২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০:২৪ পূর্বাহ্ন, ১৪ই শাবান, ১৪৪৫ হিজরি, রবিবার, ১২ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

নোটিশ
জরুরী ভিত্তিতে কিছুসংখ্যক জেলা-উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে যোগাযোগ- ০১৭১২৫৭৩৯৭৮
সর্বশেষ সংবাদ :
ঝালকাঠিতে বীর মুক্তিযোদ্ধার গম চাষে নজর কেড়েছে তরুণ উদ্যোক্তাদের বাবুগঞ্জে আশার পক্ষ থেকে চিৎিসা সহায়তা প্রদান এসিল্যান্ড পরিচয়ে ব্যবসায়ীদের কাছে টাকা দাবি বরিশালে ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রীয় পদক পাচ্ছেন কেএমপি’র তিন পুলিশ কর্মকর্তা ফেসবুকে ‘বলার ছিল অনেক কিছু’ লিখে ফাঁস দিল এসএসসি পরীক্ষার্থী বানারীপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মকর্তা আব্দুল মতিন চৌধুরীর ইন্তেকাল বানারীপাড়ায় বন্দর মডেল স্কুলে তিনদিন ব্যাপি বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত শিক্ষক-কর্মচারী কো-অপরেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিঃ এর ১৭তম বার্ষিক সাধারণ সভা আগৈলঝাড়ায় অনুষ্ঠিত মুজিব”একটি জাতির রুপকার প্রদর্শিত হলো বরিশালের গৌরনদী
আদালতে সাক্ষী দিতে না আসায় ঝালকাঠি সদর থানার সাবেক উপপরিদর্শক (এসআই) টিপু লাল দাসকে ৭ দিনের কারাদ

আদালতে সাক্ষী দিতে না আসায় ঝালকাঠি সদর থানার সাবেক উপপরিদর্শক (এসআই) টিপু লাল দাসকে ৭ দিনের কারাদ

নিউজ ডেস্ক::
একাধিকবার তাগিদ দেওয়ার পরও আদালতে সাক্ষী দিতে না আসায় ঝালকাঠি সদর থানার সাবেক উপপরিদর্শক (এসআই) টিপু লাল দাসকে ৭ দিনের কারাদ- ও ২৫০ টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। টাকা পরিশোধ না করলে আরো এক দিনের কারাদ-াদেরশ দেওয়া হয়। বুধবার দুপুরে ঝালকাঠির নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২ এর বিচারক অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ শেখ মো. তোফায়েল হাসান এ আদেশ প্রদান করেন। একই সঙ্গে এসআই টিপু লাল দাসের বিরুদ্ধে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী হিসেবে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করা হয়। টিপু লাল দাস বর্তমানে বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ থানায় কর্মরত রয়েছেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ৪ নভেম্বর ঝালকাঠি সদর উপজেলার পোনাবালিয়া ইউনিয়নের ভাওতিতা গ্রামে রফিক মল্লিকের বসত ঘর থেকে তাঁর স্ত্রী নাছিমা আক্তারের (৩৫) মৃত্যু মৃত দেহ উদ্ধার করে। তখন ঝালকাঠি থানায় কর্মরত এসআই টিপু লাল দাস মৃত ওই নারীর সুরতহাল তৈরি করেন। এ ঘটনায় ঝালকাঠি থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়।
সুরতহাল প্রস্তুতকারী হিসেবে এসআই টিপু লাল দাস এ মামলার একজন সাক্ষী । গৃহবধূ নাছিমা আক্তারকে যৌতুকের দাবীতে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করে নিহতের ভাই আলম হোসেন বাদী হয়ে আদালতে নালিশী মামলা দায়ের করে। নালিশী অভিযোগে নিহতের ভাই দাবি করেন, তাঁর বোনকে বাবার বাড়ি থেকে ২০ হাজার টাকা যৌতুক এনে দেওয়ার জন্য স্বামী প্রায়ই মারধর করতো। যৌতুকের টাকা না পেয়ে স্বামী ও তাঁর ভাইয়েরা পরিকল্পিতভাবে নাছিমাকে হত্যা করে। পুলিশের সুরাতহালে তাঁর শরীরে কোথাও কোন আঘাতের চিহ্ন ছিলো না, তবে মুখ থেকে সাদা ফেনা বের হচ্ছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সে কারনেই এই মামলায় এসআই টিপু লাল দাসের সাক্ষ্য গুরুত্বপূর্ণ। টিপু লাল দাস ঝালকাঠি থেকে বদলি হয়ে গেলে আদালত একাধিকবার তাকে সাক্ষি দেওয়ার জন্য সমন ওয়ারেন্ট পাঠান। আদালতে সাক্ষী দিতে না আসায় এসআই টিপু লাল দাসের বিরুদ্ধে আদালত গত ১৬ অক্টোবর কারণ দর্শানো নোটিশ পাঠান। বুধবার এ মামলার ধার্য্য তারিখে আদালতে এসআই টিপু লাল দাস উপস্থিত না হওয়ায় তাকে কারাদ- প্রদান করা হয়।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019