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো। ৪ নভেম্বর বিকেলে রুহুল আমিন ওই এলাকা থেকে ফেরার পথে সুমনকে পাওয়ায় তার কাছে পাওনা টাকা চায়। এতে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে সুমন ক্ষিপ্ত হয়ে তার সাথে থাকা ছুড়ি দিয়ে রুহুলকে কুপিয়ে জখম করে। এসময় স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে সুমন পালিয়ে যায়। পরে রুহুলকে উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। এ ঘটনায় মামলার পরপরই ৫ নভেম্বর সুমনকে পটুয়াখালী থেকে গ্রেফতারক করে কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

অভিযুক্ত সুমন। তার দেয়া জবানবন্দিতে বাজি ধরতে গিয়ে খুন হন রুহুল।

আপডেট সময় : ১০:০৩:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ নভেম্বর ২০১৯

বরিশাল নগরের আমানতগঞ্জ এলাকায় যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে অভিযুক্ত সুমন। তার দেয়া জবানবন্দি ১৬৪ ধারায় নথিভূক্ত করেন আদালতের বিচারক মো. আনিছুর রহমান। জবানবন্দি গ্রহন শেষে সুমনকে জেলে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়। জেলে যাওয়া সুমন বরিশাল নগরের বেলতলা ইসলামিয়া কলেজ সংলগ্ন বাবুল মিয়ার ভাড়াটিয়া মকবুল হাওলাদারের ছেলে। সুমন তার জবানবন্দিতে জানায়, সে ও রুহুল আমিন পূর্ব পরিচিত। গত ৩ নভেম্বর ভারত বনাম বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট খেলা শুরু হয়। ওই খেলাকে কেন্দ্র করে বাজি ধরে সুমন ও রুহুল আমিন। খেলায় বাংলাদেশের পক্ষে সুমন ও ভারতে পক্ষে রুহুল আমিন ৮ হাজার টাকা বাঁজি ধরে তারা। ওই খেলায় বাংলাদেশ বিজয়ী হলে রুহুলের কাছে জুয়ার ৮ হাজার টাকা দাবী করে সুমন। পরে টাকা না দিয়ে চলে যায় রুহুল। পরের দিন ৪ নভেম্বর আমানতগঞ্জ কসাই বাড়ির পুলসংলগ্ন এলাকায় রুহুলকে পেয়ে জুয়ার ৮ হাজার টাকা দাবী করে সে। এ সময় ওই টাকা নিয়ে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা শুরু হয়। এর এক পর্যায়ে সুমনকে থাপ্পর দেয় রুহুল। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সাথে থাকা ছুড়ি দিয়ে রুহুলকে আঘাত করে পালিয়ে যায় সে। বুধবার এভাবেই বাজির টাকার জন্য হওয়া হত্যার কথা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বর্ননা দেয় বলে আদালত সূত্রে জানাগেছে। এদিকে হত্যার ঘটনায় ওই দিনই রুহুল আমিনের বাবা পলাশপুরের ভাড়াটিয়া মোহাম্মদ আলি মুন্সি বাদী হয়ে সুমনকে আসামি করে কোতয়ালি মডেল থানায় মামলা করে। মামলায় তিনি উল্লেখ করেন, তার ছেলে তার ছেলে রুহুল আমিন ঢাকা ফিলিপস কম্পানিতে চাকরি করতো। গত ২৮ অক্টোবর চাকরি ছেড়ে বরিশাল আসে। পরে বাজার রোডে প্রিয় ভান্ডারের সেল্সম্যান পদে চাকরি নেয়। সুমনের সাথে রুহুল আমিনের পূর্ব থেকে টাকা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো। ৪ নভেম্বর বিকেলে রুহুল আমিন ওই এলাকা থেকে ফেরার পথে সুমনকে পাওয়ায় তার কাছে পাওনা টাকা চায়। এতে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে সুমন ক্ষিপ্ত হয়ে তার সাথে থাকা ছুড়ি দিয়ে রুহুলকে কুপিয়ে জখম করে। এসময় স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে সুমন পালিয়ে যায়। পরে রুহুলকে উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। এ ঘটনায় মামলার পরপরই ৫ নভেম্বর সুমনকে পটুয়াখালী থেকে গ্রেফতারক করে কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশ।