মঙ্গলবার, ১৮ মে ২০২১, ০৫:৪৮ অপরাহ্ন

Notice :
প্রকাশ্যে ধূমপান করে তোপের মুখেপড়া এক তরুণীর ভিডিও ভাইরাল।চরমোনাই পীরের ওয়াজ মাহফিল বাতিল।বিএনপির কোনো নেতাকর্মী যেন পদ্মা সেতু পার না হয় বললেন শাজাহান খান।জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য অনুযায়ী, ভাতাপ্রাপ্ত প্রায় দুই হাজার বীর মুক্তিযোদ্ধার বয়স ৫০–এর নিচে।করোনা আক্রান্ত কনের অভিনব পদ্ধতিতে বিয়ে (ভিডিও)আবাসিক হোটেলে জনপ্রিয় অভিনেত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ।পুলিশে হঠাৎ বড় রদবদল।ইউটিউবে যাত্রা শুরু করছেন মিজানুর রহমান আজহারী।
ভোলা নাগরিক ঐক্য ফোরাম উদ্যোগে সকল নৌ ঘাটে প্রবেশ ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদ জানিয়েছেন

ভোলা নাগরিক ঐক্য ফোরাম উদ্যোগে সকল নৌ ঘাটে প্রবেশ ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদ জানিয়েছেন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : অদ্য ১২ অক্টোবর ২০১৯ইং শনিবার সকাল ১১ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে দ্বীপজেলা ভোলা নাগরিক ঐক্য ফোরামের উদ্যোগে দেশের সকল নৌ ঘাটে প্রবেশ ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি সৈয়দ শাহ আলম। উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মোস্তফা, সহ-সভাপতি নাহিদুল ইসলাম শান্ত, কামাল হাওলাদার, মোঃ হোসেন, সৈয়দ সেলিম রেজা, মোঃ ফারুক, যুগ্ম সম্পাদক কামাল আহমেদ, নূর মোর্শেদ, মাকসুদুর রহমান, আওলাদ হোসেন, মফিজুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আক্কাস আলী, আব্দুর রহমান পনির, জাকির হোসেন, রফিকুল ইসলাম, লাভলু পাটোয়ারী, দপ্তর সম্পাদক মহসিন রানা, মহিলা সম্পাদিকা খাদিজা রহমান, আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. ইউসুফ হোসেন প্রমুখ।
সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন, ভাড়াটিয়া পরিষদের সভাপতি মোঃ বাহারানে সুলতান বাহার, মানবাধিকার জোটের মহাসচিব সাংবাদিক মিলন মল্লিক, নাগরিক পরিষদের আহ্বায়ক মোহাম্মদ শামসুদ্দিন প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সরকার দেশের সকল নৌ ঘাটে প্রবেশ ফি বৃদ্ধি করে দ্বিগুণ করেছে। এতে করে পুরো দক্ষিণবঙ্গ তথা দ্বীপজেলা ভোলাসহ বরিশাল বিভাগবাসী এই ফি বৃদ্ধির সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী হবে। কারণ দ্বীপজেলা ভোলার সাথে সারাদেশের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম নৌপথ এবং বরিশাল বিভাগের সাথে সারাদেশের যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম নৌপথ। এর আগেও বিভিন্ন সময় প্রবেশ ফি (টোল) বৃদ্ধি হলেও সেবার মান বাড়েনি। এখনো বিভিন্ন নৌ ঘাটে টার্মিনাল নাই। যাও আছে তাহা মানুষের ব্যবহারের অনুপযোগী। কোথাও টয়লেট নাই। আবার কোথাও বসার ব্যবস্থা নাই। অথচ ফি (টোল) ঠিকই আদায় করে নিচ্ছে। ঢাকা সদরঘাট সহ দেশের প্রায় সকল নৌ ঘাটগুলো চাঁদাবাজদের দখলে। প্রায় সময় এই অঞ্চলের লোকদেরকে চাঁদাবাজদের আর্থিক-মানসিক ভাবে লাঞ্ছিত হতে হয়। তাই আমরা দাবী করছি সকল নৌ ঘাটগুলোকে চাঁদাবাজ মুক্ত করতে হবে এবং ঘাট ফি বৃদ্ধি প্রত্যাহার করে পূর্বের ফি বহাল করার জোর দাবী করছি।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019
Bengali English