১৯ Jun ২০২৪, ১০:৩৪ অপরাহ্ন, ১২ই জিলহজ, ১৪৪৫ হিজরি, বুধবার, ৫ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নোটিশ
জরুরী ভিত্তিতে কিছুসংখ্যক জেলা-উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে যোগাযোগ- ০১৭১২৫৭৩৯৭৮
সর্বশেষ সংবাদ :
সিলেটে বন্যা পরিস্থিতি দেখতে আসলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. মহিববুর রহমান এমপি ১৫ লাখে ছাগল কেনা সেই ইফাত আমার ছেলে নন: রাজস্ব কর্মকর্তা মতিউর রহমান সিলেটে আরো ১০ দিন ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে, জেলা ও উপজেলা শহরের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন দর্শনার ব্যবসায়ী ভারতীয় ভিসা আনতে যেয়ে মৃত্যু ভোলায় দেখা মিলেছে বিষাক্ত রাসেল ভাইপার সাপ সিলেট হার্ট অ্যাসোসিয়েশন এর নতুন কমিটি গঠন,সভাপতি ডাঃ সুধাংশু রঞ্জন দে সাধারণ সম্পাদক ডাঃ এস এম হাবিবউল্লাহ সেলিম বিরামপুর রেলস্টেশনে চাঁদাবাজির সময় ভূয়া পুলিশ আটক চুয়াডাঙ্গায় চলন্ত বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালকের মৃত্যু, বন্ধু জখম চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে ইটভাটার পিছন থেকে মরদেহ উদ্ধার দামুড়হুদায় সাপে কেটে জামায়াত নেতার মৃত্যু
রাজধানীর গুলশান ২-এ ইস্টার্ন ডিপ্লোম্যাটিকঅভিযান চালিয়ে সাত লাখ টাকাসহ বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ ও ফেনসিডিল জব্দ করা হয়।

রাজধানীর গুলশান ২-এ ইস্টার্ন ডিপ্লোম্যাটিকঅভিযান চালিয়ে সাত লাখ টাকাসহ বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ ও ফেনসিডিল জব্দ করা হয়।

রাজধানীর গুলশান ২-এ ইস্টার্ন ডিপ্লোম্যাটিক ওয়্যার হাউস লিমিটেডে অভিযান চালিয়ে সাত লাখ টাকাসহ বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ ও ফেনসিডিল জব্দ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে অভিযানটি চালায় র্যা ব ও ঢাকা কাস্টমস বন্ড। অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন র্যা ব সদর দফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম।

নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে রাজধানীর বিভিন্ন ক্লাবগুলোতেও মদ সরবরাহ করে আসছিল গুলশানের ইস্টার্ন ডিপ্লোম্যাটিক ওয়্যার হাউস। এ ছাড়া অনুমোদনের বাইরে বাড়তি মাদক মজুদ ছিল সেখানে।

গুলশান ২-এর ১০৮ নম্বর সড়কের ২৩ নম্বর ভবনে অবস্থিত ওয়্যার হাউসে অভিযান চালিয়ে ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম জানান, অভিযান শেষে ওয়্যার হাউসটি সিলগালা করে দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, রাত সাড়ে ৮টায় অভিযান শুরু হয়। রাত ১২টা পর্যন্ত এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ৩৮৬ বোতল বিদেশি মদ, ৮৫ বোতল ফেনসিডিল ও ৭ লাখ টাকা জব্দ করা হয়েছে।

সারওয়ার আলম আরও বলেন, ‘গুলশানের ইস্টার্ন ডিপ্লোম্যাটিক ওয়্যার হাউস থেকে ঢাকার বিভিন্ন ক্লাবে মদের বোতল সরবরাহ করা হতো। এ ছাড়া এখানে ফেনসিডিল রাখার কোনো বৈধতা নেই। এর পরও তারা নির্ধারিত মজুদের বেশি মদ ও ফেনসিডিল অন্যত্র সরবরাহের জন্য মজুদ রাখে, যা আইনগতভাবে সম্পূর্ণ অবৈধ। তাদের বিরুদ্ধে কাস্টমস আইনে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জানা গেছে, কাস্টমসের আইন অনুযায়ী বাড়তি মাদক পাওয়ায় তার দশগুণ পরিমাণ জরিমানার বিধান রয়েছে। এ ছাড়া অনুমোদনের বাইরে ফেনসিডিলের মতো মাদক পাওয়া যাওয়ায় ক্রিমিনাল ল’তেও মামলা হবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019