২৬ Jun ২০২৪, ১২:২৯ পূর্বাহ্ন, ১৯শে জিলহজ, ১৪৪৫ হিজরি, বুধবার, ১৩ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নোটিশ
জরুরী ভিত্তিতে কিছুসংখ্যক জেলা-উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে যোগাযোগ- ০১৭১২৫৭৩৯৭৮
সর্বশেষ সংবাদ :
ডিসি, ইউএনওকে সম্মানি দেওয়ার কথা বলে প্রবেশপত্র আটকে রেখেছেন অধ্যক্ষ পরীমণির সঙ্গে রাত্রীযাপন: বাধ্যতামূলক অবসরে সেই পুলিশ কর্মকর্তা বানারীপাড়ায় শিশু বলাৎকার চেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া সেই বিএনপি নেতা বহিস্কার মামুনুল হকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ঘোড়াঘাটে ২০ ভায়াল এন্টিভিনম মজুদ, চাহিদা ৪০ ভায়াল সিলেটে ফের ভারি বৃষ্টিপাতের আভাস দর্শনার লিখনের চিকিৎসারত অবস্থায় মৃত্যু চুয়াডাঙ্গায় পিতাকে দাওয়াতে পাঠিয়ে তালা ভেঙ্গে ৯ লাখ টাকা চুরি,পরে পুত্র গ্রেফতার ডিমলায় পাট চাষিদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত বিরামপুরে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ
অভিযুক্ত সুমন। তার দেয়া জবানবন্দিতে বাজি ধরতে গিয়ে খুন হন রুহুল।

অভিযুক্ত সুমন। তার দেয়া জবানবন্দিতে বাজি ধরতে গিয়ে খুন হন রুহুল।

বরিশাল নগরের আমানতগঞ্জ এলাকায় যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে অভিযুক্ত সুমন। তার দেয়া জবানবন্দি ১৬৪ ধারায় নথিভূক্ত করেন আদালতের বিচারক মো. আনিছুর রহমান। জবানবন্দি গ্রহন শেষে সুমনকে জেলে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়। জেলে যাওয়া সুমন বরিশাল নগরের বেলতলা ইসলামিয়া কলেজ সংলগ্ন বাবুল মিয়ার ভাড়াটিয়া মকবুল হাওলাদারের ছেলে। সুমন তার জবানবন্দিতে জানায়, সে ও রুহুল আমিন পূর্ব পরিচিত। গত ৩ নভেম্বর ভারত বনাম বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট খেলা শুরু হয়। ওই খেলাকে কেন্দ্র করে বাজি ধরে সুমন ও রুহুল আমিন। খেলায় বাংলাদেশের পক্ষে সুমন ও ভারতে পক্ষে রুহুল আমিন ৮ হাজার টাকা বাঁজি ধরে তারা। ওই খেলায় বাংলাদেশ বিজয়ী হলে রুহুলের কাছে জুয়ার ৮ হাজার টাকা দাবী করে সুমন। পরে টাকা না দিয়ে চলে যায় রুহুল। পরের দিন ৪ নভেম্বর আমানতগঞ্জ কসাই বাড়ির পুলসংলগ্ন এলাকায় রুহুলকে পেয়ে জুয়ার ৮ হাজার টাকা দাবী করে সে। এ সময় ওই টাকা নিয়ে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা শুরু হয়। এর এক পর্যায়ে সুমনকে থাপ্পর দেয় রুহুল। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সাথে থাকা ছুড়ি দিয়ে রুহুলকে আঘাত করে পালিয়ে যায় সে। বুধবার এভাবেই বাজির টাকার জন্য হওয়া হত্যার কথা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বর্ননা দেয় বলে আদালত সূত্রে জানাগেছে। এদিকে হত্যার ঘটনায় ওই দিনই রুহুল আমিনের বাবা পলাশপুরের ভাড়াটিয়া মোহাম্মদ আলি মুন্সি বাদী হয়ে সুমনকে আসামি করে কোতয়ালি মডেল থানায় মামলা করে। মামলায় তিনি উল্লেখ করেন, তার ছেলে তার ছেলে রুহুল আমিন ঢাকা ফিলিপস কম্পানিতে চাকরি করতো। গত ২৮ অক্টোবর চাকরি ছেড়ে বরিশাল আসে। পরে বাজার রোডে প্রিয় ভান্ডারের সেল্সম্যান পদে চাকরি নেয়। সুমনের সাথে রুহুল আমিনের পূর্ব থেকে টাকা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো। ৪ নভেম্বর বিকেলে রুহুল আমিন ওই এলাকা থেকে ফেরার পথে সুমনকে পাওয়ায় তার কাছে পাওনা টাকা চায়। এতে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে সুমন ক্ষিপ্ত হয়ে তার সাথে থাকা ছুড়ি দিয়ে রুহুলকে কুপিয়ে জখম করে। এসময় স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে সুমন পালিয়ে যায়। পরে রুহুলকে উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। এ ঘটনায় মামলার পরপরই ৫ নভেম্বর সুমনকে পটুয়াখালী থেকে গ্রেফতারক করে কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশ।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019