১৯ Jun ২০২৪, ১১:৩১ অপরাহ্ন, ১২ই জিলহজ, ১৪৪৫ হিজরি, বুধবার, ৫ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নোটিশ
জরুরী ভিত্তিতে কিছুসংখ্যক জেলা-উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে যোগাযোগ- ০১৭১২৫৭৩৯৭৮
সর্বশেষ সংবাদ :
সিলেটে বন্যা পরিস্থিতি দেখতে আসলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. মহিববুর রহমান এমপি ১৫ লাখে ছাগল কেনা সেই ইফাত আমার ছেলে নন: রাজস্ব কর্মকর্তা মতিউর রহমান সিলেটে আরো ১০ দিন ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে, জেলা ও উপজেলা শহরের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন দর্শনার ব্যবসায়ী ভারতীয় ভিসা আনতে যেয়ে মৃত্যু ভোলায় দেখা মিলেছে বিষাক্ত রাসেল ভাইপার সাপ সিলেট হার্ট অ্যাসোসিয়েশন এর নতুন কমিটি গঠন,সভাপতি ডাঃ সুধাংশু রঞ্জন দে সাধারণ সম্পাদক ডাঃ এস এম হাবিবউল্লাহ সেলিম বিরামপুর রেলস্টেশনে চাঁদাবাজির সময় ভূয়া পুলিশ আটক চুয়াডাঙ্গায় চলন্ত বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালকের মৃত্যু, বন্ধু জখম চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে ইটভাটার পিছন থেকে মরদেহ উদ্ধার দামুড়হুদায় সাপে কেটে জামায়াত নেতার মৃত্যু
খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি-লক্ষ্মীছড়ি সড়কে সেতু নির্মাণ কাজ চলছে ধীরগতিতে। আজকের ক্রাইম নিউজ ডট কম

খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি-লক্ষ্মীছড়ি সড়কে সেতু নির্মাণ কাজ চলছে ধীরগতিতে। আজকের ক্রাইম নিউজ ডট কম

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: মোবারক হোসেন
: খাগড়াছড়ি জেলার লক্ষ্মীছড়ি মানিকছড়ি সড়কে প্রায় ৬৮কোটি টাকা ব্যায়ে ৬টি সেতু নির্মাণ কাজ শুরু হলেও কয়েকটি সেতুর কাজ বন্ধ রয়েছে। ধীরগতিতে চলছে ব্রিজ নির্মাণ কাজ। জানা যায়, ২০১৫-২০১৬ অর্থ বছরে ৭ নাম্বার প্যাকেজে খাগড়াছড়ি সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) সেতু নির্মাণের কুমিল্লার কচুয়া উপজেলার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স রানা বিল্ডার্স কনষ্ট্রাকশন লি: কে কার্যাদেশ দেয়। মেসার্স রানা বিল্ডার্স স্বত্বাধীকারী মেসার্স জাকির এন্টারপ্রাইজ ২০১৭সালের এপ্রিল মাসে সেতুু গুলো নির্মাণ কাজ শুরু করেন। কিন্তু দীর্ঘ ২বছর অতিবিাহিত হলেও এখনো পর্যন্ত একটি সেতুর কাজও শতভাগ সম্পন্ন করতে পারেনি ঠিবাদারী প্রতিষ্ঠান জাকির এন্টারপ্রাইজ। ফলে উক্ত সড়কে রড, সিমেন্টের ভাড়ি যানবাহন চলাচলের কারণে পুরো রাস্তাটি অকেঁজো হয়ে পরেছে।

খাগড়াছড়ি সড়ক ও জনপথ বিভাগ(সওজ) এর উপ-সহকারি প্রকৌশলী মো: দিদারুল ইসলাম। লক্ষ্মীছড়ি মানিকছড়ি সড়কে বাস্তবায়নাধীন বক্স কার্লভাটসহ ৬টি সেতুর প্রস্থ্য ধরা হয়েছে ১২.৫০মিটার। লক্ষ্মীছড়ি থানা সংলগ্ন ধুরুং এর উপর নির্মানধীন সেতুটিই সবচেয়ে বড় যার দৈঘ্য হলো ১০০ মিটার। বাকি ব্রিজগলো ৩০ মিটার থেকে ৬০ মিটারের মধ্যে। উক্ত ব্রিজগুলোর বাস্তবায়নের সময়কাল ধরা হয়েছে ১৮মাস থেকে ২৭ মাস। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে হেলেও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের অবহেলা ও গাফিলতির কারণে তা শেষ হচ্ছে না। চলতি বছর জুুন মাসে চুড়ান্ত বাস্তায়ন কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও কাজের অবস্থা দৃষ্টে মনে হচ্ছে খুব সহসাই কাজটি শেষ হচ্ছে না।

লক্ষ্মীছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান বাবুল চৌধুরী বলেন, দ্রুত ব্রিজগুলো নির্মাণ না হলে জনগনের ভোগান্তি বাড়ছেই। একমাত্র লক্ষ্মীছড়ি-মানিকছড়ি সড়কে ৬টি ব্রিজ দ্রুত নির্মাণ কাজ শেষ করার দাবি জানান তিনি।

অভিযোগ রয়েছে সঠিক তদারকি নেই, রাতের বেলায় নির্মাণ কাজ করা হয় এবং খাগড়াছড়ি থেকে ইঞ্জিনিয়ার না আসলেও তাঁর অনুপস্থিতিতে ঢালাই কাজ চলে। ব্রিজে নিন্ম মানের রড, বালু ও অন্যান নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে এমন অভিযোগ থাকলে এ বিষয়ে ঠিকাদারের নিজস্ব প্রকৌশলী তন্ময় আহমেদ বলেন, তদারকি কর্মকর্তার পরামর্শে ড্রয়িং ডিজাই মেনেই কাজ চলছে কোনো অনিয়ম হচ্ছে না বলে তার দাবি।

আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে উন্নত জীবন যাত্রার মান বাড়াতে সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা অন্যতম। পিছিয়ে পড়া অনুন্নত, পশ্চাদপদ লক্ষ্মীছড়ি উপজেলাকে এগিয়ে নিতে ব্রিজগুলো নির্মাণ করা জরুরী। আর এ যোগাযোগ ব্যাবস্থা উন্নত হলে পাল্টে যাবে খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার বর্তমান দৃশ্যপট।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019