সংবাদ শিরোনাম ::
আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে ঝালকাঠিতে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল বানারীপাড়ায় আওয়ামী লীগের ১০ নেতা-কর্মীকে জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা বাবুগঞ্জে পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল কারার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল কাঠালিয়ায় সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা দাবি: মানববন্ধনে প্রতিবাদ বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশলী অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে সুবিধা না করতে পেরে মানববন্ধনের নাটক ঘোড়াঘাট থানার নবাগত ওসি সাথে ঘোড়াঘাট প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা জাতিসংঘ সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, স্বাস্থ্যবিষয়ক সাইড ইভেন্টে নেতৃত্ব দেবেন ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার ঝালকাঠিতে ২০ পিস ইয়াবা ৫০ হাজার টাকা সহ মাদক কারবারি গ্রেফতার কাঠালিয়ায় এক শিক্ষক কে ঘিরে নানা অভিযোগ, অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

দীর্ঘ সাড়ে ৫ বছরেও বিচার কাজ শেষ হয়নি ১৪ জন আসামির। আজকের ক্রাইম নিউজ ডটনিউজ নিউজ নিউজ ডট কম

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৫:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৯ ২৯৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ডেক্স রির্পোট, বুয়েটের আবরারের মতো শিবির সন্দেহে ২০১৪ সালে হলের গেস্ট রুমে রাতভর আটকে রেখে পিটিয়ে হত্যা করা হয় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগ নেতা সাদ ইবনে মোমতাজকে। কিন্তু দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ বছরেও বিচার কাজ শেষ হয়নি। ১৪ জন আসামির মধ্যে ছাত্রলীগ নেতা রেজাউল করিম রেজাসহ ৭ জনকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়ে বাকি ৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। উচ্চ আদালতের আদেশে বর্তমানে মামলার কার্যক্রম স্থগিত আছে বলে জানান আইনজীবীরা।

২০১৪ সালে ৩১ মার্চ রাতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের আশরাফুল হক হলের আবাসিক মৎস্য বিজ্ঞানের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ও হল শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাদ ইবনে মোমতাজকে শিবির সন্দেহে গেস্ট রুমে রাতভর আটকে রেখে ক্রিকেট ব্যাট ও স্ট্যাম্প দিয়ে বেধড়ক পেটায় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। পরদিন সকালে হাসপাতালে মারা যান তিনি। সাদের পরিবার মামলা করতে অস্বীকৃতি জানালে শিক্ষার্থীদের প্রবল আন্দোলনের মুখে রেজাউল করিম রেজা, সুজয় কুমার কুন্ডু ও রোকনুজ্জামান রোকনকে আজীবনসহ আরও ৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার এবং অজ্ঞাত আসামির নামে হত্যা মামলা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

পুলিশ তদন্ত করে তিনমাস পর ছাত্রলীগের ১৪ নেতাকর্মীর নামে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। তবে ২০১৮ সালের ২৪ এপ্রিল রেজাউল করিম রেজাসহ আলোচিত ৭ জনকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়ে বাকি ৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।

জজকোর্ট পিপি অ্যাডভোকেট মো. ওয়াজেদুল ইসলাম বলেন, রেজাউল করিমসহ কয়েকজনের নাম যারা স্বীকার করেছেন মামলায় এ স্বীকারোক্তির মধ্যে আছে।

সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট এ এইচ এম খালেকুজ্জামান বলেন, তাদের অব্যাহতি যৌক্তিক কিনা এ বিষয়ে তারা উচ্চ আদালতে আবেদন করতে পারেন। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের তো এ ব্যাপারে প্রচুর উদাসিনতা। তারা তো কখনও খোঁজও নেয় না।

এদিকে দীর্ঘদিনেও বিচার না হওয়া এবং মামলা পরিচালনায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অবহেলায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, সাদ হত্যায় অভিযুক্ত ৬ জনকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ শাস্তি দেয়া হয়েছে। তবে মামলার ব্যাপারে কিছুটা উদাসীনতা থাকলেও খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ভারপ্রাপ্ত ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এ কে এম জাকির হোসেন বলেন, একসময় মামলার খোঁজ খবর নেয়া হয়েছে। হয়তো এর আগে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে খোঁজ নেয়া হয়নি। আগামী বছরের ২৩ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী তারিখ ধার্য রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

দীর্ঘ সাড়ে ৫ বছরেও বিচার কাজ শেষ হয়নি ১৪ জন আসামির। আজকের ক্রাইম নিউজ ডটনিউজ নিউজ নিউজ ডট কম

আপডেট সময় : ০৭:৩৫:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৯

ডেক্স রির্পোট, বুয়েটের আবরারের মতো শিবির সন্দেহে ২০১৪ সালে হলের গেস্ট রুমে রাতভর আটকে রেখে পিটিয়ে হত্যা করা হয় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগ নেতা সাদ ইবনে মোমতাজকে। কিন্তু দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ বছরেও বিচার কাজ শেষ হয়নি। ১৪ জন আসামির মধ্যে ছাত্রলীগ নেতা রেজাউল করিম রেজাসহ ৭ জনকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়ে বাকি ৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। উচ্চ আদালতের আদেশে বর্তমানে মামলার কার্যক্রম স্থগিত আছে বলে জানান আইনজীবীরা।

২০১৪ সালে ৩১ মার্চ রাতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের আশরাফুল হক হলের আবাসিক মৎস্য বিজ্ঞানের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ও হল শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাদ ইবনে মোমতাজকে শিবির সন্দেহে গেস্ট রুমে রাতভর আটকে রেখে ক্রিকেট ব্যাট ও স্ট্যাম্প দিয়ে বেধড়ক পেটায় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। পরদিন সকালে হাসপাতালে মারা যান তিনি। সাদের পরিবার মামলা করতে অস্বীকৃতি জানালে শিক্ষার্থীদের প্রবল আন্দোলনের মুখে রেজাউল করিম রেজা, সুজয় কুমার কুন্ডু ও রোকনুজ্জামান রোকনকে আজীবনসহ আরও ৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার এবং অজ্ঞাত আসামির নামে হত্যা মামলা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

পুলিশ তদন্ত করে তিনমাস পর ছাত্রলীগের ১৪ নেতাকর্মীর নামে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। তবে ২০১৮ সালের ২৪ এপ্রিল রেজাউল করিম রেজাসহ আলোচিত ৭ জনকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়ে বাকি ৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।

জজকোর্ট পিপি অ্যাডভোকেট মো. ওয়াজেদুল ইসলাম বলেন, রেজাউল করিমসহ কয়েকজনের নাম যারা স্বীকার করেছেন মামলায় এ স্বীকারোক্তির মধ্যে আছে।

সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট এ এইচ এম খালেকুজ্জামান বলেন, তাদের অব্যাহতি যৌক্তিক কিনা এ বিষয়ে তারা উচ্চ আদালতে আবেদন করতে পারেন। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের তো এ ব্যাপারে প্রচুর উদাসিনতা। তারা তো কখনও খোঁজও নেয় না।

এদিকে দীর্ঘদিনেও বিচার না হওয়া এবং মামলা পরিচালনায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অবহেলায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, সাদ হত্যায় অভিযুক্ত ৬ জনকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ শাস্তি দেয়া হয়েছে। তবে মামলার ব্যাপারে কিছুটা উদাসীনতা থাকলেও খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ভারপ্রাপ্ত ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এ কে এম জাকির হোসেন বলেন, একসময় মামলার খোঁজ খবর নেয়া হয়েছে। হয়তো এর আগে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে খোঁজ নেয়া হয়নি। আগামী বছরের ২৩ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী তারিখ ধার্য রয়েছে।