২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:৪০ পূর্বাহ্ন, ৩রা শাবান, ১৪৪৭ হিজরি, শুক্রবার, ৮ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নোটিশ
জরুরী ভিত্তিতে কিছুসংখ্যক জেলা-উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে যোগাযোগ- ০১৭১২৫৭৩৯৭৮
সর্বশেষ সংবাদ :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে অস্ত্র ব্যবসায়ী এবং তালিকাভুক্ত আসামি গ্রেফতার বিএনপির নির্বাচনি প্রচারণায় লোকে লোকারণ্য সিলেট আলিয়া মাদ্রাসার মাঠ গণতন্ত্র ও জবাবদিহিতা একটা জাতির উন্নতির চাবিকাঠি -তেঁতুলিয়ায় ব্যারিষ্টার নওশাদ জমির বাবুগঞ্জে লাঙ্গল প্রতীকে ভোট চেয়ে আবেগঘন আহ্বান ফারিয়া কিবরিয়ার। বাবুগঞ্জে ট্রাক প্রতীকে ভোট চেয়ে গণসংযোগে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী এইচ এম ফারদিন ইয়ামিন নতুন রেকর্ড গড়ে স্বর্ণের ভরি আড়াই লাখ টাকা ছাড়াল চুয়াডাঙ্গার উথলী দোকানের তালা ভেঙে চুরি চুয়াডাঙ্গায় প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দামুড়হুদা সীমান্তে নেশাদ্রব্য প্রাইভেট কারসহ রাজবাড়ির ২ ব্যাক্তি গ্রেফতার বরিশাল – ৩। মিথ্যা মামলা ও গ্রেপ্তার বাণিজ্যের অভিযোগে সরব এবি পার্টি প্রার্থী ব্যারিস্টার ফুয়াদ
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামের ফাঁসির দণ্ড বহাল । আজকের ক্রাইম নিউজ ডট কম

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামের ফাঁসির দণ্ড বহাল । আজকের ক্রাইম নিউজ ডট কম

মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামের ফাঁসির দণ্ড বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এই আদেশ দেন।

২, ৩ ও ৪ নাম্বার অভিযোগে সংখ্যাগরিষ্ঠাতার ভিত্তিতে আজহারের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ বহাল রাখেন আপিল বিভাগের বিচারপতিরা। আর ৫ নাম্বার অভিযোগ থেকে তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত ১০ জুলাই আপিলের ওপর শুনানি শেষে সিএভি (রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমান) রাখেন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ।

২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আজহারকে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে রংপুর অঞ্চলে ১২৫৬ ব্যক্তিকে গণহত্যা-হত্যা, ১৭ জনকে অপহরণ, একজনকে ধর্ষণ, ১৩ জনকে আটক, নির্যাতন ও গুরুতর জখম এবং শতশত বাড়ি-ঘরে লুণ্ঠন ও অগ্নিসংযোগের মতো নয় ধরনের ছয়টি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয় এটিএম আজহারের বিরুদ্ধে।

এসব অভিযোগের মধ্যে ১ নম্বর বাদে বাকি পাঁচটি অভিযোগই প্রমাণিত হয়েছে ট্রাইব্যুনালের রায়ে। ২০১৫ সালের ২৮ জানুয়ারি ১১৩ যুক্তিতে আজহারকে নির্দোষ দাবি করে খালাস চেয়ে আপিল করেন আজহার।

২০১৭ সালের ১৩ আগস্ট এক আদেশে আপিল বিভাগ আসামিপক্ষকে আপিলের সার-সংক্ষেপ দাখিলের নির্দেশ দেন। গত ১৮ জুন আপিলের ওপর শুনানি শুরু হয়। আসামিপক্ষে অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড জয়নুল আবেদীনের পেপারবুক উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে এ শুনানি শুরু হয়েছিল। ১ জুলাই থেকে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হয়।

শুনানি শেষে গত ১০ জুলাই প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চ রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রেখেছিলেন।

১৯৬৮ সালে রংপুর জিলা স্কুল থেকে মেট্রিক পাস করে পরের বছর আজহারুল ইসলাম ভর্তি হন রংপুর কারামাইকেল কলেজে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় আজহার জামায়াতে ইসলামীর ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্রসংঘের জেলা কমিটির সভাপতি ও আলবদর বাহিনীর রংপুর শাখার কমান্ডার ছিলেন।

১৯৯১ সালে তিনি ঢাকা মহানগর জামায়াতের আমিরের দায়িত্ব পান এবং ২০০৫ সালে কেন্দ্রীয় কমিটির সেক্রেটারি জেনারেল হন।

২০১২ সালের ১৫ এপ্রিল আজহারের যুদ্ধাপরাধের তদন্ত শুরু করেন তদন্ত কর্মকর্তা এস এম ইদ্রিস আলী। ওই বছরের ২২ আগস্ট মগবাজারের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর থেকে তিনি কারাগারেই আছেন।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019