সংবাদ শিরোনাম ::
মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান চুয়াডাঙ্গার আদালত মামলা পরিচালনা করতে যেয়ে ভুয়া আইনজীবীসহ আটক ২ গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলা, সকল আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল চুয়াডাঙ্গা থানা মোড়ে ৩০ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ নলছিটিতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালে ওজন কম পাওয়ার অভিযোগ, ডিলার ও কর্মকর্তার পাল্টাপাল্টি বক্তব্য বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প ৫২ নম্বর রহমতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার ইয়াছির আরাফাত নলছিটিতে ২ ভূমি কর্মকর্তা শোকজ, কানুনগো বদলি গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার দুইজন গ্রেপ্তার, মানববন্ধন

আদালতে সাক্ষী দিতে না আসায় ঝালকাঠি সদর থানার সাবেক উপপরিদর্শক (এসআই) টিপু লাল দাসকে ৭ দিনের কারাদ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৩৬:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ নভেম্বর ২০১৯ ২৫৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিউজ ডেস্ক::
একাধিকবার তাগিদ দেওয়ার পরও আদালতে সাক্ষী দিতে না আসায় ঝালকাঠি সদর থানার সাবেক উপপরিদর্শক (এসআই) টিপু লাল দাসকে ৭ দিনের কারাদ- ও ২৫০ টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। টাকা পরিশোধ না করলে আরো এক দিনের কারাদ-াদেরশ দেওয়া হয়। বুধবার দুপুরে ঝালকাঠির নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২ এর বিচারক অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ শেখ মো. তোফায়েল হাসান এ আদেশ প্রদান করেন। একই সঙ্গে এসআই টিপু লাল দাসের বিরুদ্ধে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী হিসেবে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করা হয়। টিপু লাল দাস বর্তমানে বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ থানায় কর্মরত রয়েছেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ৪ নভেম্বর ঝালকাঠি সদর উপজেলার পোনাবালিয়া ইউনিয়নের ভাওতিতা গ্রামে রফিক মল্লিকের বসত ঘর থেকে তাঁর স্ত্রী নাছিমা আক্তারের (৩৫) মৃত্যু মৃত দেহ উদ্ধার করে। তখন ঝালকাঠি থানায় কর্মরত এসআই টিপু লাল দাস মৃত ওই নারীর সুরতহাল তৈরি করেন। এ ঘটনায় ঝালকাঠি থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়।
সুরতহাল প্রস্তুতকারী হিসেবে এসআই টিপু লাল দাস এ মামলার একজন সাক্ষী । গৃহবধূ নাছিমা আক্তারকে যৌতুকের দাবীতে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করে নিহতের ভাই আলম হোসেন বাদী হয়ে আদালতে নালিশী মামলা দায়ের করে। নালিশী অভিযোগে নিহতের ভাই দাবি করেন, তাঁর বোনকে বাবার বাড়ি থেকে ২০ হাজার টাকা যৌতুক এনে দেওয়ার জন্য স্বামী প্রায়ই মারধর করতো। যৌতুকের টাকা না পেয়ে স্বামী ও তাঁর ভাইয়েরা পরিকল্পিতভাবে নাছিমাকে হত্যা করে। পুলিশের সুরাতহালে তাঁর শরীরে কোথাও কোন আঘাতের চিহ্ন ছিলো না, তবে মুখ থেকে সাদা ফেনা বের হচ্ছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সে কারনেই এই মামলায় এসআই টিপু লাল দাসের সাক্ষ্য গুরুত্বপূর্ণ। টিপু লাল দাস ঝালকাঠি থেকে বদলি হয়ে গেলে আদালত একাধিকবার তাকে সাক্ষি দেওয়ার জন্য সমন ওয়ারেন্ট পাঠান। আদালতে সাক্ষী দিতে না আসায় এসআই টিপু লাল দাসের বিরুদ্ধে আদালত গত ১৬ অক্টোবর কারণ দর্শানো নোটিশ পাঠান। বুধবার এ মামলার ধার্য্য তারিখে আদালতে এসআই টিপু লাল দাস উপস্থিত না হওয়ায় তাকে কারাদ- প্রদান করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

আদালতে সাক্ষী দিতে না আসায় ঝালকাঠি সদর থানার সাবেক উপপরিদর্শক (এসআই) টিপু লাল দাসকে ৭ দিনের কারাদ

আপডেট সময় : ১২:৩৬:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ নভেম্বর ২০১৯

নিউজ ডেস্ক::
একাধিকবার তাগিদ দেওয়ার পরও আদালতে সাক্ষী দিতে না আসায় ঝালকাঠি সদর থানার সাবেক উপপরিদর্শক (এসআই) টিপু লাল দাসকে ৭ দিনের কারাদ- ও ২৫০ টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। টাকা পরিশোধ না করলে আরো এক দিনের কারাদ-াদেরশ দেওয়া হয়। বুধবার দুপুরে ঝালকাঠির নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২ এর বিচারক অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ শেখ মো. তোফায়েল হাসান এ আদেশ প্রদান করেন। একই সঙ্গে এসআই টিপু লাল দাসের বিরুদ্ধে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী হিসেবে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করা হয়। টিপু লাল দাস বর্তমানে বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ থানায় কর্মরত রয়েছেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ৪ নভেম্বর ঝালকাঠি সদর উপজেলার পোনাবালিয়া ইউনিয়নের ভাওতিতা গ্রামে রফিক মল্লিকের বসত ঘর থেকে তাঁর স্ত্রী নাছিমা আক্তারের (৩৫) মৃত্যু মৃত দেহ উদ্ধার করে। তখন ঝালকাঠি থানায় কর্মরত এসআই টিপু লাল দাস মৃত ওই নারীর সুরতহাল তৈরি করেন। এ ঘটনায় ঝালকাঠি থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়।
সুরতহাল প্রস্তুতকারী হিসেবে এসআই টিপু লাল দাস এ মামলার একজন সাক্ষী । গৃহবধূ নাছিমা আক্তারকে যৌতুকের দাবীতে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করে নিহতের ভাই আলম হোসেন বাদী হয়ে আদালতে নালিশী মামলা দায়ের করে। নালিশী অভিযোগে নিহতের ভাই দাবি করেন, তাঁর বোনকে বাবার বাড়ি থেকে ২০ হাজার টাকা যৌতুক এনে দেওয়ার জন্য স্বামী প্রায়ই মারধর করতো। যৌতুকের টাকা না পেয়ে স্বামী ও তাঁর ভাইয়েরা পরিকল্পিতভাবে নাছিমাকে হত্যা করে। পুলিশের সুরাতহালে তাঁর শরীরে কোথাও কোন আঘাতের চিহ্ন ছিলো না, তবে মুখ থেকে সাদা ফেনা বের হচ্ছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সে কারনেই এই মামলায় এসআই টিপু লাল দাসের সাক্ষ্য গুরুত্বপূর্ণ। টিপু লাল দাস ঝালকাঠি থেকে বদলি হয়ে গেলে আদালত একাধিকবার তাকে সাক্ষি দেওয়ার জন্য সমন ওয়ারেন্ট পাঠান। আদালতে সাক্ষী দিতে না আসায় এসআই টিপু লাল দাসের বিরুদ্ধে আদালত গত ১৬ অক্টোবর কারণ দর্শানো নোটিশ পাঠান। বুধবার এ মামলার ধার্য্য তারিখে আদালতে এসআই টিপু লাল দাস উপস্থিত না হওয়ায় তাকে কারাদ- প্রদান করা হয়।