সংবাদ শিরোনাম ::
মিথ্যা ডায়েরির প্রতিবাদ: নিরপেক্ষ তদন্তের দাবী গ্রামবাসীর ঘোড়াঘাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিশেষজ্ঞ নেই ৩ মাসে ১৮৮ কি স্বাভাবিক প্রসব বন্ধ সিজারিয়ান রাজনীতি ও সমাজসেবায় দীর্ঘ পথচলা, জনসেবার প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী পারভেজ মৃধা। বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা উজিরপুরে যুবদল কর্মী হত্যাকান্ডের ঘটনায় ৯ জন গ্রেপ্তার বিরামপুরের বিনাইল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা সাবদার হোসেনের, চাইলেন দোয়া ও সমর্থন দর্শনা ইমিগ্রেশনে ভারতে যাওয়ার পথে ছাত্রলীগ নেতা আটক জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে পুলিশের ওপর হামলা, গোপালগঞ্জে আহত ২ দর্শনা ডিলাক্স’ ঢাকা-মাওয়া বাস খাদে,নিহত ৩, আহত ১৬ জন ঝালকাঠিতে বিএনপির সাংগঠনিক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ক্যাসিনো বাণিজ্যসহ নানা অভিযোগ ওঠা ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদ হারাচ্ছেন। আজকের ক্রাইম নিউজ ডট কম

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ৩৩৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কাউন্সিলর পদ হারালের ক্যাসিনো বাণিজ্যসহ নানা অভিযোগ ওঠা ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) ৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর এ কে এম মমিনুল হক সাঈদ।

বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) মতিঝিল এলাকার এই কাউন্সিলরকে অপসারণ করে আদেশ জারি করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
আদেশে বলা হয়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে যে, মমিনুল হক যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া কর্পোরেশনের ১৮টি সভার মধ্যে ১৩টি সভায় অনুপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে টানা তিনবার (প্রথম থেকে তৃতীয় সভায় পরপর), চারবার (সপ্তম থেকে ১০ম) ও ছয়বার (১২তম থেকে ১৭তম) সভায় অনুপস্থিত ছিলেন।

এতে আরও বলা হয়, কাউন্সিলর সাঈদ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া বিদেশে গমন ও অবস্থান করেছেন। এসব বিষয়ে আত্মপক্ষ সমর্থনে জবাব দেয়ার জন্য তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছিল। তিনি জবাব দিয়েছেন, কিন্তু আত্মপক্ষ সমর্থনে যৌক্তিক প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি।

তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সরেজমিন তদন্তের জন্য সরকার একজন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োজিত করে। সেই তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযোগগুলো প্রমাণিত হয়েছে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

আদেশে এসব কর্মকাণ্ডকে ‘স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন, ২০০৯’ অনুযায়ী কাউন্সিলর পদ হতে অপসারণযোগ্য অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করে বলা হয়, আইনের ধারা ১৩ এর উপধারা (২) অনুযায়ী মমিনুল হককে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৯ নম্বর সাধারণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে।

মমিনুল হক সাঈদ যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ কমিটির যুগ্ম সম্পাদক। ২০১৫ সালে ডিএসসিসির ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নির্বাচিত হন তিনি।

গত মাসে রাজধানীতে ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরু হলে গ্রেফতার হন যুবলীগের কয়েকজন নেতা। তারাই জানান, ক্যাসিনো ব্যবসায়ের হোতাদের মধ্যে অন্যতম হলেন কাউন্সিলর মমিনুল হক সাঈদ। রাজধানীর ফকিরাপুলের ওয়ান্ডারার্স ক্লাবটি চালাতেন মমিনুল হক। ওই ক্লাবে নিয়মিত ক্যাসিনো, জুয়া, মাদকের আসর বসত। র‌্যাবের অভিযানের পরপরই মমিনুল হক সিঙ্গাপুর পালিয়ে গেছেন।

এই কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করেন ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের পরিচালক (স্থানীয় সরকার) এম ইদ্রিস সিদ্দিকী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ক্যাসিনো বাণিজ্যসহ নানা অভিযোগ ওঠা ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদ হারাচ্ছেন। আজকের ক্রাইম নিউজ ডট কম

আপডেট সময় : ০৭:৫৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৯

কাউন্সিলর পদ হারালের ক্যাসিনো বাণিজ্যসহ নানা অভিযোগ ওঠা ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) ৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর এ কে এম মমিনুল হক সাঈদ।

বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) মতিঝিল এলাকার এই কাউন্সিলরকে অপসারণ করে আদেশ জারি করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
আদেশে বলা হয়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে যে, মমিনুল হক যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া কর্পোরেশনের ১৮টি সভার মধ্যে ১৩টি সভায় অনুপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে টানা তিনবার (প্রথম থেকে তৃতীয় সভায় পরপর), চারবার (সপ্তম থেকে ১০ম) ও ছয়বার (১২তম থেকে ১৭তম) সভায় অনুপস্থিত ছিলেন।

এতে আরও বলা হয়, কাউন্সিলর সাঈদ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া বিদেশে গমন ও অবস্থান করেছেন। এসব বিষয়ে আত্মপক্ষ সমর্থনে জবাব দেয়ার জন্য তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছিল। তিনি জবাব দিয়েছেন, কিন্তু আত্মপক্ষ সমর্থনে যৌক্তিক প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি।

তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সরেজমিন তদন্তের জন্য সরকার একজন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োজিত করে। সেই তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযোগগুলো প্রমাণিত হয়েছে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

আদেশে এসব কর্মকাণ্ডকে ‘স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন, ২০০৯’ অনুযায়ী কাউন্সিলর পদ হতে অপসারণযোগ্য অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করে বলা হয়, আইনের ধারা ১৩ এর উপধারা (২) অনুযায়ী মমিনুল হককে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৯ নম্বর সাধারণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে।

মমিনুল হক সাঈদ যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ কমিটির যুগ্ম সম্পাদক। ২০১৫ সালে ডিএসসিসির ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নির্বাচিত হন তিনি।

গত মাসে রাজধানীতে ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরু হলে গ্রেফতার হন যুবলীগের কয়েকজন নেতা। তারাই জানান, ক্যাসিনো ব্যবসায়ের হোতাদের মধ্যে অন্যতম হলেন কাউন্সিলর মমিনুল হক সাঈদ। রাজধানীর ফকিরাপুলের ওয়ান্ডারার্স ক্লাবটি চালাতেন মমিনুল হক। ওই ক্লাবে নিয়মিত ক্যাসিনো, জুয়া, মাদকের আসর বসত। র‌্যাবের অভিযানের পরপরই মমিনুল হক সিঙ্গাপুর পালিয়ে গেছেন।

এই কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করেন ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের পরিচালক (স্থানীয় সরকার) এম ইদ্রিস সিদ্দিকী।