২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১:০৩ অপরাহ্ন, ১৩ই শাবান, ১৪৪৫ হিজরি, শনিবার, ১১ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

নোটিশ
জরুরী ভিত্তিতে কিছুসংখ্যক জেলা-উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে যোগাযোগ- ০১৭১২৫৭৩৯৭৮
সর্বশেষ সংবাদ :
বরিশালে ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রীয় পদক পাচ্ছেন কেএমপি’র তিন পুলিশ কর্মকর্তা ফেসবুকে ‘বলার ছিল অনেক কিছু’ লিখে ফাঁস দিল এসএসসি পরীক্ষার্থী বানারীপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মকর্তা আব্দুল মতিন চৌধুরীর ইন্তেকাল বানারীপাড়ায় বন্দর মডেল স্কুলে তিনদিন ব্যাপি বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত শিক্ষক-কর্মচারী কো-অপরেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিঃ এর ১৭তম বার্ষিক সাধারণ সভা আগৈলঝাড়ায় অনুষ্ঠিত মুজিব”একটি জাতির রুপকার প্রদর্শিত হলো বরিশালের গৌরনদী লাইসেন্সবিহীন প্যাথলজি সেন্টারকে জরিমানা ও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে গৌরনদীতে এসএসসি পরীক্ষার্থীর অভিভাবকের কাছ থেকে ঘুস গ্রহণকালে ধরা কর্মকর্তা টাকা ভাগাভাগির দ্বন্দ্বে ৩ দিন পর দাফন হলো মরদেহ
সাঁতার কেটে দুটি খাল পার হয়ে তবেই স্কুলে যায় গরিব ঘরের অদম্য শিক্ষার্থী তসলিমা

সাঁতার কেটে দুটি খাল পার হয়ে তবেই স্কুলে যায় গরিব ঘরের অদম্য শিক্ষার্থী তসলিমা

অনলাইন ডেক্সঃ সাঁতার কেটে দুটি খাল পার হয়ে তবেই স্কুলে যায় গরিব ঘরের অদম্য শিক্ষার্থী তসলিমা।।।বাড়ি থেকে প্রায় আড়াই কিলোমিটার দূরে স্কুল। সেই স্কুলে যেতে তাকে সাঁতার কেটে পার হতে হয় দুটি খাল। অথচ, তার বয়সের শিক্ষার্থীরা একটু সুযোগ পেলেই স্কুল পালায়। অথবা ছোট-খাটো অজুহাতে কামাই দেয় স্কুল।এই অদম্য শিক্ষার্থীর নাম তসলিমা খাতুন। সপ্তম শ্রেণির এই শিক্ষার্থীর বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চর অনুপনগরে। সম্প্রতি, ভারত ফারাক্কা ব্যারেজের গেট খুলে দেওয়ায় পানি বেড়ে যায় পদ্মা ও মহানন্দা নদীর। এই মহানন্দার দুটি খাল পানিতে ভরে যায়। তাই স্কুলে যেতে তাকে সাঁতার কাটতে হয়।গরিব ঘরে জন্ম তসলিমার। সংসারে আট ভাই-বোন। যে গ্রামে বিদ্যালয়-ছুট শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বেশি ও বাল্য বিয়ের প্রবণতা রয়েছে সেই গ্রামে থেকে ১৪ বছর বয়সী তসলিমা লেখাপড়ার জন্যে মেনে নিতে পারে যেকোনো কষ্ট। কেননা, সে জানে শিক্ষাই তাকে মুক্তি দিবে সব দুঃখ-দারিদ্র্য থেকে।আড়াই কিলোমিটার দূরে স্কুল। তাই প্রতিদিন আসা-যাওয়ায় তাকে পাঁচ কিলোমিটার চলাচল করতে হয়। পুরো পথ তাকে হাঁটতে ও সাঁতার কাটতে হয়। কিন্তু, এ নিয়ে কোনো অভিযোগ নেই তসলিমার।তসলিমা জানায়, বাবা মারা যাওয়ায় আমার বড় ভাই রাজমিস্ত্রির কাজ করে সংসার চালায়। কিন্তু, তার আয়ও খুব বেশি না। তার তিন বোনের অল্প বয়সে বিয়ে হয়ে গেলেও তার ইচ্ছা পড়ালেখা চালিয়ে যেতে। তসলিমার৷ ভাষায়, “আমরা গরিব। নিজেরে শিক্ষিত করতে পড়ালেখা করতে চাই। পড়া শেষ করে যাতে চাকরি পাই।”তসলিমার বোন নাসিমা খাতুন বলেন, “আমরা সবাই চাই তসলিমা লেখাপড়া করুক। পড়ালেখা করে সে যেনো তার জীবনে সফল হতে পারে।”অনুপনগর বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক মাহতাবউদ্দিন বলেন, “তসলিমাকে কোনোদিন ক্লাস মিস করতে দেখি নাই। খালগুলো পানিতে ভরে গেলেও সে স্কুল ফাঁকি দেয়নি।”

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019