রবিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২১, ০৯:৪৮ পূর্বাহ্ন

Notice :
প্রকাশ্যে ধূমপান করে তোপের মুখেপড়া এক তরুণীর ভিডিও ভাইরাল।চরমোনাই পীরের ওয়াজ মাহফিল বাতিল।বিএনপির কোনো নেতাকর্মী যেন পদ্মা সেতু পার না হয় বললেন শাজাহান খান।জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য অনুযায়ী, ভাতাপ্রাপ্ত প্রায় দুই হাজার বীর মুক্তিযোদ্ধার বয়স ৫০–এর নিচে।করোনা আক্রান্ত কনের অভিনব পদ্ধতিতে বিয়ে (ভিডিও)আবাসিক হোটেলে জনপ্রিয় অভিনেত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ।পুলিশে হঠাৎ বড় রদবদল।ইউটিউবে যাত্রা শুরু করছেন মিজানুর রহমান আজহারী।
সর্বশেষ সংবাদ :
ডিমলায় আশ্রয়ন প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের মাঝে জমি সহ গৃহ হস্তান্তরের উদ্বোধন। আজকের ক্রাইম-নিউজ আমরা-৯২ এর উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ। আজকের ক্রাইম-নিউজ মেহেরপুরে পৃথক অভিযানে ৪০ বোতল ফেন্সিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক। আজকের ক্রাইম-নিউজ এক ‘মা’ দিলেন জন্ম, আরেক ‘মা’ দিলেন ঘর: এমপি আলী আজগার টগর। আজকের ক্রাইম-নিউজ আলমডাঙ্গা ফুটবল খেলোয়াড় কল্যাণ সমিতির সম্পাদক মধুকে বহিষ্কার। আজকের ক্রাইম-নিউজ জীবননগরে হাসাদাহ সাহিত্য পরিষদের শপথ অনুষ্ঠান। আজকের ক্রাইম-নিউজ খুলনায় খুবির এক শিক্ষককে বরখাস্ত, দুজনকে অপসারণের সিদ্ধান্ত। আজকের ক্রাইম-নিউজ অনুমোদন পেল দেশে উদ্ভাবিত কোভিড টেস্ট কিট। আজকের ক্রাইম-নিউজ গৌরনদীতে গৃহহীন ও পরিবারের মাঝে জমি ও ঘর বিতরন। আজকের ক্রাইম-নিউজ কারাগারে নারীসঙ্গ জঘন্যতম অপরাধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আজকের ক্রাইম-নিউজ
দক্ষিণাঞ্চলের দ্বীপ ও চর হতে পারে পর্যটনের বিশাল জগতঃ বিডিজেএর সেমিনারে বক্তরা

দক্ষিণাঞ্চলের দ্বীপ ও চর হতে পারে পর্যটনের বিশাল জগতঃ বিডিজেএর সেমিনারে বক্তরা

  1. দক্ষিণাঞ্চলের দ্বীপ ও চর হতে পারে পর্যটনের বিশাল জগতঃ বিডিজেএর সেমিনারে বক্তরা

বিশেষ প্রতিবেদকঃ
‘কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত ঘিরে পর্যটনের বিপুল সম্ভাবনা থাকলেও সেখানে অপরিকল্পিতভাবে উন্নয়ন হচ্ছে। জমির দাম আকাশছোঁয়া, ফলে সেখানে বিনিয়োগে মানুষের আগ্রহ কম। তাছাড়া জমি কেনাবেচায় নানা অনিয়ম ও দুর্নীতিও রয়েছে। এসব ঠেকানো না গেলে কুয়াকাটাকে ঘিরে যে স্বপ্ন ও সম্ভাবনা, তা কাগজে-কলমেই থেকে যাবে।’ সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে বরিশাল বিভাগের সাংবাদিকদের সংগঠন বরিশাল ডিভিশনাল জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন (বিডিজেএ)-এর সেমিনারে এসব কথা বলেছেন বিশিষ্টজনরা।

বক্তারা বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন চর ও দ্বীপকে কেন্দ্র করে মালদ্বীপের মতো পর্যটনের বিশাল জগত তৈরি করা সম্ভব। এজন্য প্রয়োজন রাজধানীর সঙ্গে উন্নত যোগাযোগ এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ। পদ্মা সেতু চালু হলে সেই সম্ভাবনা বহুগুণ বেড়ে যাবে। তবে যেকোনো উন্নয়নে পরিবেশ-প্রকৃতির সুরক্ষা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি প্রয়োগেরও দাবি জানান তারা। বলেন, পদ্মা সেতু ও পায়রাবন্দরের মতো বৃহৎ প্রকল্পের কারণে নদী-খাল ও সবুজ বনানী পরিবেষ্টিত বরিশাল অঞ্চলের পরিবেশ ও প্রতিবেশ যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। জমি অধিগ্রহণের প্রচলিত পদ্ধতি থেকে বেরিয়ে আসারও আহ্বান জানানো হয় সেমিনারে।

‘পদ্মা সেতু ও পায়রাবন্দর : দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়ন সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক এই সেমিনারে আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান, বরিশাল-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. শাহ আলম , সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপর যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল,কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ ইসমাঈল, পটুয়াখালী পৌরসভার মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আবু জাফর সূর্য, সাংবাদিক নেতা শেখ মামুনুর রশীদ, নুরুল ইসলাম হাসিব, মাহবুব সৈকতসহ বরিশাল বিভাগের বিশিষ্টজনরা। সভা সঞ্চালন করেন সংগঠনের সভাপতি আমীন আল রশীদ।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের শিক্ষক তৌহিদুল আলম । জমি অধিগ্রহণে অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অনেক দেশেই সরকার জমি অধিগ্রহণ করলেও সেটি একবারে মালিকের কাছ থেকে কিনে না নিয়ে বরং বার্ষিক ভাড়াভিত্তিতে নিয়ে থাকে। অর্থাৎ জমির মালিকানা ঠিকই থাকবে এবং প্রতি বছর একটি নির্দিষ্ট হারে জমির মালিক জমির ভাড়া পাবেন। কিন্তু ওই জমি ব্যবহার করবে সরকার। এতে একদিকে সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প যেমন বাস্তবায়িতে হবে, তেমনি কেউ চিরদিনের মতো জমির মালিকানা হারাবেন না। উপরন্তু ক্ষতিপূরণের বেশি পয়সা পাওয়ার আশায় জমিতে অপ্রয়োজনীয় স্থাপনা ও নির্মাণ ও অনিয়ম-দুর্নীতিও বন্ধ হবে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সড়কনির্ভর উন্নয়নের প্রথম বলি হয় খাল,নদী ও জলাশয়। সেতু ও কালভার্ট নির্মাণের ফলে দক্ষিণাঞ্চলের অনেক ছোট ছোট নদী ও খালের মৃত্যু হয়েছে এ কথা সবার জানা। আবার সেতু নির্মাণ করতে গিয়ে ছোট নদীর ভিতরেও অনেক পিলার দেয়ায় নদীর স্বাভাবিক গতিপথ বাধাগ্রস্ত হয়, যা ধীরে ধীরে নদীকে মেরে ফেলে। পক্ষান্তরে এটিও ঠিক যে, সহজ ও দ্রুত যোগাযোগের জন্য সড়ক ও রেলপথই বেশি জনপ্রিয়। সুতরাং সড়ক, রেলপথ , সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ করতে গিয়ে যাতে নদী-খাল ও জলাশয়ের মৃত্যু না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি বলে আলোচনারা উল্লেখ করেন।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019
Bengali English