১২ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:১৭ অপরাহ্ন, ২০শে জমাদিউস সানি, ১৪৪৭ হিজরি, শুক্রবার, ২৭শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নোটিশ
জরুরী ভিত্তিতে কিছুসংখ্যক জেলা-উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে যোগাযোগ- ০১৭১২৫৭৩৯৭৮
সর্বশেষ সংবাদ :
বাবুগঞ্জে আন্তর্জাতিক নারী সহিংসতা প্রতিরোধ পক্ষ ২০২৫ উদযাপিত বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতার বড় পদ বহাল রেখে ছোট পদ স্থগিত নিয়ে প্রশ্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারি বানারীপাড়ায় দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী ও অনৈতিক কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে বিএনপি নেতার পদ স্থগিত চুয়াডাঙ্গায় জেলা আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের দুই নেতা কারাগারে তেঁতুলিয়ায় নবীণ শিক্ষকদের সংবর্ধনা প্রদান ও বার্ষিক বনভোজন তেঁতুলিয়ায় খাতেমুন জব্বার ফাউন্ডেশন কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে মেধাবৃত্তি প্রদান চুয়াডাঙ্গায় পুলিশের ফায়ারিং মহড়ায় পথচারী গুলিবিদ্ধ দামুড়হুদায় পরিবার কল্যাণ সেবা ও প্রচার সপ্তাহের সমাপনী অনুষ্ঠিত বাবুগঞ্জে জমির ফসল খাওয়াকে কেন্দ্র করে মারধোর ও টাকা ছিনতাই।
রাজধানীর গুলশান ২-এ ইস্টার্ন ডিপ্লোম্যাটিকঅভিযান চালিয়ে সাত লাখ টাকাসহ বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ ও ফেনসিডিল জব্দ করা হয়।

রাজধানীর গুলশান ২-এ ইস্টার্ন ডিপ্লোম্যাটিকঅভিযান চালিয়ে সাত লাখ টাকাসহ বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ ও ফেনসিডিল জব্দ করা হয়।

রাজধানীর গুলশান ২-এ ইস্টার্ন ডিপ্লোম্যাটিক ওয়্যার হাউস লিমিটেডে অভিযান চালিয়ে সাত লাখ টাকাসহ বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ ও ফেনসিডিল জব্দ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে অভিযানটি চালায় র্যা ব ও ঢাকা কাস্টমস বন্ড। অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন র্যা ব সদর দফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম।

নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে রাজধানীর বিভিন্ন ক্লাবগুলোতেও মদ সরবরাহ করে আসছিল গুলশানের ইস্টার্ন ডিপ্লোম্যাটিক ওয়্যার হাউস। এ ছাড়া অনুমোদনের বাইরে বাড়তি মাদক মজুদ ছিল সেখানে।

গুলশান ২-এর ১০৮ নম্বর সড়কের ২৩ নম্বর ভবনে অবস্থিত ওয়্যার হাউসে অভিযান চালিয়ে ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম জানান, অভিযান শেষে ওয়্যার হাউসটি সিলগালা করে দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, রাত সাড়ে ৮টায় অভিযান শুরু হয়। রাত ১২টা পর্যন্ত এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ৩৮৬ বোতল বিদেশি মদ, ৮৫ বোতল ফেনসিডিল ও ৭ লাখ টাকা জব্দ করা হয়েছে।

সারওয়ার আলম আরও বলেন, ‘গুলশানের ইস্টার্ন ডিপ্লোম্যাটিক ওয়্যার হাউস থেকে ঢাকার বিভিন্ন ক্লাবে মদের বোতল সরবরাহ করা হতো। এ ছাড়া এখানে ফেনসিডিল রাখার কোনো বৈধতা নেই। এর পরও তারা নির্ধারিত মজুদের বেশি মদ ও ফেনসিডিল অন্যত্র সরবরাহের জন্য মজুদ রাখে, যা আইনগতভাবে সম্পূর্ণ অবৈধ। তাদের বিরুদ্ধে কাস্টমস আইনে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জানা গেছে, কাস্টমসের আইন অনুযায়ী বাড়তি মাদক পাওয়ায় তার দশগুণ পরিমাণ জরিমানার বিধান রয়েছে। এ ছাড়া অনুমোদনের বাইরে ফেনসিডিলের মতো মাদক পাওয়া যাওয়ায় ক্রিমিনাল ল’তেও মামলা হবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019